জীবনশৈলী

বাঁধাকপি গাজরে স্মৃতি ভুলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯

বাঁধাকপি গাজরে স্মৃতি ভুলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ

  অনলাইন ডেস্ক

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমতে থাকে।ফলে আলঝাইমার্স, পারকিনসনের মতো স্মৃতি ভুলে যাওয়া রোগে তারা আক্রান্ত হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ভিটামিন এ সমৃদ্ধ সবজি খেলে স্মৃতি ভুলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ করা যাবে। সম্প্রতি লন্ডনের একদল চিকিৎসা বিজ্ঞানীর গবেষণায় উঠে এল এমনই ইঙ্গিত। 

স্কটল্যান্ডে প্রকাশিত গবেষণাপত্র থেকে জানা গেছে, ভিটামিন এ মানবশরীরে প্রবেশ করার পর তা ভেঙে রেটিনোয়িক অ্যাসিড হয়। এই অ্যাসিড শরীরে স্নায়ুতন্ত্র বিকাশের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ রেটিনোয়িক অ্যাসিড স্নায়ুর যে কোনও সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারে । অ্যাবারডান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পিটার ম্যাকফ্রের বলেন,‘রেটিনোয়িক অ্যাসিড দিয়েই এক নতুন ধরনের ওষুধ তৈরির চেষ্টা চলছে, যা অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে। এই কাজ এখনও প্রাথমিক স্তরে। তবে আমরা নিশ্চিত যে কোনও স্নায়ুরোগের সমস্যায় ইতিবাচক হয়ে উঠবে এই গবেষণা।’ 

শরীরে স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা থেকে স্মৃতি হারানোর মতো জটিল অসুখ তৈরি হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আলঝাইঝার, পারকিনসনের মতো স্মৃতি ভুলে যাওয়া রোগ দেখা দেয়। স্কটল্যান্ডের চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের এই গবেষণা আশার আলো দেখাচ্ছে। 

গবেষকরা বলছেন, নিয়মিত গাজর, বাঁধাকপির মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ যুক্ত সবজি খেলে, সহজেই প্রতিরোধ করা যাবে এ ধরনের জটিল রোগ।সেই সঙ্গে স্মৃতিও থাকবে তাজা।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

পিঁপড়ার কবল থেকে চিনি বাঁচাবেন যেভাবে


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

বাড়িতে যেখানেই চিনি রাখুন না কেন পিঁপড়া ধরে যায়। পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে কতজন কতভাবেই না চেষ্টা করেন। অনেকে পলিথিনের প্যাকেটে চিনি মুড়ে সেটি কোনও শক্ত ঢাকনাওয়ালা পাত্রে রাখেন। কেউ আবার পিঁপড়ার হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে পাত্রটা ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু তারপরও পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি মেলে না। এমন কয়েকটি উপায় আছে যেগুলি অনুসরণ করলে চিনির পাত্রে পিঁপড়া ধরবে না। যেমন-

১. চিনি বা খাবারের গন্ধ যেমন পিঁপড়াকে আকৃষ্ট করে, তেমনই কিছু গন্ধ এমনও রয়েছে যেগুলি পিঁপড়ারা মোটেই সহ্য করতে পারে না। তেমনিই একটা জিনিস হচ্ছে লেবুর খোসা। এক টুকরা লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

২. চিনির পাত্রে একটি তেজ পাতা রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর পাতাটি বদলে দিন। তেজ পাতার গন্ধ পিঁপড়া মোটেও সহ্য করতে পারে না।

৩. দারুচিনির গন্ধও পিঁপড়ারা সহ্য করতে পারে না। তাই মাঝারি মাপের দুই একটা দারুচিনির টুকরা চিনির পাত্রে রেখে দিন।এতেও পিঁপড়া দূর হবে।

৪. চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর এটি বদলে ফেলুন।লবঙ্গের গন্ধ পেলে পিঁপড়ারা চিনির পাত্রের কাছে আসবে না। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পাকা চুল তুললে যা হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী
পাকা চুল তুললে যা হয়

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

আজকাল চুল পাকার কোনও বয়স নেই।অল্প বয়সেও চুল পাকা দেখা যায়। সাধারণত মাথার চামড়ায় (ত্বকে) পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের অভাবে চুল পাকতে পারে। এছাড়া হজমের সমস্যা বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অকালে চুল পেকে যায়।

অল্প বয়সে চুল পাকার ফলে অনেকেই অস্বস্তিতে বোধ করেন।  তখন নিজের পাকা চুল বেছে তুলতে শুরু করেন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে বেছে বেছে পাকা চুল তুললে চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। তখন নতুন চুল গজালে তা আগের তুলনায় রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন চুল না-ও গজাতে পারে। 

এ কারণে অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে সেই অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে পাকা চুল না তোলার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, পাকা চুলের অস্বস্তি থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়ার চেষ্টায় উল্টে মাথায় টাক পড়ে যাওয়াটা মোটেই কাঙ্খিত নয়। বরং চুল পাকা প্রতিরোধে একাধিক প্রাকৃতিক উপায় অনুসরণ করতে পারেন।

সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে যেসব ক্ষতি হয়


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

দৈনন্দিন জীবনে মোবাইল ফোন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। কথা বলা ছাড়াও ক্ষুদে বার্তা পাঠানো, ছবি তোলা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেকেই দিনের বেশিরভাগ সময় কাটান মোবাইলে। 

মোবাইলটা কারও কারও কাছে আসক্তির পর্যায়ে চলে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ আসক্তির কারণে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন-

১. অনবরত মেসেজ পড়া, ই-মেইল দেখা এবং মোবাইলের ছোট স্ত্রিনে ব্রাউজ করলে চোখের পেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে দৃষ্টিতে সমস্যা দেখা দেয়। 

২. যেহেতু এখন বেশিরভাগ ফোনই আঙুলের স্পর্শের মাধ্যমে চালানো হয় এ কারণে বেশিক্ষন মোবাইল চালালে আঙুল ও কবজিতে ব্যথা দেখা দেয়।অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে ঘাড়-মাথা ব্যথা হতে পারে। দীর্ঘসময় কথা বললে কানেও সমস্যা দেখা দেয়।

৩. গবেষণায় দেখা গেছে, টয়লেট সিটের চেয়েও বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে মোবাইল ফোনে।অন্য কেউ আপনার মোবাইল ব্যবহার করলে তার থেকেও জীবাণূ ছড়াতে পারে। তখন শরীরে সংক্রমণও দেখা দিতে পারে।

৪. গোটা বিশ্বে লাখো মানুষ এখন হতাশায় ভূগছেন। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বেশিরভাগ মানসিক রোগই হচ্ছে চাপ থেকে। আর এই চাপের অন্যতম কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।   সূত্র : হেলদি বিল্ডার্জড  

সংশ্লিষ্ট খবর