জীবনশৈলী

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে করণীয়

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে করণীয়

  অনলাইন ডেস্ক

বৃহদান্ত্রের কোষগুলো অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেলেই তা কোলন ক্যান্সারে রূপ নেয়। এটা নারী বা পুরুষ যে কারও হতে পারে। তবে নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা বেশি দেখা যায। সাধারণত অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী পলিপ, দীর্ঘস্থায়ী আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগ, ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল সেবনের অভ্যাস থাকলে কোলন ক্যান্সার হতে পারে। 

কোলন ক্যান্সারের বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। যেমন-

১. পায়খানার সঙ্গে রক্তপাত

২. হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া

৩. দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা

৪. তীব্র পেটব্যথা

৫. রক্তশূন্যতা

৬. সব সময় বমি বমি ভাব

কোলন ক্যান্সার প্রাণঘাতি হলেও কিছু খাবার এবং নিয়মের মাধ্যমে মারাত্মক এই রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। গবেষকদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৪৫ ভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব। কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে যেসব বিষয় মেনে চলা জরুরী-

১. নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের ব্যায়াম কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে।

২. ৪০ বছর বয়স পেরনোর পর প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষ কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ধূমপানের কারণে। এ কারণে ধূমপানের অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। 

৩. বেশি পরিমাণে লাল মাংস (রেড মিট) খেলে পেটের সমস্যা হয়, বৃহদান্ত্রের চর্বি বৃদ্ধি পায়। যা থেকে কোলন ক্যান্সার হতে পারে। তাই কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে  লাল মাংস (রেড মিট) খাওয়া কমিয়ে দিন। 

৪. পেটে অতিরিক্ত মেদ জমলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়। তাই পেটের মেদ ঝরাতে চেষ্টা করুন খাদ্যাভাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে।

৫. হজমশক্তি ঠিক রাখতে নিয়মিত সবুজ শাক-সবজি আর ফলমূল খাওয়া প্রয়োজন। তাই যতটা সম্ভব সবুজ শাক-সবজি আর ফলমূল খান।

৬. গ্রিন টিতে অনেক ধরনের উপকারী উপাদান রয়েছে যা কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে । তাই কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৭. কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণ করা প্রয়োজন।এ কারণে এই জাতীয় খাবার নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখুন।

সূত্র : জি নিউজ


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে যা করবেন


আরও খবর

জীবনশৈলী
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে যা করবেন

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

ডায়াবেটিস একটি নীরব ঘাতক। বিশ্ব জুড়ে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চিকিৎসক ও গবেষকরা বলছেন, দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন আনলে ডায়াবেটিস অনেকটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। যেমন-

১. দুপুরে টানা অনেক্ষণ ঘুমাবেন না। খুব ক্লান্ত লাগলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট শুয়ে বিশ্রাম করতে পারেন। 

২. অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে রক্তে সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত এমনটা হলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বাড়ে। এ কারণে ঠিক সময়ে খাওয়া–দাওয়া করুন । 

৩. বর্তমানে অনেক চাকরিতেই নাইট শিফট করতে হয়। গবেষণা বলছে, এক বছর টানা রাতে কাজ করলে ডায়াবেটিসের আশঙ্কা বাড়ে ১৭ শতাংশ, ৩ থেকে ৯ বছর করলে ২৩ শতাংশ ও ১০ বছর পেরিয়ে গেলে ৪২ শতাংশের মতো ৷ এর প্রধান কারণ হলো মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ কমে যাওয়া। এর ফলে ইনসুলিন ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। তখন ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা তৈরি হয়। 

৪. অনেকে নিয়মিত কোমল পানীয় পান করেন। কিন্তু এতে থাকা কর্ন সিরাপ রক্তে ফ্রুকটোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া প্যাকেজজাত  ফ্রুট ড্রিংস-এও প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। 

৫. আলুতে থাকা ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে ৷ তবে আলুর গ্লাইসিমিক ইনডেক্স বেশি, অর্থাৎ বেশি খেলে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায় ৷ এ কারণে ইচ্ছে হলে অল্প পরিমাণে আলু খান বা অন্য সবজির সঙ্গে মিশিয়ে খান ৷ ভাজা বা আলুসেদ্ধ খাওয়া ঠিক নয়। 

৬. উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কফি কম খান। কারণ রক্তচাপ বেশি হলে ডায়াবেটিসের আশঙ্কা এমনিই বাড়ে, তার উপর কফি খাওয়ার ফলে গ্লুকোজ মেটাবলিজম-এ সমস্যা হয়। তখন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

৭. গবেষণা বলছে, নিয়মিত টানা দুই ঘণ্টা টিভি দেখলেও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।সুতরাং এই অভ্যাসও পরিত্যাগ করা উচিত। সূত্র : নিউজ এইট্টিন


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

গরম তেলের ছিটা লাগলে যা করণীয়


আরও খবর

জীবনশৈলী
গরম তেলের ছিটা লাগলে যা করণীয়

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

রান্নার সময় হঠাৎ করে শরীরে গরম তেলের ছিটা লাগেনি এমন মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে। সাধারণত সামান্য তেলের ছিটা লাগলে খুব সমস্যা হয় না। কিন্তু তেলের পরিমাণ বেশি হলে শরীরের আক্রান্ত অংশ পুড়ে যায়। ফোস্কা পড়ারও সম্ভাবনা থাকে। এ সময় ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরন করলে ত্বকের বড় ক্ষতি রোধ করা যাবে।

অনেকে পুড়ে গেলেই আক্রান্ত স্থানে বরফ ঘষেন। কিন্তু বরফ রক্তপ্রবাহকে রোধ করে, ফলে পুড়ে যাওয়ার পর বরফ ঘষলে তা ত্বকের ক্ষতি করে। এর চেয়ে বরং আক্রান্ত স্থানে ঠাণ্ডা পানি দেওয়া ভাল। এছাড়া আরও কিছু পদ্ধতি অনুসরন করতে পারেন। যেমন- 

১. ক্ষতস্থানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে এবং ব্যথা কমাতে মধু দারুন কার্যকরী। তাই ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধোয়ার পরে ক্ষতস্থানে মধু লাগাতে পারেন।২. পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে একটা নরম কাপড় তাতে ভিজিয়ে নিন। এটা ক্ষতস্থানে লাগালে ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে। 

৩. বাড়িতে অ্যালোভেরা গাছ থাকলে দ্রুত তার পাতা ছিঁড়ে ক্ষতস্থানে লাগাতে পারেন। কারণ অ্যালোভেরা লাগালে ক্ষতস্থান ঠাণ্ডা হয় ও জ্বালা কমে। এটি পোড়া অংশের দাগ মেলাতেও সাহায্য করে।

৪. ক্ষতস্থানে কলার খোসা লাগাতে পারেন। যতক্ষণ না খোসা কালো হচ্ছে তত ক্ষণ এটি লাগিয়ে রাখুন। তাহলে ব্যথা কমে যাবে। 

৫. পুড়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে প্রথমে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে ফেলুন। কিছুক্ষন পর সেখানে টক দই লাগান। দইয়ের অ্যাসিড পোড়া অংশের গরমকে নিজের ভিতরে শোষণ করতে সাহায্য করবে

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি


আরও খবর

জীবনশৈলী
সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

আপনারা কি এমন দম্পতি যারা নিজেদের মজার কোন ডাক নামে ডাকেন? অথবা একে অন্যের সঙ্গে খুনসুটি করতে ব্যস্ত থাকেন কিংবা যেকোন বিষয় নিয়ে নিজেরা প্রাণ খুলে হাসেন?একে অন্যের সঙ্গে মজা করেন? যদি প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে বুঝবেন আপনাদের সম্পর্ক অনেক শক্তিশালী।অন্তত গবেষণা তাই বলছে।  

যুক্তরাষ্ট্রের একলেশেইন স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে রসিকতা করতে পছন্দ করেন, কোন বিষয় নিয়ে নিজেরা হাসাহাসি করেন,খুনসুটিতে ব্যস্ত থাকেন তারা অপেক্ষাকৃত সুখী দম্পতি। 

গবেষণা বলছে, নিজেদের নিয়ে মজার অর্থ হলো এই দম্পতিরা একে অন্যের সঙ্গে অনেক সহজ। তারা কখনো সঙ্গীর মন্তব্য নিয়ে চিন্তিত থাকেন না।

একে অন্যের সঙ্গে খুনসুটি কিংবা শিশুসুলভ আচরনের মধ্য দিয়ে তারা সম্পর্কে এক ধরনের সন্তুষ্টি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করেন। 

গবেষকদের মতে,কোন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রী যদি একসঙ্গে বসে হাসাহাসি করেন তাহলে সম্পর্কের মধ্যে যে চাপ থাকে সেটা কেটে যায়। একে অন্যের সঙ্গে সময় কাটাতেও তখন ভাল লাগে। আর এমনিতেও হাসি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

গবেষকরা বলছেন, কাউকে ছোট না করে সুন্দরভাবে যদি দুজন দুজনকে নিয়ে মজা করেন তাহলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আরও ভাল হয।

তবে গবেষকরা এটাও বলছেন, এরকম শক্তিশালী সম্পর্ক থাকতে হলে দুজনের একই মানসিকতার হতে হয়। এর মানে এটা নয় যে এমন সঙ্গী প্রয়োজন যে রসিকতা করতে পারে। বরং এমন সঙ্গী প্রয়োজন যিনি আপনার রসিকতা বুঝতে পারবেন এবং বিষয়টি আপনার মতোই তার কাছে মজার মনে হবে। 

তবে বিশেষজ্ঞরা এটা বলেও সাবধান করেছেন, একজনকে নিয়ে অতিরিক্ত মজা করা কিংবা সারাক্ষন খুনসুটি করাও সম্পর্কের ক্ষেত্রে কখনও কখনও খারাপ হতে পারে।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া  


সংশ্লিষ্ট খবর