ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০১৮

ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

  ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহের শহরতলী শম্ভুগঞ্জ ও মুক্তাগাছা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে এসব ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, নিহত দুজনই মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।  

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি শাহ কামাল হোসেন আকন্দ বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে মুক্তাগাছার রসুলপুরে ডাকাতদলের ডাকাতির প্রস্তুতির খবরের সূত্র ধরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ডাকাতরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি করে। এক পর্যায়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মো. আব্দুল্লাহ হেল কাফিকে (৩১) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

নিহত আব্দুল্লাহ হেল কাফি ফুলবাড়িয়া উপজেলার আন্দালিয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে তিনটি মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা আছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় এসআই নিমাজ উদ্দিন ও এএসআই মজিদ আহত হয়।

শাহ কামাল হোসেন আকন্দ আরও বলেন, ডিবি পুলিশের অপর একটি দল শুক্রবার রাত দেড়টায় ময়মনসিংহ-কিশোরপঞ্জ সড়কের সদর উপজেলার সাহেব কাচারী বাজার এলাকার অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশ বিসমিল্লাহ হ্যাচারি সংলগ্ন দরিয়াপুর মাঠের সামনে পৌঁছলে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ী আলমাগীরকে (২৭) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২ কেজি গাঁজা ও ২টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। আলমগীর শহরের কালিবাড়ি রোডের (কালিবাড়ি পুরাতন গোদারাঘাট) ইব্রাহিমের ছেলে। তার বিরুদ্ধেও কোতোয়ালী মডেল থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশ কনস্টেবল সাইদুল ইসলাম ও আরমান উদ্দিন আহত হয়। 

মন্তব্য


অন্যান্য