জীবনশৈলী

ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক ঠিক করতে যা করণীয়

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০১৯

ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক ঠিক করতে যা করণীয়

  অনলাইন ডেস্ক

সঙ্গী যদি বিশ্বাস ভঙ্গ করে তাতে কি পরিমাণ কষ্ট হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানে। কারণ যেকোন সম্পর্কের  ক্ষেত্রে বিশ্বাসই প্রধান ভিত্তি। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে সঙ্গী যদি একবার বিশ্বাস ভঙ্গ করে তাহলে কি সম্পর্ক আবার জোড়া লাগানো যায়? উত্তরটা হচ্ছে, কোন কিছুই অসম্ভব নয়।যদি আপনি চান তাহলে  যেকোন সম্পর্কই আবার জোড়া লাগানো যেতে পারে।যেমন-

১. যদি আপনার সঙ্গী নিজের ভুল স্বীকার করে তাহলে তার সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন।তাকে জানান তার ব্যবহারে আপনি কতটা কষ্ট পেয়েছেন বা কি পরিমাণ কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। সঙ্গী কেন আপনার সঙ্গে এমন করেছে তা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলুন। 

২. কেউ বিশ্বাস ভঙ্গ করলে তাকে ক্ষমা করা খুবই কঠিন কাজ। কিন্তু একমাত্র ক্ষমাই পারে সম্পর্ক আবারও সহজ করতে। সঙ্গীকে ক্ষমা করুন এবং তার নিজেকে ক্ষমা করার সুযোগ দিন। ক্ষমা করা মানেই হচ্ছে তাকে গ্রহণ করার মানসিকতা।ক্ষমা করতে না পারলে আপনাদের মাঝে একটা দেওয়াল তৈরি হবে যা ভেঙে আপনারা কখনোই সামনে এগুতে পারবেন না।

৩. সঙ্গীকে জানান আপনাদের সম্পর্ক থেকে আপনি কি চান। সঙ্গীকে বলুন কিভাবে আপনার বিশ্বাস নষ্ট হয়েছে তার প্রতি ।নতুন করে সম্পর্ক গড়তে আর কি চান সেটাও তাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিন।

৪. কখনও কখনও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির সাহায্য লাগে।তবে এই তৃতীয় ব্যক্তি যাতে নিরপেক্ষ হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি কোনও পেশাদার কাউন্সিলারের সঙ্গে কথা বলেন। সঙ্গী আপনাকে কতটা কষ্ট দিয়েছে তা কাউন্সিলারের সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এতে আপনরা মন অনেকটাই হালকা হয়ে যাবে। 

৫. মনে রাখবেন সম্পর্ক একবার ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগানো বেশ কঠিন যদি আপনার আবেগগুলো বের করে না দেন। নিজের সঙ্গে নিজে বোঝাপড়া করুন। নিজেকে বা সঙ্গীকে দোষারোপ না করে নিজের মনে আসা প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন। 

৬. নতুন করে সম্পর্ক গড়ার জন্য দুপক্ষের আচরণই গুরুত্বপূর্ণ। দুজনের মধ্যে যদি ভালোবাসা থাকে থাকলে ভুল বোঝাবুঝিটা যে কারণেই হোক তা একসময ঠিক হয়ে যাবে। এজন্য দুজনকেই এগিয়ে আসতে হবে। অতীত ভুলে একই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সে ব্যাপারে নিজেদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া   

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

প্রতিদিন ২টি করে খেজুর খেলে যা হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

খেজুর আকারে ছোট হলেও এর গুণের শেষ নেই। এর নানারকম পুষ্টি গুণ রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে দিনের চাহিদার শতকরা ২০ ভাগ পটাশিয়াম, ৭ গ্রাম ফাইবার, ২ গ্রাম প্রোটিন এবং নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এছাড়া খেজুরে পরিমিত পরিমাণে কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন পাওয়া যায়। 

প্রতিদিন ২ টি করে খেজুর খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়-

১.  খেজুরে ফাইবার থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।

২. খেজুর মিষ্টি ফল হলেও এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায় না। কারণ এতে থাকা ফাইবার খাবার ধীরে ধীরে হজম হতে সাহায্য করে।

৩. খেজুরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ফ্রি রেডিকেলের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

৪. খেজুর খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, উৎকণ্ঠা কম হয়। 

৫. নিয়মিত খেজুর খেলে হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে রক্তপ্রবাহে গতির সঞ্চার হয়।

৬. এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে। সূত্র : হিউম্যান এণ্ড রিসার্স 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক সজনে


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

সজনে গ্রীষ্মকালীন একটি সবজি। স্বাদের কারণে অনেকেই এটি পছন্দ করেন। সজনের বীজ, পাতা, ফুল, ডাটা সবই স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। সজনে খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. সজনে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।এছাড়া এটি মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা উন্নত করে।

২. সজনেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি যেমন-নিয়াসিন, রিভোফ্লাবিন এবং ভিটামিন বি ১২ আছে যা হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে। এতে থাকা ভিটামিন বি খাবার ভাঙতে সহায়তা করে এবং সেগুলো সহজে হজম হতে ভূমিকা রাখে। এছাড়া সজনেতে থাকা ডিয়াটেরী ফাইবারও হজমপদ্ধতি ঠিক রাখে।

৩. ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের ভাল উৎস হওয়ায় সজনে হাড় গঠনে সাহায্য করে। এছাড়া হাড়ের ক্ষয় এবং শরীরের শক্তি বাড়াতেও এটি বেশ কার্যকরী।

৪. অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান থাকায় রক্ত পরিশোধনে সহায়তা করে সজনে। নিয়মিত সজনে খেলে রক্ত সরবরাহ ভাল হয়। 

৫. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী উপাদান এবং পরিমিত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় সজনে অ্যালার্জি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। সেই সঙ্গে যেকোন ধরনের সংক্রমণ সারাতেও এটি বেশ কার্যকর। 

৬. সজনেতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এটি ঠাণ্ডা-কাশি রোধে ভূমিকা রাখে। সূত্র : এনডিটিভি  

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ওজন কমাতে কলা


আরও খবর

জীবনশৈলী
ওজন কমাতে কলা

প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

কলা দারুণ সুস্বাদু একটি ফল। তবে মুটিয়ে যাওয়া বা ব্লাড-সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই কলা খান না। এবার সময় এসেছে ভয়কে দূরে ঠেলার। কারণ, গবেষণা বলছে, কলাতেই রয়েছে সুগার আর ওজন নিয়ন্ত্রণের যাদুমন্ত্র। এখানেই শেষ নয়, কোলন ক্যান্সার, হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় কলা।

গবেষকরা বলছেন, কলার প্রতিটা কামড়ে রয়েছে ম্যাজিক। খাদ্যগুণে যে কোনো দামি ফলকে অনেক পেছনে ফেলবে কলা। ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর এই ফলে ফ্যাট নেই বললেই চলে। কাঁচা কলা সমৃদ্ধ পেকটিন আর রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার পর কলা খেলে ব্লাড-সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে। কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

গবেষকদের মতে, দিনে ১৫-৩০ গ্রাম রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ৩৩-৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। পেকটিন কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কলায় থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে।

অনেকই ভাবেন, কলা খেলেই বেড়ে যাবে ওজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা মোটেই ঠিক নয়। কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ফাইবার সমৃদ্ধ কলা ওজন কমাতে সহায়ক হয় বলেই দাবি। কলা ভরপুর পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামে।

গবেষণায় প্রমাণিত, পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ডায়েট হৃদরোগের ঝুঁকি ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমায়। যে নারীরা সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার কলা খান, তাদের কিডনির অসুখ হওয়ার হার ৩৩ শতাংশ কম। এছাড়া ব্যায়ামের পর পেশীর ক্লান্তি এক ঝটকায় কমিয়ে দেয় কলায়। সুন্দর ত্বক পেতেও কলার জুড়ি মেলা ভার। সূত্র: হেলথলাইন

সংশ্লিষ্ট খবর