মিউজিক

প্রশংসায় ভাসছেন জুনিয়র আইয়ুব

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৮

প্রশংসায় ভাসছেন জুনিয়র আইয়ুব

মঞ্চে বাবার মতোই গাইছিলেন আহনাফ তাজোয়ার আইয়ুব

  অনলাইন ডেস্ক

বুধবার আইয়ুব বাচ্চুবিহীন এলআরবি গাইলো চট্টগ্রামের একটি কনসার্টে। এ কনসার্টেই বাবার গিটারে সুর তুলে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করলেন ছেলে জুনিয়র আইয়ুব। চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে  শেকড়ের সন্ধান  মেগা কনসার্ট তার গানে বাবা কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকেই আবার মিস করলেন সবাই।

দল নেতা নেই বলে মনও ভালো নেই এলআরবির কোন সদস্যের।এ সময় উপস্থিত সব শ্রোতাদের অনুরোধে গান ধরেন আইয়ুব বাচ্চুর ছেলে আহনাফ তাজোয়ার আইয়ুব। মঞ্চে উঠে তিনি  কণ্ঠে বলেন, ‘আমি গান গাইবো আমার সঙ্গে আপনারা সবাই এমনভাবে উচ্চস্বরে গাইবেন, যেন আমার বাবা উপর থেকে শুনতে পারে। আপনাদের কাছ থেকে শুধু আমার বাবার জন্য দোয়া চাই।’ পরে বাবার গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘সেই তুমি অচেনা হলে’ মঞ্চে গান জুনিয়র আইয়ুব। তার সঙ্গে কণ্ঠ মেলান ‍উপস্থিত সব দর্শক।  তখন উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। 

জুনিয়র আইয়ুব বাচ্চুর সেই গানই ছড়িয়ে পড়েছে সোস্যাল মাধ্যমে। একটু চেষ্টা করলে যে বাবার মতোই গিটার হাতে মঞ্চ কাপাতে পারবেন আহনাফ সেটাই উঠে আসছে সোস্যাল মাধ্যমের মন্তব্যের ঘরে।  

এতোদিন  আইয়ুব বাচ্চুর এলআরবির হাল কে ধরেবেন নিয়ে চিন্তায় ছিলেন ভক্তরা। মঞ্চে আহনাফের গান শুনার পর তাদের মনেও এসেছে কিছুটা স্বস্তি। ভক্তরা যেন কিংবদন্তি গায়ক আইয়ুব বাচ্চুর যোগ্য উত্তরসূরী পেয়েই গেছেন। 

তবে এখনই এলআরবিতে আসছেন না আহনাফ। কানাডায় পরিসংখ্যান নিয়ে পড়ছেন তিনি। লেখাপড়া শেষ করার পরই চাইলে এলআররিবর হাল ধরার অপশন রয়েছে আহনাফের। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কলকাতায় একই উৎসবে আঁখি, অনিমা ও নীশিতা


আরও খবর

মিউজিক

কলকাতায় একই উৎসবে গান গেয়েছেন স্বপ্নীল সজিব, আঁখি আলমগীর,অনিমা রায় ও নীশিতা বড়ুয়া

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতার তালতলা মাঠের যোধপুর পার্কের একটি উৎসবে গান পরিবেশ করলেন বাংলাদেশর আঁখি আলমগীর, অনিমা রায় ও নীশিতা বড়ুয়া ও স্বপ্নীল সজিব। যোধপুর পার্ক উৎসব ২০১৯’ শিরোনামরে এ ‘উৎসব গত ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ দিবস’ নামে একটি আয়োজন। এতেই সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশের  এ চার শিল্পী। 

মঞ্চে গাইছেন আঁখি আলমগীর

‘বাংলাদেশ দিবস’ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ কর্মকর্তা কবি রবিউল হুসাইন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘উৎসব ২০১৯’-এর চেয়ারম্যান শ্রী শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।

গান গাইবার পূর্বে নিজেদের গান দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার জন্য তাদেরকে অনুষ্ঠানে সংবর্ধনাও দেয়া হয়। যা দেশের বাইরে এ শিল্পীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা বলেই জানান তারা। 

আঁখি আলমগীর বলেন, সঙ্গীত পরিবেশনের পাশাপাশি আমাদেরকে উৎসব কমিটি যে সম্মান দিয়েছে, তা শিল্পী হিসেবে অনেক বড় প্রাপ্তি। গত বছর একইমে আইয়ূব বাচ্চু ও আঁখি আলমগীর সঙ্গীত পরিবেশন করেছিলেন।’

এই অনুষ্ঠানে আঁখি আলমগীর নিজের গানগুলো টানা এক ঘণ্টারও বেশি সময় গান বলে জানান।  পর একেবারে শেষ পর্যায়ে আইয়ূব বাচ্চুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আঁখি আলমগীর গেয়ে উঠেন ‘সেই তুমি কেন এতো অচেনা হলে’।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আমি রাস্তা থেকে উঠে আসা শিল্পী, আমাকে সাহায্যের কেউ নেই: আকবর


আরও খবর

মিউজিক

একজন সাধারণ রিকশা চালক থেকে শিল্পী হয়ে উঠেন আকবর

  বিনোদন প্রতিবেদক

রিকশা চালক থেকে গায়ক হয়ে আলোচিত সেই আকবরের কথা মনে আছে? হানিফ সংকেতের ইত্যাদির মাধ্যমে যার আবিস্কার। কিশোর কুমারের গাওয়া ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে’ গানটি ইত্যাদির মঞ্চে গেয়ে ১৫ বছর আগে মন জয় করেছিলেন শ্রোতাদের। এরপরই রাতারাতি পরিবর্তন আসে তার জীবনে। হয়ে উঠেন তারকা। সেই আকবরই এখন অসুস্থ হয়ে বিছানায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। 

পেশায় রিকশাচালক থেকে গায়ক হওয়ার পর ‘তোমার হাত পাখার বাতাসে’ গানটি প্রকাশ হয় তার। এ গানটিও জনপ্রিয়তা পায় শ্রোতামহলে। হঠাৎ করেই কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন এ গায়ক। ডায়াবেটিসও দেখা দেয়। হুট করেই তাই থমকে যায় তার চলার গতি। কারণ সংসারে সেই অর্থ উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি। জীবনের এ কঠিন সময়েও তাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তার আবিষ্কারক হানিফ সংকেত।

অসুস্থ শিল্পী আকবর

হানিফ সংকেতের সহায়তায় শুরু হয় তার চিকিৎসা। কিছুটা সুস্থও হন। কিন্তু ছন্দ পতনের জীবনে নতুন করে ছন্দ ফিরে পাওয়ার আগেই আক্রমণ করে বসে পুরনো অসুখ। 

বর্তমানে মিরপুর ১৩ নম্বরে ভাড়া বাড়িতে বিছানায় শুয়েই দিন কাটছে তার। ঠিকমতো চলাফেরা করতেও কষ্ট হচ্ছে তার। তাই আর গান গাওয়া হচ্ছেনা  শিল্পীর। 

আজ সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা হয় তার। আকবর বলেন, একবারে ঘরে পড়ে গেছি। কিছুই করতে পারছি না। যা সঞ্চয় ছিল সবই অসুখের পিছনে শেষ করেছি। কয়েক দফায় হানিফ সংকেত স্যার সাহায্য করেছেন। তার টাকা দিয়েই চিকিৎসা চালিয়েছি। তিনি তো আমার জন্য অনেক করলেন, আর কত করবেন? তবুও এখনও তিনি আমার পাশে রয়েছেন। সাহায্য করছেন। তার মতো মানুষ হয়না।  

আকবর আরও বলেন, ‘ নানা ধরনের অসুখ শরীরে। কিডনিতে বড় ধরনের ঝামেলা হয়েছে। রক্তেও রয়েছে ইনফেকশন। আগে থেকেই ডায়াবেটিস। এখন শরীর নাড়াতে পারছি না। ব্যাথায় কুকড়ে উঠছি।  এখন সংসারের করুণ দশা। স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যাকে নিয়ে কোনোমতে দিন পার করছি। আমি তো রাস্তা থেকে উঠে আসা গায়ক। আমার বড় কোনো আত্মীয় স্বজনও নেই। আমার বড় আত্মীয় বলতে এক হানিফ সংকেত স্যারই। কে আমার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। আমি তো বড় কোন শিল্পীও নই যে সকারের কাছে সাহায্যের জন্য যাবে।’

তবে এই মুহুর্তে কোন সাহায্য না পেলে নিজে মরবেন অসুখে। আর  স্ত্রী-সন্তান মরবেন না খেয়ে এমন মন্তব্যই করেন আকবর। 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নিন্দুকের মুখে ছাই


আরও খবর

মিউজিক
নিন্দুকের মুখে ছাই

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ন্যান্সি ও তার স্বামী নাজিমুজ্জামান জায়েদ

  বিনোদন প্রতিবেদক

আলাদা থাকছেন কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ও তার স্বামী  নাজিমুজ্জামান জায়েদ। বছরের শুরুতে এমন খবরে গরম ছিলো শোবিজ অঙ্গন। তাদের আলাদা থাকার খবর সাংবাদিকদের নিজেই জানিয়েছিলেন ন্যান্সি। এমন খবর ন্যান্সি ভক্তদের খুব একটা ভালো লাগেনি। লাগার কথাও না। প্রিয় শিল্পী সুখে থাকুন এমনটিই চাইছিলেন তারা। 

এবার নতুন খবর দিলেন জনপ্রিয় এ গায়িকা। সমকাল অনলাইনকে জানালেন দুই মাস আলাদা থাকার পর অবশেষে সব দ্বিধা-দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে স্বামী-স্ত্রীর। মিলনের সুর বেজেছে তাদের মধ্যে। দুই মেয়ে রোদেলা, নায়লা আর স্বামী জায়েদকে নিয়ে আবার এক ছাদের নিচে থাকা শুরু করেছেন।

  সন্তানদের নিয়ে ন্যান্সি ও  নাজিমুজ্জামান জায়েদ দম্পতি

সম্প্রতি  জায়েদের সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে ন্যান্সি লিখেছেন, ‘নিন্দুকের মুখে ছাই।’ ’সংসার টিকিয়ে রাখার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ন্যান্সির সেই পোস্টে সেই পোস্টের নিচে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছেন ন্যান্সির শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

ন্যান্সি  সমকাল অনলাইনকে বললেন, ‘সংসার জীবনেই কমবেশি ভুল বোঝাবুঝি হয়। এটা সব সংসারেই হয়ে থাকে। আমাদেরও হয়েছিলো। তবে সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার মতো কিছুই হয়নি আমাদের মধ্যে। অভিমান করে আলাদা থেকেছি আমরা। তবে সেটা সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার কিছুই ছিলো না।  আমাদের বন্ধুত্ব অটুট ছিলো আছে। আমাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগও হতো। দূরে থাকলেও আমাদের দুজনের মধ্যে মনের দূরত্ব হয়নি। আমরা অনুভব করেছি, আমরা একে অপরকে অনেক ভালোবাসি। সত্যি বলতে কি, মানুষ হিসেবে জায়েদ একটু বেশিই ভালো। তার সঙ্গে আমি প্রায়ই রূঢ় আচরণ করি। কিন্তু সে চুপ থাকে। কখনোই আমার সঙ্গে রাগ করে না। এজন্য আমি আরও বেশি রেগে যাই। অভিমানও হয় তার ওপর। অবশেষে সব রাগ-অভিমান ভুলে এক হয়েছি আমরা। সবাই দোয়া করবেন, আমরা যেন ভালো থাকি।’


সংশ্লিষ্ট খবর