মিউজিক

প্রেমিকাকে নায়িকা বানানোর গল্প

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৯

প্রেমিকাকে নায়িকা বানানোর গল্প

‘পথের কাঁটা’ মিউজিক ভিডিওর একটি দৃশ্য

  অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকাকে নায়িকা বানাতে মরিয়া প্রেমিক। এ জন্য নানা কষ্ঠ করতে হয় তাকে। সেই প্রেমিকা যখন পর্দার নায়িকা হয়ে উঠে। তখন ভুলে যায় আসল প্রেমিককে। নতুন স্বপ্ন বোনা হয় পর্দার নায়কের সঙ্গে। মূলত সেই বিরহের গল্পই উঠে এসেছে ‘পথের কাঁটা’ শিরোনামের গানটির ভিডিওতে।

সিএমভির ব্যানারে নির্মিত মিউজিক ভিডিওটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে। সাদমান পাপ্পুর গাওয়া এই গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন মাসুম তাসলিম। সঙ্গীতায়োজনে ছিলেন শাহরিয়ার রাফাত। আর ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা।

এতে মডেল হয়েছেন সাব্বির অর্ণব, রুহি আফরোজ ও আনান খান। গানটি প্রসঙ্গে শিল্পী সাদমান পাপ্পু বলেন, ‘আমার অনেক প্রিয় একটি গান। গানটির সঙ্গে দারুণ একটা গল্প তৈরি হলো ভিডিওটির মাধ্যমে। আশা করছি শ্রোতা-দর্শকদের ভালো লাগবে।’

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ছয় শহরে রুনা-সাবিনা


আরও খবর

মিউজিক

রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিন

  অনলাইন ডেস্ক

অনেক দিন পর আবারও এক মঞ্চে গাইবেন বরেণ্য দুই কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লা। তবে দেশে নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি শহরে ধারাবাহিকভাবে আয়েজিত কনসার্টে অংশ নেবেন তারা। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ধারাবাহিক এই কনসার্টের আয়োজন করছে শোটাইম মিউজিক।

আয়োজকরা জানান, এ বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে কনসার্টগুলো অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, ডালাস, ফ্লোরিডা, লস অ্যাঞ্জেলেস ও আটলান্টায় অনুষ্ঠিতব্য প্রতিটি কনসার্টে একমঞ্চে গাইবেন খ্যাতিমান এ দুই শিল্পী। 

এ বিষয়ে সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লার সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হয়েছে বলেও আয়োজকরা জানান। এর আগেও দেশের ও দেশের বাইরে এক মঞ্চে গান করেছেন রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিন। কিন্তু এবারই প্রথম কোনো দেশে একসঙ্গে ছয়টি কনসার্টে অংশ নিতে যাচ্ছেন। এ আয়োজন দর্শকের মনে দাগ কাটবে এমন আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজক ও শিল্পীরা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কলকাতায় একই উৎসবে আঁখি, অনিমা ও নীশিতা


আরও খবর

মিউজিক

কলকাতায় একই উৎসবে গান গেয়েছেন স্বপ্নীল সজিব, আঁখি আলমগীর,অনিমা রায় ও নীশিতা বড়ুয়া

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতার তালতলা মাঠের যোধপুর পার্কের একটি উৎসবে গান পরিবেশ করলেন বাংলাদেশর আঁখি আলমগীর, অনিমা রায় ও নীশিতা বড়ুয়া ও স্বপ্নীল সজিব। যোধপুর পার্ক উৎসব ২০১৯’ শিরোনামরে এ ‘উৎসব গত ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ দিবস’ নামে একটি আয়োজন। এতেই সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশের  এ চার শিল্পী। 

মঞ্চে গাইছেন আঁখি আলমগীর

‘বাংলাদেশ দিবস’ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ কর্মকর্তা কবি রবিউল হুসাইন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘উৎসব ২০১৯’-এর চেয়ারম্যান শ্রী শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।

গান গাইবার পূর্বে নিজেদের গান দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার জন্য তাদেরকে অনুষ্ঠানে সংবর্ধনাও দেয়া হয়। যা দেশের বাইরে এ শিল্পীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা বলেই জানান তারা। 

আঁখি আলমগীর বলেন, সঙ্গীত পরিবেশনের পাশাপাশি আমাদেরকে উৎসব কমিটি যে সম্মান দিয়েছে, তা শিল্পী হিসেবে অনেক বড় প্রাপ্তি। গত বছর একইমে আইয়ূব বাচ্চু ও আঁখি আলমগীর সঙ্গীত পরিবেশন করেছিলেন।’

এই অনুষ্ঠানে আঁখি আলমগীর নিজের গানগুলো টানা এক ঘণ্টারও বেশি সময় গান বলে জানান।  পর একেবারে শেষ পর্যায়ে আইয়ূব বাচ্চুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আঁখি আলমগীর গেয়ে উঠেন ‘সেই তুমি কেন এতো অচেনা হলে’।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আমি রাস্তা থেকে উঠে আসা শিল্পী, আমাকে সাহায্যের কেউ নেই: আকবর


আরও খবর

মিউজিক

একজন সাধারণ রিকশা চালক থেকে শিল্পী হয়ে উঠেন আকবর

  বিনোদন প্রতিবেদক

রিকশা চালক থেকে গায়ক হয়ে আলোচিত সেই আকবরের কথা মনে আছে? হানিফ সংকেতের ইত্যাদির মাধ্যমে যার আবিস্কার। কিশোর কুমারের গাওয়া ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে’ গানটি ইত্যাদির মঞ্চে গেয়ে ১৫ বছর আগে মন জয় করেছিলেন শ্রোতাদের। এরপরই রাতারাতি পরিবর্তন আসে তার জীবনে। হয়ে উঠেন তারকা। সেই আকবরই এখন অসুস্থ হয়ে বিছানায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। 

পেশায় রিকশাচালক থেকে গায়ক হওয়ার পর ‘তোমার হাত পাখার বাতাসে’ গানটি প্রকাশ হয় তার। এ গানটিও জনপ্রিয়তা পায় শ্রোতামহলে। হঠাৎ করেই কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন এ গায়ক। ডায়াবেটিসও দেখা দেয়। হুট করেই তাই থমকে যায় তার চলার গতি। কারণ সংসারে সেই অর্থ উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি। জীবনের এ কঠিন সময়েও তাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তার আবিষ্কারক হানিফ সংকেত।

অসুস্থ শিল্পী আকবর

হানিফ সংকেতের সহায়তায় শুরু হয় তার চিকিৎসা। কিছুটা সুস্থও হন। কিন্তু ছন্দ পতনের জীবনে নতুন করে ছন্দ ফিরে পাওয়ার আগেই আক্রমণ করে বসে পুরনো অসুখ। 

বর্তমানে মিরপুর ১৩ নম্বরে ভাড়া বাড়িতে বিছানায় শুয়েই দিন কাটছে তার। ঠিকমতো চলাফেরা করতেও কষ্ট হচ্ছে তার। তাই আর গান গাওয়া হচ্ছেনা  শিল্পীর। 

আজ সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা হয় তার। আকবর বলেন, একবারে ঘরে পড়ে গেছি। কিছুই করতে পারছি না। যা সঞ্চয় ছিল সবই অসুখের পিছনে শেষ করেছি। কয়েক দফায় হানিফ সংকেত স্যার সাহায্য করেছেন। তার টাকা দিয়েই চিকিৎসা চালিয়েছি। তিনি তো আমার জন্য অনেক করলেন, আর কত করবেন? তবুও এখনও তিনি আমার পাশে রয়েছেন। সাহায্য করছেন। তার মতো মানুষ হয়না।  

আকবর আরও বলেন, ‘ নানা ধরনের অসুখ শরীরে। কিডনিতে বড় ধরনের ঝামেলা হয়েছে। রক্তেও রয়েছে ইনফেকশন। আগে থেকেই ডায়াবেটিস। এখন শরীর নাড়াতে পারছি না। ব্যাথায় কুকড়ে উঠছি।  এখন সংসারের করুণ দশা। স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যাকে নিয়ে কোনোমতে দিন পার করছি। আমি তো রাস্তা থেকে উঠে আসা গায়ক। আমার বড় কোনো আত্মীয় স্বজনও নেই। আমার বড় আত্মীয় বলতে এক হানিফ সংকেত স্যারই। কে আমার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। আমি তো বড় কোন শিল্পীও নই যে সকারের কাছে সাহায্যের জন্য যাবে।’

তবে এই মুহুর্তে কোন সাহায্য না পেলে নিজে মরবেন অসুখে। আর  স্ত্রী-সন্তান মরবেন না খেয়ে এমন মন্তব্যই করেন আকবর। 


সংশ্লিষ্ট খবর