জীবনশৈলী

৫০ বছর ধরে একই হ্যান্ডব্যাগ ব্যবহার করছেন রানী!

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯

৫০ বছর ধরে একই হ্যান্ডব্যাগ ব্যবহার করছেন রানী!

  অনলাইন ডেস্ক

রাজপরিবারে বিলাসবহুল জিনিসের আধিক্য থাকবে এটাই স্বাভাবিক। প্রকাশ্যে একই পোশাক কিংবা জিনিস বারবার খুব কমই ব্যবহার করেন তারা। তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ লুনার ব্র্যান্ডের একটি হ্যান্ডব্যাগ ব্যবহার করছেন ৫০ বছর ধরে।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের দ্য মিরর পত্রিকায় এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ব্যাগটি রানীর খুব পছন্দের এবং অত্যন্ত প্রিয় ।বিভিন্ন অফিয়াল কাজকর্ম, রাষ্ট্রীয় সফর এবং অনেক উল্লেখযোগ্য স্থানে তাকে ব্যাগটি ব্যবহার করতে দেখা যায়। 

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৬৮ সালে রানী এলিজাবেথ লুনার ব্রান্ডকে রয়েল ওয়ারেন্ট প্রদান করেন। এরপর তারা নিজেদের ব্রান্ডের চিহ্নযুক্ত একটি হ্যান্ডব্যাগ তৈরি করে দেয় রানীর জন্য। 

জানা গেছে, এ পযর্ন্ত বহু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যাগটি রানী এলিজাবেথের হাতে দেখা গেছে। ১৯৭০ সালে রানী যখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তখন তার হাতে ছিল প্রিয় হ্যান্ডব্যাগটি। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও তার স্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ২০০০ সালে যখন তার আতিথেয়তা গ্রহণ করেন তখনও রানীর হাতে ওই ব্যাগটি দেখা গেছে। ২০০৩ সালে চেটেনহ্যাম গোল্ড কাপ, রয়েল হর্স আর্টিলারি প্যারেড অনুষ্ঠানেও তিনি ব্যাগটি ব্যবহার করেছেন। এছাড়া এখন পযর্ন্ত অনেক জায়গাতেই রানীর সফর সঙ্গী হয়েছে প্রিয় হ্যান্ডব্যাগটি। সূত্র: মিড ডে


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খেতে পারেন আদা


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

আদা সর্দি-কাশি সারাতে দারুন কাজ করে এটা অনেকেরই জানা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদায় এমন সব ঔষধি গুণ রয়েছে যা একাধিক রোগ-ব্যাধি মোকাবেলায় সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম আদায় ৮০ ক্যালরি এনার্জি, ১৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৭৫ গ্রাম ফ্যাট, ৪১৫ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস রয়েছে। নিয়মিত আদা খেলে যেসব সমস্যা দুর করা যায়-

১. হজমের সমস্যা, বুক জ্বালা কিংবা গ্যাস কমানোর জন্য আদা অত্যন্ত কার্যকরী।

২. শরীরের নানা ধরনের ব্যথা নিরাময়ে আদা দারুনভাবে প্রভাব ফেলে। আদার রসে থাকা জিঞ্জেরল ব্যথার অসুখের মতোই কাজ করে। 

৩. মার্কিন গবেষকরা বলছেন, আর্থ্রাইটিস সমস্যা কমাতেও আদা কার্যকরী।  ৪. যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, ক্যানসারের কোষগুলির অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে আদার রস।

৪. মাইগ্রেনের সমস্যার নিরাময়েও আদা দারুনভাবে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টিহিস্টামাইন, অ্যান্টিনসিয়া উপাদান মাথা-ধরার অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেয়।

৫. ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও দারুন কার্যকরী আদা। এটি ক্যালরি পোড়াতে ভাল কাজ করে। তাছাড়া আদার রস কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে বিপাকক্রিয়া এবং ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে আদার বেশ ভূমিকা থাকে। 

৬. ঠান্ডা-গরমে খুসখুসে কাশি বা সর্দির সমস্যা দূর করতে আদার রস খুবই কার্যকরী। খুসখুসে কাশিতে গলার ভেতরের অস্বস্তি কমাতে আদার জুড়ি নেই।

৭. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াজনিত যে কোনও সংক্রমণ ঠেকাতে আদার রস খুবই কার্যকরী।

৮. বমি বমি ভাব কমাতে আদার কুচি মুখে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শীতে শিশুর গোসলে বাধা নেই


আরও খবর

জীবনশৈলী
শীতে শিশুর গোসলে বাধা নেই

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

  ডা. আবু সাঈদ শিমুল

ঠাণ্ডা মানেই শিশুদের নিয়ে বাড়তি শঙ্কা, এই বুঝি বাচ্চার সর্দি হলো। শিশুর গোসল নিয়ে তো শঙ্কা আরও বেশি। কারণ শীতে গোসল করালে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করেন অনেকেই। আসলে কিন্তু সরাসরি ঠাণ্ডার কারণে বাচ্চাদের সর্দি হয় না। যদি ঠাণ্ডাতেই সর্দি হতো, তবে তো শীতপ্রধান দেশের শিশুরা বেশিরভাগ সময় অসুস্থই থাকত।

মূলত ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ভাইরাসের কারণে বাচ্চাদের সর্দি-কাশি বেশি হয়। তাই শীতে ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার পাশাপাশি রোগ-জীবাণু থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। রোগ-জীবাণু বিশেষ করে ভাইরাস থেকে শিশুদের মুক্ত রাখার সহজ উপায় হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। আর পরিচ্ছন্ন রাখতে গেলে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শীতে সোনামণির নিয়মিত গোসলে কোনো বাঁধা নেই।

শীতে বাচ্চা গোসলের পানিটা কুসুম গরম হওয়া বাঞ্ছনীয়। গোসল করানোর আগেই অবশ্য দেখে নেওয়া উচিত পানি বেশি গরম হয়ে গেল কি-না। এই পানিতে এন্টিসেপ্টিক বা অন্য কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গোসলের পর সর্ষের তেল দেওয়ারও দরকার নেই। অবশ্য আগে তেল মাখলে ক্ষতি নেই। বাচ্চাদের গোসলে বেশি সময় নেওয়া উচিত নয়। পাঁচ থেকে সাত মিনিটেই এটি সম্পন্ন করতে হবে। বড় বাচ্চারা যখন বাথরুমে ঢোকে তখন বের হতেই চায় না। তারাও যেন বেশি সময় না নেয়, সেটি খেয়াল রাখুন।

শীতে শিশুদের প্রতিদিন গোসল করানো গেলেও যদি শৈত্যপ্রবাহের কারণে খুব বেশি ঠাণ্ডা পড়ে, তবে ওই ক'টা দিন ঘনঘন গোসল না করালেও চলে। এ সময় গোসল না করিয়ে পাতলা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে শরীরটা ভালোভাবে মুছে দিন।

সদ্যজাত শিশুর জন্মের প্রথম দু'দিন গোসল করানো উচিত নয়। এর পর থেকে গোসল করাতে পারেন। অন্যদিকে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়েট্রিক্সের নির্দেশনা হলো, শিশুকে প্রথম বছরে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার গোসল করালেই চলে।

তবে প্রিমেচিউর বাচ্চা বা সময়ের বেশ আগেই যারা জন্ম নিয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এবং যাদের জন্মের সময় ওজন কম ছিল তাদের ক্ষেত্রে গোসলের ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বাচ্চা অসুস্থ থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


লেখক: কনসালট্যান্ট  শিশু বিভাগ  মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো আলাপ জরুরি


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

বিয়ে জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সামাজিক এ বন্ধনের মাধ্যমে দুইজন মানুষ বাকী জীবন একজন আরেকজনের সঙ্গী হয়ে থাকার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হন।

বিয়ে নিয়ে সবার কত ধরনের পরিকল্পনাই না থাকে।নিমন্ত্রণ, খাবার আয়োজন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বর-কনের পরিবারে থাকে নানা আয়োজন। তবে বিয়ে যেহেতু সারাজীবনের ব্যাপার তাই যার সঙ্গে আপনি জীবন কাটাতে যাচ্ছেন বিয়ের আগে তার সঙ্গে কিছু বিষয় আলাপ করা জরুরি। তাহলে নতুন জীবনে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা কম হবে। 

যেমন-

১. সঙ্গীর আর্থিক অবস্থা কেমন সেটা জানা উচিত। যদিও একজনের বেতন বা আয় জিজ্ঞেস করাটা অনুচিত তারপরও বিয়ের আগে এই বিষয়গুলো পরিষ্কার হওয়া উচিত। কারণ আপনার সঙ্গী সংসারে কি পরিমাণ খরচ পরিচালনা করতে পারবেন সেটা আপনার জানা উচিত। দুইজনের কারও কোন ধরনের ঋণ কিংবা ব্যাংক লোন আছে কিনা সেটাও সঙ্গীর সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এ বিষয়গুলো আগে থেকে আলোচনা করলে দুজন দুজনকে সাহায্য করতে পারবেন।

২. পরিবার পরিকল্পনার বিষয়টিও বিয়ের আগে আলোচনা করা উচিত। আপনারা ঠিক কতদিন পর বাচ্চা নেবেন এটা আগে থেকে আলোচনা করতে পারেন।কারণ ক্যারিয়ার নিয়ে প্রত্যেকেরই নিজস্ব কিছু ভাবনা থাকে । এ কারণে এ বিষয়টাও আলোচনা করা জরুরী।

৩. আপনি ঠিক কোন ধরনের মানসিকতার কিংবা সঙ্গীর কাছে আপনার প্রত্যাশা কি সেটা হবু জীবনসঙ্গীকে জানানো উচিত। দুজনে আলাদা থাকবেন, না পরিবারের সবার সঙ্গে থাকবেন, এই বিষয়গুলোও সঙ্গীর সামনে স্পষ্ট করা দরকার। তা না হলে এটা ভবিষ্যৎ জীবনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

সংশ্লিষ্ট খবর