মিউজিক

‘গৃহিণীদের মধ্যে এত প্রতিভা আছে,কল্পনাও করিনি’

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘গৃহিণীদের মধ্যে এত প্রতিভা আছে,কল্পনাও করিনি’

  বিনোদন প্রতিবেদক

ফাহমিদা নবী। কণ্ঠশিল্পী ও উপস্থাপক। এনটিভির রিয়েলিটি শো 'সিলন সুপার সিঙ্গার'-এর বিচারক হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ব্যস্ত আছেন নতুন গানের আয়োজন নিয়ে। এ সময়ের ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

অ্যালবাম ও দেশের গানের সিরিজের পর একক গানের সুর করলেন। এখন থেকে কি সুরকার হিসেবে নিয়মিত কাজ করবেন? 

সুরকার হিসেবে নিয়মিত কাজ করব কি-না তা নিয়ে আলাদা করে ভাবিনি। প্রতিনিয়ত সঙ্গীতের সঙ্গে ওঠা-বসা। সঙ্গীতই ধ্যানজ্ঞান। সেজন্য হয়তো গান করতে গেলে নিজের মধ্যে আপনা-আপনি কিছু সুর চলে আসে। যখন কেউ বলে, সে সুর ভালো লাগছে, তখন সেটা রেখে দেওয়ার চেষ্টা করি। এভাবেই 'ভুল করে ভালোবেসেছি' একক অ্যালবামের নিজের সুর করা দুটি গান রেখেছিলাম। কিন্তু কখনও ভাবিনি, আমার সুরে খ্যাতিমান ও তরুণশিল্পীর গাওয়া দেশের গান নিয়ে 'জীবনের জয়গান'-এর মতো কোনো সিরিজ তৈরি হবে, যা হয়েছে হঠাৎ এবং কিছুটা নাটকীয়ভাবে। কিন্তু এ কথাও ঠিক যে, 'জীবনের জয়গান' সিরিজের পর সুরকার হিসেবে আরও কাজ করার প্রেরণা পেয়েছি। সে জন্যই এবার মঞ্জুরুল আলম চৌধুরীর লেখা 'মা' ও ফারজানা রহমানের লেখা 'সেদিনও মুখর ছিল শব্দহীন কথারা' শিরোনামের একক গান দুটির সুর করেছি।

বিচারক হিসেবে 'সিলন সুপার সিঙ্গার' রিয়েলিটি শোর প্রতিযোগীদের কেমন সম্ভাবনাময় মনে হচ্ছে? 

মূল পর্বের প্রতিযোগীরা যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। গৃহিণীদের মধ্যে এত প্রতিভা আছে, তা এই রিয়েলিটি শোর বিচারক হওয়ার আগে কল্পনাও করিনি। তাদেরই কেউ কেউ হয়তো আগামীতে সঙ্গীতাঙ্গনে সাড়া ফেলবে। 

'সুরের আয়না'র পর নতুন কোনো আয়োজন নিয়ে ভেবেছেন? 

টিভি আয়োজন ছাড়াও তো অনেক কিছু করা যায়। আমি বলছি না, কখনও আর উপস্থাপনা করব না। করব, কিন্তু তার আগে যাচাই করে নেব, যা করছি তা মানুষের মনে কতটা প্রভাব ফেলছে। মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাবে এমন কাজই করতে চাই। 

মাহমুদুন্নবীর কালজয়ী গান নিয়ে 'আমার গানের প্রান্তে' ধারাবাহিক অ্যালবামের নতুন খণ্ডের কাজ কতটুকু এগোল? 

প্রথম খণ্ডের গান যারা শুনেছেন, তারা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কাজটা কত যত্ন নিয়ে করা হয়েছে। অ্যালবামের প্রতিটি খণ্ডের জন্যই একটু সময় নিয়ে কাজ করতে চাই।

মন্তব্য


অন্যান্য