ময়মনসিংহ

ফের রিমান্ডে জেলার সোহেল রানা

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

ফের রিমান্ডে জেলার সোহেল রানা

পুলিশের হাতে আটক জেলার সোহেল রানা -ফাইল ছবি

  কিশোরগঞ্জ অফিস

বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে মাদকদ্রব্য ও বিপুল পরিমাণ টাকাসহ গ্রেফতার চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসকে মানি লন্ডারিংরে মামালায় রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের সিনিয়র বিচারিক হাকিম ইকবাল মাহমুদ তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে টাকার উৎস বের করা হবে। জেলার সোহেল রানা কোথা থেকে, কেমন করে এত টাকা পেলেন তা জানার পর মামলার পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে জেলার সেহেল রানা বিশ্বাসকে মাদক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইদিনের রিমান্ডে নেয় রেলওয়ে পুলিশ

ওই সময় সোহেল রানা রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মজিদ।

ওসি আবদুল মজিদ বলেন, রিমান্ডে সোহেল রানা জানিয়েছেন ওই দিনের জব্দকৃত ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মধ্যে ১২ লাখ টাকা ছিল চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক ও সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিকের। জব্দকৃত আড়াই কোটি টাকা ও ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেকের উৎস সম্পর্কে সোহেল রানা বলেছেন টাকাগুলো কারাগারে মাদক ব্যবসাসহ অবৈধভাবে রোজগার করেছেন।

সোহেল পুলিশকে আরও বলেছেন, চট্টগ্রাম কারাগারে অবৈধভাবে প্রতি মাসে আড়াই কোটি টাকা রোজগার হয়। এই টাকার অংশ হিসেবে মাসে ৪২ লাখ টাকা ভাগ পান সোহেল। বাকি দুই কোটি টাকা তার ঊর্ধ্বতন দুই বসকে দেয়া হয়। তবে ওই দুইজন ঊর্ধ্বতন বসের নাম বলেননি সোহেল।

এর আগে ২৬ অক্টোবর দুপুরে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে জেলার সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ।

এ সময় তার কাছ থেকে ১২ বোতল ফেনসিডিল, নগদ ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, বিভিন্ন ব্যাংকের এক কোটি ৩০ লাখ টাকার তিনটি চেক এবং স্ত্রী হোসনে আরা পপি, শ্যালক রকিবুল হাসান ও তার নিজের নামে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর উদ্ধার করা হয়।

পরে তার বিরুদ্ধে মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করা হয়। মাদক মামলার তদন্ত করছে জিআরপি পুলিশ। মানি লন্ডারিং আইনে মামলাটি তদন্ত করবে দু'দক। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শেরপুরে মাদক-জঙ্গিমু্ক্ত অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার শপথ শিশুদের


আরও খবর

ময়মনসিংহ

শপথ নিচ্ছে শিশুরা- সমকাল

  শেরপুর প্রতিনিধি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকীতে ছবিমেলা নামে ভিন্নধর্মী এক শিশু সমাবেশের আয়োজন করেছে শেরপুর পুলিশ। 

শেরপুর পুলিশ লাইন্স মাঠে রোববার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলা শহরের ৬টি মাধ্যমিক ও কিন্ডার গার্টেন স্কুল, প্রতিবন্ধী ও আদিবাসী শিক্ষার্থীসহ প্রায় দেড় সহশ্রাধিক শিশু অংশ নেয়।

সকালে শিশুদের ফুল ও জাতীয় পতাকা দিয়ে বরণ করে নেন পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শিক্ষাবিদ আলেয়া ফেরদৌসি।

দুপুরে ওই শিশুরা কাগজের জাতীয় পতাকা হাতে একসঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে। পরে দেড় হাজারের বেশি শিশু বাম হাত বুকে রেখে ডান হাত সামনে নিয়ে মাদক-জঙ্গিবাদমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেয়। তাদের  শপথ পাঠ করান পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম।

পরে বিতর্ক, চিত্রাঙ্কণ,  বঙ্গবন্ধুর ওপর গল্পবলা, সঙ্গীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুরা এদিন ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সদর উপজেলার বলায়ের চরের আদিবাসী শিশুরা তাদের মাতৃভাষার গানে নৃত্য পরিবেশন করে।

এমন জমকালো ভিন্নধর্মী আয়োজন পেয়ে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত নেচে গেয়ে আনন্দ-ফুর্তিতে ভীষণ উৎফুল্ল ছিল শিশুরা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের  ভীষণ ভালবাসতেন। আমাদের আয়োজনের লক্ষ্য ছিল সকল ধর্মের, সকল বর্ণের শিশুদের একত্রিত করে বঙ্গবন্ধুর কথা বলা। তার স্বপ্নের দেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করা। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমাদের এ ক্ষুদ্র আয়োজন ছবিমেলা।

জেলা সুহৃদ সমাবেশের সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ চৌধুরী শৈবাল ও আবৃতি শিল্পি শ্যামলী মালাকারের সঞ্চালনায় ছবিমেলায় উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার রেজোয়ান দিপু প্রমূখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শেরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন


আরও খবর

ময়মনসিংহ

  শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে রোববার সকালে কালেক্টরেট চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে দিবসের সূচনা করেন হুইপ আতিউর রহমান আতিক।

এসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সর্বস্তরের জনসাধারণ পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে।

শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক সভাকক্ষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও কর্মময় জীবনের ওপর আলোচনা করেন পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, ডিডিএলজি এটিএম জিয়াউল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন কুমাল পাল, নারী নেতা শামসুন্নাহার কামাল, সাংবাদিক দেবাশীষ ভট্টাচার্য, মেরাজ উদ্দিন, অধ্যাপক শিবশঙ্কর কারুয়া, খামার বাড়ীর ডিডি আশরাফ উদ্দিন প্রমূখ।

পরে জেলা শিশু একাডেমি আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পাঠ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।





সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আমরা প্রায় বিভ্রান্ত জাতিতে পরিণত হয়েছি: পরিকল্পনামন্ত্রী


আরও খবর

ময়মনসিংহ

ছবি: সমকাল

  মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) সংবাদদাতা

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমরা প্রায় বিভ্রান্ত জাতিতে পরিণত হয়েছি। আমরা ঠিকমতো আমাদের আত্মপরিচয় জানি না। আমাদের নিজের পরিচয় নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি না। অথচ আমাদের শিল্প-সংস্কৃতি সমৃদ্ধ। আমাদের হাওরের সংস্কৃতি সমৃদ্ধ। বাউল সাধক উকিল মুন্সিসহ বাউলদের গান আমাদের মনের খোরাক জোগায়। অথচ এসবের থেকে দূরে সরে যাচ্ছি আমরা। 

শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে আদর্শনগর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে 'বাউল সাধক উকিল মুন্সী স্মরণে' বাউল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের ধার করা সংস্কৃতি দিয়ে চলবে না। নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ এবং লালনের জন্য দেশের যেখানে যেটা করা প্রয়োজন সরকার সেখানে সেটাই করতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমরা যারা কাজ করি তাদের সবাইকে তিনি উৎসাহ দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মূলে যান। বাংলাদেশের গভীরে যান। প্রধানমন্ত্রী হাওর জনপদের সাধারণ মানুষের দুঃখকষ্ট উপলব্ধি করে এ অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী কাজ করছেন। 

এম এ মান্নান বলেন, হাওরের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সুনামগঞ্জ, মোহনগঞ্জ, রেলপথ নির্মাণসহ উড়াল সড়ক নির্মাণ করা হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে বাউল উৎসবে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- নেত্রকোণা-৪ আসনের এমপি রেবেকা মমিন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- লেখক ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত বাউলেরা গান পরিবেশন করেন।