জীবনশৈলী

হজমশক্তি বাড়ায় যেসব মসলা

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০১৯

হজমশক্তি বাড়ায় যেসব মসলা

  অনলাইন ডেস্ক

আধুনিক জীবনযাপন পদ্ধতি, খাদ্যাভাস এবং নিজের প্রতি অমনোযোগের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের হজমপদ্ধতি ব্যাহত হচ্ছে। দুর্বল হজমপ্রক্রিয়ার কারণে শরীরে অস্বস্তি হয়, ওজন বাড়ে। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ আছে যা হজমপ্রক্রিয়া ঠিক করতে সাহায্য করে।তবে এগুলোতে অনেক সময় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রান্নার কাজে ব্যবহৃত কিছু প্রাকৃতিক মসলা আছে যেগুলো হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে সাহায্য করে।অনেক গবেষণায় এর সত্যতাও পাওয়া গেছে। যেসব মসলা হজম উন্নত করে-

আদা : আদা এমন একটি মসলা যা পেট ব্যথার নানা সমস্যা কমাতে সাহায্য করে, বদহজম দূর করে, বমি বমি ভাব কমায়। গবেষণা বলছে, গ্যাস্ট্রিকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা কমাতে আদা দারুণ কার্যকরী। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা অনুযায়ী, প্রতি বেলায় খাবারের আগে যদি এক টুকরা আদা, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ দিয়ে চিবিয়ে খাওয়া যায় তাহলে তা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। 

গোল মরিচ : গোল মরিচ এমন একটি মসলা যা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। এটা প্রাকৃতিকভাবে খাদ্য শোষণ করতে ভূমিকা রাখে। গোল মরিচ হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। এতে হজমশক্তি উন্নত হয়। 

লবঙ্গ : ইউজিনল নামের এক ধরনের উপাদান থাকায় লবঙ্গ বদহজম, পেট ফাঁপা ইত্যাদি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।এটি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাও কমে। 

দারুচিনি : এই মসলাটিও হজম পদ্ধতি উন্নত করতে ভূমিকা রাখে। এটি খেলে বমি বমি ভাব, পেটে জমে থাকা গ্যাস দূর হয়। সেই সঙ্গে হজমশক্তিও বাড়ে।  সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

প্রতিদিন ২টি করে খেজুর খেলে যা হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

খেজুর আকারে ছোট হলেও এর গুণের শেষ নেই। এর নানারকম পুষ্টি গুণ রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে দিনের চাহিদার শতকরা ২০ ভাগ পটাশিয়াম, ৭ গ্রাম ফাইবার, ২ গ্রাম প্রোটিন এবং নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এছাড়া খেজুরে পরিমিত পরিমাণে কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন পাওয়া যায়। 

প্রতিদিন ২ টি করে খেজুর খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়-

১.  খেজুরে ফাইবার থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।

২. খেজুর মিষ্টি ফল হলেও এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায় না। কারণ এতে থাকা ফাইবার খাবার ধীরে ধীরে হজম হতে সাহায্য করে।

৩. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ফ্রি রেডিকেলের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

৪. খেজুর খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, উৎকণ্ঠা কম হয়। 

৫. নিয়মিত খেজুর খেলে হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে রক্তপ্রবাহে গতির সঞ্চার হয়।

৬. এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে। সূত্র : হিউম্যান এণ্ড রিসার্স 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক সজনে


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

সজনে গ্রীষ্মকালীন একটি সবজি। স্বাদের কারণে অনেকেই এটি পছন্দ করেন। সজনের বীজ, পাতা, ফুল, ডাটা সবই স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। সজনে খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. সজনে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।এছাড়া এটি মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা উন্নত করে।

২. সজনেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি যেমন-নিয়াসিন, রিভোফ্লাবিন এবং ভিটামিন বি ১২ আছে যা হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে। এতে থাকা ভিটামিন বি খাবার ভাঙতে সহায়তা করে এবং সেগুলো সহজে হজম হতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া সজনেতে থাকা ডিয়াটেরী ফাইবারও হজমপদ্ধতি ঠিক রাখে।

৩. ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের ভাল উৎস হওয়ায় সজনে হাড় গঠনে সাহায্য করে। এছাড়া হাড়ের ক্ষয় এবং শরীরের শক্তি বাড়াতেও এটি বেশ কার্যকরী।

৪. অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান থাকায় রক্ত পরিশোধনে সহায়তা করে সজনে। নিয়মিত সজনে খেলে রক্ত সরবরাহ ভাল হয়। 

৫. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান এবং পরিমিত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় সজনে অ্যালার্জি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। সেই সঙ্গে যেকোন ধরনের সংক্রমণ সারাতেও এটি বেশ কার্যকর। 

৬. সজনেতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এটি ঠাণ্ডা-কাশি রোধে ভূমিকা রাখে। সূত্র : এনডিটিভি  

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ওজন কমাতে কলা


আরও খবর

জীবনশৈলী
ওজন কমাতে কলা

প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

কলা দারুণ সুস্বাদু একটি ফল। তবে মুটিয়ে যাওয়া বা ব্লাড-সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই কলা খান না। এবার সময় এসেছে ভয়কে দূরে ঠেলার। কারণ, গবেষণা বলছে, কলাতেই রয়েছে সুগার আর ওজন নিয়ন্ত্রণের যাদুমন্ত্র। এখানেই শেষ নয়, কোলন ক্যান্সার, হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় কলা।

গবেষকরা বলছেন, কলার প্রতিটা কামড়ে রয়েছে ম্যাজিক। খাদ্যগুণে যে কোনো দামি ফলকে অনেক পেছনে ফেলবে কলা। ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই ফলে ফ্যাট নেই বললেই চলে। কাঁচা কলা সমৃদ্ধ পেকটিন আর রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার পর কলা খেলে ব্লাড-সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে। কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

গবেষকদের মতে, দিনে ১৫-৩০ গ্রাম রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ৩৩-৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। পেকটিন কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কলায় থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে।

অনেকই ভাবেন, কলা খেলেই বেড়ে যাবে ওজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা মোটেই ঠিক নয়। কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ফাইবার সমৃদ্ধ কলা ওজন কমাতে সহায়ক হয় বলেই দাবি। কলা ভরপুর পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামে।

গবেষণায় প্রমাণিত, পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ডায়েট হৃদরোগের ঝুঁকি ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমায়। যে নারীরা সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার কলা খান, তাদের কিডনির অসুখ হওয়ার হার ৩৩ শতাংশ কম। এছাড়া ব্যায়ামের পর পেশীর ক্লান্তি এক ঝটকায় কমিয়ে দেয় কলায়। সুন্দর ত্বক পেতেও কলার জুড়ি মেলা ভার। সূত্র: হেলথলাইন

সংশ্লিষ্ট খবর