জীবনশৈলী

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর যত উপায়

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর যত উপায়

  অনলাইন ডেস্ক

উচ্চ রক্তচাপ পরিচিত সমস্যা। এটি সাধারণ সমস্যা হলেও কখনএ কখনও জীবনের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে থাকে মাথা ঘোরা এবং পেট ব্যথা। এই প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিলেই রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত। যখন রক্তচাপ দ্রুত এবং গুরুতরভাবে বেড়ে যায় তখন হৃদস্পন্দনের ক্ষতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্ট্রোক, চোখের ক্ষতি এবং কিডনি ফাংশন হ্রাসের মতো নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে, উচ্চ রক্তচাপের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে গুরুতর উদ্বেগ, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, গুরুতর মাথাব্যাথা এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা অন্যতম। উচ্চ রক্তচাপ বা রক্তচাপের মাত্রা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন। 

কিছু সহজ কিন্তু কার্যকরী জীবনধারা সংশোধনের মধ্য দিয়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। স্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং নিয়মিত ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চাবি। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব বিষয় মনে রাখা জরুরি-

ওজন কমানো: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ওজন কমানোর বিকল্প নেই। 

নিয়মিত ব্যায়াম করুন: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং, সাঁতার ও নাচের মতো অ্যারোবিক ব্যায়ামগুলি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

সুস্থ খাদ্য খান: খাদ্যে প্রচুর তাজা ফল এবং সবজি যোগ করুন। খাদ্যতালিকায় পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন কারণ এটি রক্তচাপের উপর সোডিয়ামের প্রভাবকে হ্রাস করতে সহায়তা করে। পটাসিয়ামে সমৃদ্ধ খাবারগুলোর মধ্যে নিয়মিত কলা, অ্যাভোকাডো, পালং শাক, মাশরুম, শশা, ব্রকলি, কমলালেবু,মিষ্টি আলু নিয়মিত খেতে পারেন।

ধূমপান বন্ধ করুন: ধূমপান শেষ করার পরেও বেশ কিছু মিনিট ধূমপান শরীরে রক্তচাপ বাড়ায়। শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রা পুনরুদ্ধার করতে ধূমপান ছাড়ুন।

ক্যাফইন বর্জন: ক্যাফেইন আপনার রক্তচাপের মাত্রা বাড়তে পারে।  রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার খাওয়া সীমিত করুন।

মানসিক চাপ কমান: মানসিক চাপ উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা বাড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ। মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন করুন।

সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

পিঁপড়ার কবল থেকে চিনি বাঁচাবেন যেভাবে


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

বাড়িতে যেখানেই চিনি রাখুন না কেন পিঁপড়া ধরে যায়। পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে কতজন কতভাবেই না চেষ্টা করেন। অনেকে পলিথিনের প্যাকেটে চিনি মুড়ে সেটি কোনও শক্ত ঢাকনাওয়ালা পাত্রে রাখেন। কেউ আবার পিঁপড়ার হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে পাত্রটা ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু তারপরও পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি মেলে না। এমন কয়েকটি উপায় আছে যেগুলি অনুসরণ করলে চিনির পাত্রে পিঁপড়া ধরবে না। যেমন-

১. চিনি বা খাবারের গন্ধ যেমন পিঁপড়াকে আকৃষ্ট করে, তেমনই কিছু গন্ধ এমনও রয়েছে যেগুলি পিঁপড়ারা মোটেই সহ্য করতে পারে না। তেমনিই একটা জিনিস হচ্ছে লেবুর খোসা। এক টুকরা লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

২. চিনির পাত্রে একটি তেজ পাতা রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর পাতাটি বদলে দিন। তেজ পাতার গন্ধ পিঁপড়া মোটেও সহ্য করতে পারে না।

৩. দারুচিনির গন্ধও পিঁপড়ারা সহ্য করতে পারে না। তাই মাঝারি মাপের দুই একটা দারুচিনির টুকরা চিনির পাত্রে রেখে দিন।এতেও পিঁপড়া দূর হবে।

৪. চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর এটি বদলে ফেলুন।লবঙ্গের গন্ধ পেলে পিঁপড়ারা চিনির পাত্রের কাছে আসবে না। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পাকা চুল তুললে যা হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী
পাকা চুল তুললে যা হয়

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

আজকাল চুল পাকার কোনও বয়স নেই।অল্প বয়সেও চুল পাকা দেখা যায়। সাধারণত মাথার চামড়ায় (ত্বকে) পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের অভাবে চুল পাকতে পারে। এছাড়া হজমের সমস্যা বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অকালে চুল পেকে যায়।

অল্প বয়সে চুল পাকার ফলে অনেকেই অস্বস্তিতে বোধ করেন।  তখন নিজের পাকা চুল বেছে তুলতে শুরু করেন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে বেছে বেছে পাকা চুল তুললে চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। তখন নতুন চুল গজালে তা আগের তুলনায় রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন চুল না-ও গজাতে পারে। 

এ কারণে অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে সেই অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে পাকা চুল না তোলার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, পাকা চুলের অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়ার চেষ্টায় উল্টে মাথায় টাক পড়ে যাওয়াটা মোটেই কাঙ্খিত নয়। বরং চুল পাকা প্রতিরোধে একাধিক প্রাকৃতিক উপায় অনুসরণ করতে পারেন।

সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে যেসব ক্ষতি হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনে মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। কথা বলা ছাড়াও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো, ছবি তোলা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেকেই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটান মোবাইলে। 

মোবাইলটা কারও কারও কাছে আসক্তির পর্যায়ে চলে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ আসক্তির কারণে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন-

১. অনবরত মেসেজ পড়া, ই-মেইল দেখা এবং মোবাইলের ছোট স্ত্রিনে ব্রাউজ করলে চোখের পেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে দৃষ্টিতে সমস্যা দেখা দেয়। 

২. যেহেতু এখন বেশিরভাগ ফোনই আঙুলের স্পর্শের মাধ্যমে চালানো হয় এ কারণে বেশিক্ষন মোবাইল চালালে আঙুল ও কবজিতে ব্যথা দেখা দেয়।অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে ঘাড়-মাথা ব্যথা হতে পারে। দীর্ঘসময় কথা বললে কানেও সমস্যা দেখা দেয়।

৩. গবেষণায় দেখা গেছে, টয়লেট সিটের চেয়েও বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে মোবাইল ফোনে।অন্য কেউ আপনার মোবাইল ব্যবহার করলে তার থেকেও জীবাণূ ছড়াতে পারে। তখন শরীরে সংক্রমণও দেখা দিতে পারে।

৪. গোটা বিশ্বে লাখো মানুষ এখন হতাশায় ভূগছেন। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বেশিরভাগ মানসিক রোগই হচ্ছে চাপ থেকে। আর এই চাপের অন্যতম কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।   সূত্র : হেলদি বিল্ডার্জড  

সংশ্লিষ্ট খবর