জীবনশৈলী

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন টমেটো

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন টমেটো

  অনলাইন ডেস্ক

শীতের সবজি হিসাবে জনপ্রিয় হলেও আজকাল প্রায় সারা বছরই টমেটো পাওয়া যায়। টমেটোর গুণাগুণ অপরিসীম।এতে শতকরা ৯৫ ভাগ পানি এবং ৫ ভাগ কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার থাকে। একটা মাঝারি আকৃতির টমেটোতে ক্যালরি থাকে মাত্র ২২।  

টমেটোতে লাইকোপিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যার কারণে এর রঙ লালচে দেখায়। গবেষণায় দেখা গেছে, লাইকোপিন হৃদরোগের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া এই উপাদানটি চোখের জন্যও ভাল। নিয়মিত টমেটো খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। 

টমেটোতে থাকা পানি ও ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। 

টমেটোতে ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম থাকায় এটি হাড় গঠনে বেশ কার্যকরী। 

ক্যানসার প্রতিরোধেও দারুনভাবে কাজ করে টমেটো। এতে থাকা লাইকোপেন উপাদান ক্যানসারের কোষকে বাড়তে দেয় না। বিশেষত পাকস্থলী, প্রোস্টেট ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে টমেটো ভূমিকা রাখে। 

টমেটোয় কোমেরিক অ্যাসিড ও ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রয়েছে। ধূমপানের ফলে দেহে যে ক্ষতি হয়, তা রোধ করতে সাহায্য করে টমেটো। 

গবেষণায় দেখা গেছে, টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে টমেটো বেশ কার্যকরী। এছাড়া এতে থাকা লাইকোপিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বক সুন্দর করতে সাহায্য করে।  সূত্র : হেলথলাইন

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় কচু শাক


আরও খবর

জীবনশৈলী
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় কচু শাক

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

কচু দক্ষিন এশিয়া ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার সুপরিচিত একটি সবজি। এর কাণ্ড সবজি এবং পাতা শাক হিসেবে খাওয়া হয়।কচুর কাণ্ড ও পাতা-সবকিছুতেই প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। 

কচু শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিণ, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ডিটারেরী ফাইবার, শর্করা, বিভিন্ন খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে। 

নিয়মিত কচু শাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে । এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কচু শাক খেলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। আরেক গবেষণা বলছে, কচু শাক স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুন কার্যকরী।

২. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এ কারণে এটি দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া চোখ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়।

৩. কচু শাকে থাকা স্যাপোনিনস,টেনিনস, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্লাভোনয়েড উচ্চ রক্তচাপ কমায়।নিয়মিত কচু শাক খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। 

৪. যেহেতু কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এ কারণে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

৫. কচু শাক রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে নিয়মিত এই শাকটি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

৬. কচু শাক হজমশক্তি বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। 

৭. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় কচু শাক যেকোন ধরনের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। 

৮. যারা রক্তস্বল্পতায় ভূগছে তারা নিয়মিত কচু শাক খেতে পারেন। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা রক্তশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কচু শাক খেলে কারও কারও অ্যালার্জির সম্ভাবনা বেড়ে যায় । শরীরে র্যা শ দেখা দেয়, চুলকানি হয়। এ কারণে যাদের এ ধরনের সমস্যা আছে তাদের এই শাক খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেয়া উচিত। সূত্র : বোল্ড স্কাই

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হজমশক্তি বাড়ায় পুদিনা চা


আরও খবর

জীবনশৈলী
হজমশক্তি বাড়ায় পুদিনা চা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় অনেকে পুদিনা পাতার চা পান করতে পছন্দ করেন। শুধু স্বাদ বা গন্ধের জন্য নয়, অনেক অঞ্চলে এই চা ওষুধি হিসাবেও ব্যবহার করা হয।

বিভিন্ন উপায়ে পুদিনা চা শরীরের উপকার করে। এই চা শরীর শীতল করে এবং শক্তি বাড়ায়। একই সঙ্গে মাথা ব্যথা, সাইনাস এবং পেটের সমস্যার জন্য এটি দারুন উপকারী। 

পুদিনা চা হজমশক্তি বাড়ায় এবং প্রদাহজনিত ব্যথা কমায়। এটি মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি দেয়। মুখের দুর্গন্ধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এই চা কার্যকরী।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল কমাতে পুদিনা চা দারুন কাজ করে। জ্বর সারাতেও এই চা উপকারী।

যেভাবে তৈরি করবেন পুদিনা চা

১. প্রথমে একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে নিন

২. এবার জ্বাল কমিয়ে পানিতে পুদিনা পাতা ছেড়ে দিন। পাতাগুলো শুকনো কিংবা তাজা-সবরকমই হতে পারে। এখন পাতাগুলো ৫ থেকে ১০ মিনিট ফুটান। 

৩. ভালভাবে জ্বাল হলে চুলা বন্ধ করে দিন।

৪. ব্যস তৈরি হয়ে গেল পুদিনা পাতা। 

স্বাদ বাড়াতে পুদিনা চায়ে মধু যোগ করতে পারেন। সূত্র : অর্গানিক ফ্যাক্টস

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পিঁপড়ার কবল থেকে চিনি বাঁচাবেন যেভাবে


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

বাড়িতে যেখানেই চিনি রাখুন না কেন পিঁপড়া ধরে যায়। পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে কতজন কতভাবেই না চেষ্টা করেন। অনেকে পলিথিনের প্যাকেটে চিনি মুড়ে সেটি কোনও শক্ত ঢাকনাওয়ালা পাত্রে রাখেন। কেউ আবার পিঁপড়ার হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে পাত্রটা ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু তারপরও পিঁপড়ার হাত থেকে মুক্তি মেলে না। এমন কয়েকটি উপায় আছে যেগুলি অনুসরণ করলে চিনির পাত্রে পিঁপড়া ধরবে না। যেমন-

১. চিনি বা খাবারের গন্ধ যেমন পিঁপড়াকে আকৃষ্ট করে, তেমনই কিছু গন্ধ এমনও রয়েছে যেগুলি পিঁপড়ারা মোটেই সহ্য করতে পারে না। তেমনিই একটা জিনিস হচ্ছে লেবুর খোসা। এক টুকরা লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

২. চিনির পাত্রে একটি তেজ পাতা রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর পাতাটি বদলে দিন। তেজ পাতার গন্ধ পিঁপড়া মোটেও সহ্য করতে পারে না।

৩. দারুচিনির গন্ধও পিঁপড়ারা সহ্য করতে পারে না। তাই মাঝারি মাপের দুই একটা দারুচিনির টুকরা চিনির পাত্রে রেখে দিন।এতেও পিঁপড়া দূর হবে।

৪. চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। কয়েকদিন পর পর এটি বদলে ফেলুন।লবঙ্গের গন্ধ পেলে পিঁপড়ারা চিনির পাত্রের কাছে আসবে না। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর