জীবনশৈলী

গ্যাষ্ট্রিকের সমস্যা কমবে ঘরোয়া সমাধানে

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

গ্যাষ্ট্রিকের সমস্যা কমবে ঘরোয়া সমাধানে

  অনলাইন ডেস্ক

কমবেশি সবাই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভোগেন। পাকস্থলীতে গ্যাস জমার কারণে গলা-বুক জ্বলা, ঢেকুর ওঠা, পেট ফাঁপাসহ শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অনেকে দিনের পর দিন ওষুধ খান্ । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন একটানা ওষুধ খেলে নানা ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে জীবনধারায় সামান্য পরিবর্তন এবং খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার যোগ করলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। 

সাধারণত অনেকক্ষণ খালি পেটে খাকলে, অতিরিক্ত চা,কফি পান করলে, মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার বেশি খেলে, খাওয়ার অনিয়ম হলে, অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, অনিদ্রা ইত্যাদি কারণে পেটে গ্যাস হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সমাধানের চেষ্টা করতে পারেন। যেমন-

১. কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। যা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হিসাবে কাজ করে। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে গ্যাসের সম্ভাবনা কমে যাবে।

২. তুলসীপাতায় থাকা শীতলীকরণ এবং বায়ুনাশক উপাদান গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। গ্যাসের সমস্যা হলেই ৫-৬টি তুলসীপাতা চিবিয়ে খান। তাহলে আরাম পাবেন। 

৩. দারুচিনিতে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড হজমের উন্নতি ঘটায়। আধ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া এক কাপ পানিতে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা করে পান করুন। এটি অ্যাসিডিটি কমাতে ভূমিকা রাখবে।

৪. তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাসিড কমিয়ে স্বস্তি দিতে পারে মৌরি। খাওয়ার পর মৌরি চিবিয়ে খেলে এই উপকার পাওয়া যায়। 

৫. টক দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমা হওয়া প্রতিরোধ করে। এর সঙ্গে গোলমরিচ যোগ করলে আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৬. লবঙ্গ পাকস্থলীর গ্যাস উৎপাদন প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন দুটি করে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৭. এলাচ হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। এটি অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের সম্ভাবনা দূর করে। গ্যাসের তীব্র সমস্যা দেখা দিলে প্রতিদিন দুটি এলাচ গুঁড়া করে পানিতে ফুটিয়ে খান। তাহলে উপকার পাবেন। 

৮. আদা কুচি করে বিট লবণ দিয়ে খেলে গ্যাস রোধে অত্যন্ত ভাল ফল পাওয়া যায়। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খেতে পারেন আদা


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

আদা সর্দি-কাশি সারাতে দারুন কাজ করে এটা অনেকেরই জানা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদায় এমন সব ঔষধি গুণ রয়েছে যা একাধিক রোগ-ব্যাধি মোকাবেলায় সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম আদায় ৮০ ক্যালরি এনার্জি, ১৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৭৫ গ্রাম ফ্যাট, ৪১৫ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস রয়েছে। নিয়মিত আদা খেলে যেসব সমস্যা দুর করা যায়-

১. হজমের সমস্যা, বুক জ্বালা কিংবা গ্যাস কমানোর জন্য আদা অত্যন্ত কার্যকরী।

২. শরীরের নানা ধরনের ব্যথা নিরাময়ে আদা দারুনভাবে প্রভাব ফেলে। আদার রসে থাকা জিঞ্জেরল ব্যথার অসুখের মতোই কাজ করে। 

৩. মার্কিন গবেষকরা বলছেন, আর্থ্রাইটিস সমস্যা কমাতেও আদা কার্যকরী।  ৪. যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, ক্যানসারের কোষগুলির অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে আদার রস।

৪. মাইগ্রেনের সমস্যার নিরাময়েও আদা দারুনভাবে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টিহিস্টামাইন, অ্যান্টিনসিয়া উপাদান মাথা-ধরার অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেয়।

৫. ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও দারুন কার্যকরী আদা। এটি ক্যালরি পোড়াতে ভাল কাজ করে। তাছাড়া আদার রস কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে বিপাকক্রিয়া এবং ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে আদার বেশ ভূমিকা থাকে। 

৬. ঠান্ডা-গরমে খুসখুসে কাশি বা সর্দির সমস্যা দূর করতে আদার রস খুবই কার্যকরী। খুসখুসে কাশিতে গলার ভেতরের অস্বস্তি কমাতে আদার জুড়ি নেই।

৭. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াজনিত যে কোনও সংক্রমণ ঠেকাতে আদার রস খুবই কার্যকরী।

৮. বমি বমি ভাব কমাতে আদার কুচি মুখে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শীতে শিশুর গোসলে বাধা নেই


আরও খবর

জীবনশৈলী
শীতে শিশুর গোসলে বাধা নেই

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

  ডা. আবু সাঈদ শিমুল

ঠাণ্ডা মানেই শিশুদের নিয়ে বাড়তি শঙ্কা, এই বুঝি বাচ্চার সর্দি হলো। শিশুর গোসল নিয়ে তো শঙ্কা আরও বেশি। কারণ শীতে গোসল করালে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করেন অনেকেই। আসলে কিন্তু সরাসরি ঠাণ্ডার কারণে বাচ্চাদের সর্দি হয় না। যদি ঠাণ্ডাতেই সর্দি হতো, তবে তো শীতপ্রধান দেশের শিশুরা বেশিরভাগ সময় অসুস্থই থাকত।

মূলত ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ভাইরাসের কারণে বাচ্চাদের সর্দি-কাশি বেশি হয়। তাই শীতে ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার পাশাপাশি রোগ-জীবাণু থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। রোগ-জীবাণু বিশেষ করে ভাইরাস থেকে শিশুদের মুক্ত রাখার সহজ উপায় হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। আর পরিচ্ছন্ন রাখতে গেলে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শীতে সোনামণির নিয়মিত গোসলে কোনো বাঁধা নেই।

শীতে বাচ্চা গোসলের পানিটা কুসুম গরম হওয়া বাঞ্ছনীয়। গোসল করানোর আগেই অবশ্য দেখে নেওয়া উচিত পানি বেশি গরম হয়ে গেল কি-না। এই পানিতে এন্টিসেপ্টিক বা অন্য কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গোসলের পর সর্ষের তেল দেওয়ারও দরকার নেই। অবশ্য আগে তেল মাখলে ক্ষতি নেই। বাচ্চাদের গোসলে বেশি সময় নেওয়া উচিত নয়। পাঁচ থেকে সাত মিনিটেই এটি সম্পন্ন করতে হবে। বড় বাচ্চারা যখন বাথরুমে ঢোকে তখন বের হতেই চায় না। তারাও যেন বেশি সময় না নেয়, সেটি খেয়াল রাখুন।

শীতে শিশুদের প্রতিদিন গোসল করানো গেলেও যদি শৈত্যপ্রবাহের কারণে খুব বেশি ঠাণ্ডা পড়ে, তবে ওই ক'টা দিন ঘনঘন গোসল না করালেও চলে। এ সময় গোসল না করিয়ে পাতলা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে শরীরটা ভালোভাবে মুছে দিন।

সদ্যজাত শিশুর জন্মের প্রথম দু'দিন গোসল করানো উচিত নয়। এর পর থেকে গোসল করাতে পারেন। অন্যদিকে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিক্সের নির্দেশনা হলো, শিশুকে প্রথম বছরে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার গোসল করালেই চলে।

তবে প্রিমেচিউর বাচ্চা বা সময়ের বেশ আগেই যারা জন্ম নিয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এবং যাদের জন্মের সময় ওজন কম ছিল তাদের ক্ষেত্রে গোসলের ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বাচ্চা অসুস্থ থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


লেখক: কনসালট্যান্ট  শিশু বিভাগ  মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো আলাপ জরুরি


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

বিয়ে জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সামাজিক এ বন্ধনের মাধ্যমে দুইজন মানুষ বাকী জীবন একজন আরেকজনের সঙ্গী হয়ে থাকার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হন।

বিয়ে নিয়ে সবার কত ধরনের পরিকল্পনাই না থাকে।নিমন্ত্রণ, খাবার আয়োজন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বর-কনের পরিবারে থাকে নানা আয়োজন। তবে বিয়ে যেহেতু সারাজীবনের ব্যাপার তাই যার সঙ্গে আপনি জীবন কাটাতে যাচ্ছেন বিয়ের আগে তার সঙ্গে কিছু বিষয় আলাপ করা জরুরি। তাহলে নতুন জীবনে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা কম হবে। 

যেমন-

১. সঙ্গীর আর্থিক অবস্থা কেমন সেটা জানা উচিত। যদিও একজনের বেতন বা আয় জিজ্ঞেস করাটা অনুচিত তারপরও বিয়ের আগে এই বিষয়গুলো পরিষ্কার হওয়া উচিত। কারণ আপনার সঙ্গী সংসারে কি পরিমাণ খরচ পরিচালনা করতে পারবেন সেটা আপনার জানা উচিত। দুইজনের কারও কোন ধরনের ঋণ কিংবা ব্যাংক লোন আছে কিনা সেটাও সঙ্গীর সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এ বিষয়গুলো আগে থেকে আলোচনা করলে দুজন দুজনকে সাহায্য করতে পারবেন।

২. পরিবার পরিকল্পনার বিষয়টিও বিয়ের আগে আলোচনা করা উচিত। আপনারা ঠিক কতদিন পর বাচ্চা নেবেন এটা আগে থেকে আলোচনা করতে পারেন।কারণ ক্যারিয়ার নিয়ে প্রত্যেকেরই নিজস্ব কিছু ভাবনা থাকে । এ কারণে এ বিষয়টাও আলোচনা করা জরুরী।

৩. আপনি ঠিক কোন ধরনের মানসিকতার কিংবা সঙ্গীর কাছে আপনার প্রত্যাশা কি সেটা হবু জীবনসঙ্গীকে জানানো উচিত। দুজনে আলাদা থাকবেন, না পরিবারের সবার সঙ্গে থাকবেন, এই বিষয়গুলোও সঙ্গীর সামনে স্পষ্ট করা দরকার। তা না হলে এটা ভবিষ্যৎ জীবনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

সংশ্লিষ্ট খবর