জীবনশৈলী

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে যেসব অভ্যাসে

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে যেসব অভ্যাসে

  অনলাইন ডেস্ক

কোষ্টকাঠিন্য পরিচিত একটি সমস্যা । অনেকেই সারা বছর এ সমস্যায় ভোগেন। একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানে এই সমস্যার তীব্রতা। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় সময় মতো ব্যবস্থা না নিলে অনেক সময় তা কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব কারণে সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে-

১. পানি কম খেলে

২. ফাইবার বা আঁশজাতীয় খাবার, শাকসবজি ও ফলমূল কম খেলে

৩. দুগ্ধজাত খাবার বিশেষ করে ছানা, পনির ইত্যাদি খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়াতে পারে।

৪. শারীরিক পরিশ্রম, হাঁটাহাঁটি কিংবা একদমই ব্যায়াম না করলে কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।

৫. অত্যাধিক দুশ্চিন্তা বা অবসাদের কারণেও কোষ্টকাঠিন্য হতে পারে

৬. অনিদ্রা হলে কোষ্টকাঠিন্য বাড়ে 

৭. কিছু কিছু অসুখজনিত কারণেও কোষ্টকাঠিন্য হয়। 

৮. এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও কখনও কখনও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

ঘরোয়া বেশ কয়েকটি উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দীর্ঘস্থায়ী উপকার পাওয়া সম্ভব। এর মধ্যে লেবুর রস, মধু, আঙ্গুরের রস, পালং শাক ইত্যাদি নিয়মিত খেলে হজম শক্তি যেমন বাড়ে তেমনি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয়। সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

পিঁপড়ার কবল থেকে চিনি বাঁচাবেন যেভাবে


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

বাড়িতে যেখানেই চিনি রাখুন না কেন পিঁপড়া ধরে যায়। পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে কতজন কতভাবেই না চেষ্টা করেন। অনেকে পলিথিনের প্যাকেটে চিনি মুড়ে সেটি কোনও শক্ত ঢাকনাওয়ালা পাত্রে রাখেন। কেউ আবার পিঁপড়ার হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে পাত্রটা ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু তারপরও পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি মেলে না। এমন কয়েকটি উপায় আছে যেগুলি অনুসরণ করলে চিনির পাত্রে পিঁপড়া ধরবে না। যেমন-

১. চিনি বা খাবারের গন্ধ যেমন পিঁপড়াকে আকৃষ্ট করে, তেমনই কিছু গন্ধ এমনও রয়েছে যেগুলি পিঁপড়ারা মোটেই সহ্য করতে পারে না। তেমনিই একটা জিনিস হচ্ছে লেবুর খোসা। এক টুকরা লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

২. চিনির পাত্রে একটি তেজ পাতা রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর পাতাটি বদলে দিন। তেজ পাতার গন্ধ পিঁপড়া মোটেও সহ্য করতে পারে না।

৩. দারুচিনির গন্ধও পিঁপড়ারা সহ্য করতে পারে না। তাই মাঝারি মাপের দুই একটা দারুচিনির টুকরা চিনির পাত্রে রেখে দিন।এতেও পিঁপড়া দূর হবে।

৪. চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর এটি বদলে ফেলুন।লবঙ্গের গন্ধ পেলে পিঁপড়ারা চিনির পাত্রের কাছে আসবে না। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পাকা চুল তুললে যা হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী
পাকা চুল তুললে যা হয়

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

আজকাল চুল পাকার কোনও বয়স নেই।অল্প বয়সেও চুল পাকা দেখা যায়। সাধারণত মাথার চামড়ায় (ত্বকে) পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের অভাবে চুল পাকতে পারে। এছাড়া হজমের সমস্যা বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অকালে চুল পেকে যায়।

অল্প বয়সে চুল পাকার ফলে অনেকেই অস্বস্তিতে বোধ করেন।  তখন নিজের পাকা চুল বেছে তুলতে শুরু করেন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে বেছে বেছে পাকা চুল তুললে চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। তখন নতুন চুল গজালে তা আগের তুলনায় রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন চুল না-ও গজাতে পারে। 

এ কারণে অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে সেই অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে পাকা চুল না তোলার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, পাকা চুলের অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়ার চেষ্টায় উল্টে মাথায় টাক পড়ে যাওয়াটা মোটেই কাঙ্খিত নয়। বরং চুল পাকা প্রতিরোধে একাধিক প্রাকৃতিক উপায় অনুসরণ করতে পারেন।

সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে যেসব ক্ষতি হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনে মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। কথা বলা ছাড়াও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো, ছবি তোলা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেকেই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটান মোবাইলে। 

মোবাইলটা কারও কারও কাছে আসক্তির পর্যায়ে চলে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ আসক্তির কারণে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন-

১. অনবরত মেসেজ পড়া, ই-মেইল দেখা এবং মোবাইলের ছোট স্ত্রিনে ব্রাউজ করলে চোখের পেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে দৃষ্টিতে সমস্যা দেখা দেয়। 

২. যেহেতু এখন বেশিরভাগ ফোনই আঙুলের স্পর্শের মাধ্যমে চালানো হয় এ কারণে বেশিক্ষন মোবাইল চালালে আঙুল ও কবজিতে ব্যথা দেখা দেয়।অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে ঘাড়-মাথা ব্যথা হতে পারে। দীর্ঘসময় কথা বললে কানেও সমস্যা দেখা দেয়।

৩. গবেষণায় দেখা গেছে, টয়লেট সিটের চেয়েও বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে মোবাইল ফোনে।অন্য কেউ আপনার মোবাইল ব্যবহার করলে তার থেকেও জীবাণূ ছড়াতে পারে। তখন শরীরে সংক্রমণও দেখা দিতে পারে।

৪. গোটা বিশ্বে লাখো মানুষ এখন হতাশায় ভূগছেন। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বেশিরভাগ মানসিক রোগই হচ্ছে চাপ থেকে। আর এই চাপের অন্যতম কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।   সূত্র : হেলদি বিল্ডার্জড  

সংশ্লিষ্ট খবর