মিউজিক

‘ওরে নীল দরিয়া’ দর্শক জরিপে স্বর্ণযুগের সেরা বাংলা নাগরিক গান নির্বাচিত

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

‘ওরে নীল দরিয়া’ দর্শক জরিপে স্বর্ণযুগের সেরা বাংলা নাগরিক গান নির্বাচিত

‘এই রাত তোমার আমার’ অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্যে

  অনলাইন ডেস্ক

পঞ্চকবি পরবর্তী বিশ শতকের ৪০ থেকে ৭০ দশক সময়কাল বাংলা নাগরিক গানের স্বর্ণযুগ। এই স্বর্ণযুগের বাছাই করা কিছু গান সঠিক তথ্য ও অবিকৃত সুরে নবীন ও প্রবীণ উভয় প্রজন্মের কাছে নতুন করে উপস্থাপনা এবং স্বর্ণযুগের সেরা গান বাছাইয়ের লক্ষ্যে দর্শক জরিপে স্বর্ণযুগের সেরা বাংলা নাগরিক গানের সন্ধান করেছে আর টিভি।  যা ‘এই রাত তোমার আমার’ নামের অনুষ্ঠান নামে আর টিভিতে প্রচার হয়।  

 প্রথম পর্বে ৪০ দশকের ৪০টি, ৫০ দশকের ৬০টি, ৬০ ও ৭০ দশকের ১০০টি করে মোট ৩০০ টি গান প্রচারিত হয় দেশের প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিশ্রুতিশীল বিভিন্ন শিল্পীর কণ্ঠে। এরপর ২য় পর্বে দর্শকদের এসএমএস থেকে প্রাপ্ত প্রতিটি দশকের ১০টি করে মোট ৪০টি গান প্রচারিত হয়।  এরপর গত ২৭ অক্টোবর আরটিভির বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে আয়োজন করা হয় স্বর্ণযুগের সেরা ১০টি গান নিয়ে গ্র্যান্ড ফিনালে। 

এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফাহিম হোসেন চৌধুরী, খায়রুল আনাম শাকিল, মৌটুসী, আতিক হাসান, প্রিয়াংকা গোপ, সাব্বির জামান, সমরজিৎ রায়, নন্দিতা, হৈমন্তী রক্ষিত ও বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী।

দর্শকদের এসএমএস এর ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে যে ১০টি গান নির্বাচিত হয় ১. ওরে নীল দরিয়া (গীতিকার: মুকুল চৌধুরী, সুরকার: আলম খান, প্রথম শিল্পী: আব্দুল জব্বার)। ২. একি সোনার আলোয় (গীতিকার: খান আতাউর রহমান, সুরকার: খান আতাউর রহমান, প্রথম শিল্পী: সাবিনা ইয়াসমিন)। ৩. আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা (গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, সুরকার: রবীন চট্টোপাধ্যায়, প্রথম শিল্পী: শ্যামল মিত্র)।৪. দুঃখ আমার বাসর রাতের পালংক (গীতিকার: মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান, সুরকার: সত্য সাহা, প্রথম শিল্পী: সাবিনা ইয়াসমিন)। ৫. আমি বনফুল গো (গীতিকার: প্রণব রায়, সুরকার: কমল দাশগুপ্ত, প্রথম শিল্পী: কানন দেবী)। ৬. কতদিন দেখিনি তোমায় (গীতিকার: প্রণব রায়, সুরকার: কমল দাশগুপ্ত, প্রথম শিল্পী: কমল দাশগুপ্ত)। ৭. তোমারে লেগেছে এত যে ভাল (গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: রবীন ঘোষ, প্রথম শিল্পী: তালাত মাহমুদ)। ৮. এনেছি আমার শত জনমের প্রেম (গীতিকার: মোহিনী চৌধুরী, সুরকার: শৈলেশ দত্তগুপ্ত, প্রথম শিল্পী: গৌরীকেদার ভট্টাচার্য)। ৯. মধুমালতি ডাকে আয় (গীতিকার: প্রণব রায়, সুরকার: রবীন চট্টোপাধ্যায়, প্রথম শিল্পী: সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়)। ১০. মুছে যাওয়া দিনগুলি (গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, প্রথম শিল্পী: হেমন্ত মুখোপাধ্যায়)।

এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেশের সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ যাদের মধ্যে অন্যতম চিত্রনায়ক ফারুক, সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব আজাদ রহমান, আলম খান, শেখ সাদী খান, গীতিকার কেজি মোস্তফা, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী মিতালী মুখার্জী, ফাতেমা তুজ জোহরা, সাদিয়া আফরিন মল্লিক প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কলকাতায় বাংলা উৎসব মাতাবেন তারা


আরও খবর

মিউজিক

কলকাতার বাংলা উৎসবে গাইবেন বাংলাদেশের এই শিল্পীরা

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও কলকাতার বন্ধন ব্যাংক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বাংলা উৎসবের আয়োজন করেছে কলকাতার নজরুল মঞ্চে। আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি পর্দা উঠবে এ উৎসবের। যাতে দুই বাংলার সঙ্গীতশিল্পীদের অংশগ্রহণে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। বাংলা গানের নানামুখী দিক তুলে ধরার জন্যই এই প্রয়াস নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজক কমিটি। 

এবারের বাংলা উৎসবে বাংলাদেশ ও কলকাতার সঙ্গীশিল্পীরা গান পরিবেশন করবেন। বাংলাদেশ থেকে উৎসবে যোগ দেবেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, চন্দনা মজুমদার, এন্ড্রু কিশোর, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, বাপ্পা মজুমদার, বুলবুল ইসলাম ও শ্যামা রহমান। কলকাতার শিল্পীদের মধ্যে থাকছেন নচিকেতা চক্রবর্তী, শুভমিতা, জয়তী চক্রবর্তীসহ আরও অনেকে।

বাংলা উৎসবে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হবেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। বিষয়টি  বেঙ্গল ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, বাংলা সংগীতে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ এই তিনি। তার সঙ্গে ভারতের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আরতি মুখোপাধ্যায়কেও সম্মাননা দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গীতে হৈমন্তীর গান


আরও খবর

মিউজিক

হৈমন্তী

  অনলাইন ডেস্ক

এবছর জানুয়ারীতে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকে প্রকাশিত হয় কন্ঠশিল্পী হৈমন্তী রক্ষিতের ৬ষ্ঠ একক অ্যালবাম ‘দেয়াল কাহিনী’। অ্যালবামের সব গুলো গানের সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন বাপ্পা মজুমদার। এবার  ঐ অ্যালবামের ‘ভাঙামন’ গানের ভিডিও নিয়ে দর্শক-শ্রোতার সামনে হাজির হচ্ছেন হৈমন্তী।

‘ভাঙামন’ গানটি লিখেছেন স্বপ্নীল। অলোক হাসানের পরিচালনায়  গানটির ভিডিও নির্মান করেছেন মোশন রক এন্টারটেইনমেন্ট। এতে মডেল হিসেবে আছেন অন্তু করিম এবং পি জে হেলেন। 

গানটি প্রসঙ্গে হৈমন্তী বলেন ‘আমি মনেপ্রাণে একজন সঙ্গীতশিল্পী। গানই আমার আরাধনা, গানই আমার সাধনা। পথ চলতে গিয়ে শুধু সবার দোয়া আর সঙ্গীতাঙ্গনের সবার সহযোগিতা চাই। একজন শুদ্ধ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। অনেক যত্ন এবং সময় নিয়ে কাজটি করেছি। বাপ্পা দা মনের মতো করে গানটির সুর ও সঙ্গীতায়োজন  করেছেন। গানটি দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগলেই আমার ভালো শ্রম স্বার্থক হবে।’

‘হৈমন্তী ভালো গায়। এই গানটিতে দর্শক-শ্রোতারা তার প্রমাণ পাবেন।’ হৈমন্তীকে শুভ কামনা জানিয়ে বলেন বাপ্পা মজুমদার।

ধ্রুব মিউজিক স্টেশন  জানায়, ১৩ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার তাদের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে ‘ভাঙামন’ গানের ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে ডিএমএস ওয়েব সাইট , জিপি মিউজিক এবং বাংলালিংক ভাইবে।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কাঙ্গালিনী সুফিয়ার পাশে প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

মিউজিক

কাঙ্গালিনী সুফিয়া

  অনিন্দ্য মামুন

গুরুতর অসুস্থ প্রখ্যাত ফোক সঙ্গীতশিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া। গেল সপ্তাহে অসুস্থাবস্থায় সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানে ডা. রিয়াজ উদ্দিনের অধীনে চিকিৎসা চলছিলো বলে সমকাল অনলাইনকে জানান কাঙ্গালিনী সুফিয়ার মেয়ে পুষ্প। আজ মঙ্গলবার পুষ্প  জানালেন নতুন খবর। 

হাসপাতালের বেডে কাঙ্গালিনী সুফিয়া

অসুস্থ কাঙ্গালিনী সুফিয়াকে সাভারের এনাম মেডিকেল থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর সমকাল অনলাইনে ‘অসুস্থ কাঙ্গালিনী সুফিয়া, পাশে নেই কেউ’  এই শিরোনামে খবর প্রকাশ করা হয়।

আজ পুষ্প নিজেই জানালেন, সোমবার ভোরে সাভার থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়। আর এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরফ থেকে। 

সমকাল অনলাইনকে পুষ্প বলেন, ‘সোমবার ফজরের আজানের পর আমাদের এনাম মেডিকেল হাসপাতালে কিছু মানুষ আসেন । তারা সঙ্গে করে অ্যাম্বুলেন্সও নিয়ে আসেন। তারা আমাদের রেডি হতে বলে। তারা অ্যাম্বুলেন্সে করেই আমাদের বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসেন। তখনও জানিনা তারা আসলে কারা। পরে বলেন প্রধানমন্ত্রীর লোক তারা।মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন নিয়েছেন। এখন থেকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলেই মায়ের চিকিৎসা চলবে বলে জানিয়েছেন তারা’

গেল মঙ্গলবারও সাভারে নিজ বাড়িতে সুস্থই ছিলেন কাঙ্গালিনী সুফিয়া। কিন্তু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হলে দ্রুত এনাম মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সুফিয়ার মেয়ে পুষ্পই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তখন প্রাথমিক পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান, ব্রেইন স্ট্রোক করেছেন সুফিয়া। এমনকি হার্টে ও কিডনীতেও মেজর সমস্যা রয়েছে বলেও প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

৯ ডিসেম্বর সমকাল অনলাইনে প্রকাশিত খবরে কাঙ্গালিনী সুফিয়ার মেয়ে পুষ্প বলেছিলেন,' আমার মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি। কারণ ডাক্তাররা তার অবস্থা ভালো নয় বলে জানিয়েছেন। এদিকে আমাদের আর্থিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। আমার নিজের টাকা দিয়েই মাকে চিকিৎসা করাচ্ছি। জানিনা কতদিন করাতে পারবো।’

বাংলা বাউল গানের জনপ্রিয় শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া। মাত্র  মাত্র ১৪ বছর বয়সে গ্রাম্য একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়ে শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান। বিটিভির তালিকাভূক্ত শিল্পী তিনি। গান গেয়ে ৪০টির মতো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। ‘কোনবা পথে নিতাইগঞ্জে যাই’, ‘পরাণের বান্ধব রে’, ‘বুড়ি হইলাম তোর কারণে’, ‘নারীর কাছে কেউ যায় না’ এবং ‘আমার ভাঁটি গাঙের নাইয়া’ গানগুলো তার কণ্ঠে জনপ্রিয়তা পায়। 

সংশ্লিষ্ট খবর