মিউজিক

নতুন গান নিয়ে শহীদ

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

নতুন গান নিয়ে শহীদ

শহীদ

  অনলাইন ডেস্ক

‘এক জীবন’ মনে আছে নিশ্চয়? দূরবীন ব্যান্ডের বোকাল শহীদের গাওয়া  ওই গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় শ্রোতা-দর্শকদের কাছে। ব্যান্ডদলের বাইরেও একক গায়ক হিসেবে আলাদা ভাবে পরিচিত হন তিনি। এখন নিয়মিতই সিঙ্গেল গান প্রকাশ করছেন শহীদ। তার ধারাবাহিকতায় এবার নিয়ে আসছেন নতুন গান। শিরোনাম  ‘চাই তোকে ভীষণ’।

গানটির কথা লিখেছেন ফয়সাল রাব্বিকীন। ফাজবীর তাজের সুরে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন রেজওয়ান শেখ। লেজারভিশনের ব্যানারে আপাতত গানটির লিরিক ভিডিও আকারে প্রকাশ পাচ্ছে। 

নতুন এ গান প্রসঙ্গে শহীদ বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে সব ধরনের গান করতেই আমি পছন্দ করি। ‘চাই তোকে ভীষণ’ গানটি রোমান্টিক তবে বেশ ভিন্নধর্মী। এর কথা-সুর খুব মনে ধরেছে আমার। শ্রোতাদেরও গানটি ভালো লাগবে বলে বিশ্বাস।’ 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

আসিফের কণ্ঠে ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’


আরও খবর

মিউজিক

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলা গানের জনপ্রিয় শিল্পী আসিফ আকবর। নিজের গাওয়া অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে তার। অথচ কোন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার অনুরোধ আসলেই মঞ্চে উঠে গেয়ে বেড়ান হ্যাপি আখন্দের গাওয়া কালজয়ী গান ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’। কারণ নিজের প্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে এটি। সেই সঙ্গে শিল্পী গীতিকার ও সুরকারের প্রতি ভালোবাসা তো রয়েছেই। 

সম্প্রতি  রাজধানীর অভিজাত একটি হোটেলে বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ধ্রুব গুহ’র নতুন গানের ভিডিও‘তোমার উঁকিঝুঁকি’ প্রকাশিত হয়।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসিফ আকবর, অভিনেতা অপূর্বসহ গান সংশ্লিষ্ট সবাই। পাশাপাশি এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ধ্রুবগুহকে শুভ কামনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী, সুরকার, গীতিকার, সঙ্গীত পরিচালক, টিভি উপস্থাপকসহ মিডিয়া অঙ্গনের অনেকেই।

এ অনুষ্ঠানেই আসিফ আকবরকে অনুরোধ জানানো হয় গান গাওয়ার। মঞ্চে উঠেই আসিফ আকবর গাওয়া শুরু করেন ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’। নিজের পছন্দের গানটি গেয়ে উপস্থিত সবাইকে মাতিয়ে দেন আসিফ। এ সময় মঞ্চে আরও অনেক শিল্পী গান পরিবেশ করতে আসেন। 

বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে হ্যাপি আখন্দ  এক ক্ষণজন্মা প্রতিভা ও কিংবদন্তি গায়কের নাম। পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে ১৯৬০ সালের ১২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন এই প্রতিভাধর গায়ক। তার গাওয়া অনেক গানই হয়েছে কালজয়ী। তার মধ্যে সেরা গানের তালিকায় রয়েছে। 'আবার এলো যে সন্ধ্যা'।

‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’র পিছনের গল্প:

সময়টা  ১৯৭৪ সাল। এক বিকালে রিকশায় বগুড়া শহর ঘুরে ফিরছেন লাকী আখন্দ আর তার বন্ধু গীতিকার এসএম হেদায়েত। রাস্তার দুপাশে সবুজ আর সবুজ। তার মধ্যে লাল শাড়ি পরে হেঁটে যাচ্ছে বেদে মেয়েরা। লাকী তার বন্ধুর হাতের ডায়েরিটা দেখিয়ে বললেন, ‘এতে একটা গান লিখ’। হেদায়েত বললেন, ‘কী লিখব এখন! কিছুই তো মনে আসছে না।’ রিকশায় দুজনই চুপচাপ বসে আছেন। এর মধ্যে নেমে এলো সন্ধ্যা। হেদায়েত লাকীকে বললেন, ‘দোস্ত একটা লাইন পাইছি। আবার এলো যে সন্ধ্যা শুধু দুজনে।’ লাকী বললেন, ‘তাড়াতাড়ি লাইনটা ডায়েরিতে লিখে ফেল।’ তারপর হেদায়েত আরও কয়েকটা লাইন লিখলেন। কিন্তু লাকীর মনের মতো হলো না। একটু পর হেদায়েত বললেন, ‘দোস্ত আরও কয়টা লাইন মাথায় আসছে। চলো না ঘুরে আসি অজানাতে/যেখানে নদী এসে থেমে গেছে।’ চলার পথে তারা দেখলেন ঝাউবন। দেখলেন আরও অনেক কিছু। আর এসবই উঠে এলো গানে। এরপর ঢাকায় এসে করা হলো গানের সুর, কম্পোজিশন। হ্যাপীকেও দেখালেন। প্রথমে গানটা ছিল সুইং বিটের ওপর। একদিন লাকীকে জিজ্ঞেস না করেই হ্যাপী তার ব্যান্ড উইন্ডি সাইড অব কেয়ার থেকে গানটা রেকর্ড করে ফেললেন। এভাবেই সৃষ্টি  হয় ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’।

পরের
খবর

দেশে ফিরেই নতুন গান নিয়ে সালমা


আরও খবর

মিউজিক

সালমা

  অনলাইন ডেস্ক

সম্প্রতি যুক্তরাজ্য থেকে টানা শো’ করে ফিরলেন ক্লোজআপ তারকা সালমা। কিছুদিন বিশ্রামে থাকার কথা থাকলেও বিভিন্ন শো’যের শিডিউল দেয়ায় বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন না বলে সমকাল অনলাইনকে জানালেন এ শিল্পী। তাই শো নিয়ে  দৌড় ঝাঁপ করতে হচ্ছে তাকে। 

দেশে ফিরেই নতুন গানের খবর দিলেন এ শিল্পী। ‘প্রাণ ভ্রোমরা’ শিরোনামের একটি গানের মিউজিক ভিডিও নিয়ে আসছেন তিনি। গানটি লিখেছেন এইচ এম রিপন। সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন রেজওয়ান শেখ।

মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন সিডি চয়েস মিউজিক টিম। এটিতে মডেল হয়েছেন শাকিলা পারভিন ও রিয়েল। গানটিতে সালমার সঙ্গে দ্বৈত কন্ঠ দিয়েছেন কন্ঠশিল্পী মাসুম। খুব শিগগির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিডি চয়েস মিউজিক থেকে এটি প্রকাশিত হবে। গানের কথার সঙ্গে সমন্বয় করে গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান সালমা।

সালমা বলেন, ‘গানটি খুব সুন্দর কথার। সেই সঙ্গে মিউজিকও দারুন করা হয়েছে। গানের কথার সঙ্গে মিল রেখে মিউজিক ভিডিও বানানো হয়েছে। আশা করি গানটি সবার ভালো লাগবে।’

চলতি সপ্তাহেই সালমার নতুন গানের ভিডিওটি প্রকাশিত হবে বলে জিডি চয়েস মিউজিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রুনা লায়লাকে চমকে দিলেন বাপ্পী লাহিড়ী


আরও খবর

মিউজিক

জন্মদিনে রুনা লায়লাকে চমকে দিলেন বাপ্পি লাহিড়ী

  অনলাইন ডেস্ক

রুনা লায়লা। উপমহাদেশের বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী তিনি। অগণিত কালজয়ী গানের এ গায়িকার গত ১৭ নভেম্বর ছিলে জন্মদিন। দিনটিতে বড় কোন আয়োজন রাখেন নি এ তারকা।  তবে এ দিন চমকে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটালেন ভারতের কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী।

এ দিন রুনা লায়লাকে কলকাতার গ্র্যান্ড ওবেরয় হোটেলে সরাসরি গিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন বাপ্পী লাহিড়ী। জন্মদিনের সকালে হোটেলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে  উপস্থিত বাপ্পি। ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে কেক কাটেন। এসময় রুনা লায়লার সঙ্গে তার স্বামী আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন। বাপ্পী লাহিড়ীর হঠাৎ উপস্থিতিতে ভীষণ উচ্ছ্বসিত হন রুনা লায়লা। তার জন্মদিনের আনন্দকে এবার যেন আরো বাড়িয়েই দিলেন বাপ্পী লাহিড়ী।

রুনা লায়লার জন্মদিনে স্ত্রীকে নিয়ে হাজির বাপ্পি লাহিড়ী

রুনা লায়লা বলেন, ‘বাপ্পী লাহিড়ীর সঙ্গে আমার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। তারসঙ্গে সম্পর্কটা আমার পারিবারিক। জন্মদিনের রেশ কাটতে না কাটতেই বাপ্পী লাহিড়ীর এমন উপস্থিতি জন্মদিনের আনন্দ আরো অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকটা সময় আমরা একসঙ্গে গল্প করেছি, আড্ডা দিয়েছি।’

গত ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় রুনা লায়লা কলকাতা যান। সেখানে তিনি তার এক আত্মীয়র বিয়েতে যোগ দেবার পাশাপাশি জন্মদিন উদযাপন করছেন। সোমবার রুনা লায়লা ঢাকায় ফিরবেন।

এদিকে জি বাংলার সারেগামা অনুষ্ঠানে গত শনিবার রাতের পর্বে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অঙ্কিতা ও রাহুলের গানে মুগ্ধ হন। শুধু তাই নয় অঙ্কিতাকে দিয়ে বাপ্পী লাহিড়ী গান গাওয়ানোরও প্রতিশ্রুতি করেন।

জন্মদিন দুই বন্ধুর বিশেষ আড্ডা

বাপ্পী লাহিড়ী বলেন, ‘অঙ্কিতা কলকাতার শাকিরা। তার গান আমাকে এতোটাই মুগ্ধ করেছে যে আমি তাকে নিয়ে গান করার পুরো পরিকল্পনা করে ফেলেছি। বাকিটা সময়ের ব্যাপার। আশা করি শিগগিরই শ্রোতা দর্শকরা কোন সুখবর পাবেন।’

বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গে রুনা লায়লার সম্পর্ক সেই আশির দশক থেকে। সেই সময় প্রকাশিত অ্যালবাম ‘সুপার রুনা’র সূত্র ধরেই তাদের পরিচয়। পরে হয় বন্ধুত্ব। যা এখন পারিবারিক সম্পর্ক হিসেবেই দাঁড়িয়েছে। রুনা লায়লার মেয়ের সঙ্গে  বাপ্পি লাহিড়ীর মেয়েরও দারুণ বন্ধুত্ব।

১৯৬৫ সালের জুন মাসে উর্দু ছবি ‘জুগনু’তে গান গেয়েছিলেন রুনা লায়লা।ক্যারিয়ারে প্রায় দশ হাজারের মতো গানের গায়িকা তিনি। ছয়বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পেয়েছেন স্বাধীনতা পদকও। বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, গুজরাটি, পশতু, বেলুচি, আরবি, পারসিয়ান, মালয়, নেপালি, জাপানি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজি সব ভাষাতেই গান গেয়েছেন রুনা লায়রা।