জীবনশৈলী

থাইরয়েড থেকে নানা রোগ

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

থাইরয়েড থেকে নানা রোগ

  ডা. মনিলাল আইচ

থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে সাধারণত দুই ধরনের সমস্যা দেখা যায়— গঠনগত ও কার্যগত।

গঠনগত সমস্যায় থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায়, যেটাকে গয়টার বলা হয়। কার্যগত সমস্যা দুই রকমের। যথা- হাইপারথাইরয়ডিজম ও হাইপোথাইরয়ডিজম। হাইপারথাইরয়ডিজমে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড বেশি মাত্রায় সক্রিয় হয়ে পড়ে ও হাইপোথাইরয়ডিজমে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড কাজ করে না। হাইপোথাইরয়ডিজমের কারণে অবসাদগ্রস্ত, অলসতা, ঘুম ঘুম ভাব, ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, পা অল্প ফুলে যায়, ক্ষুধামান্দ্য শুরু হয়, চুল পড়া শুরু করে, ওজন বেড়ে যায়, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়, কোষ্ঠকাঠিন্য হয়, রক্তচাপসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

হাইপারথাইরয়ডিজম সমস্যা হলে  ক্ষুধা বেড়ে গেলেও ওজন কমতে থাকে, প্রচণ্ড গরম লাগে, বুক ধড়ফড় করে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দেয়, ত্বক কালো হয়ে যায়, হার্টের সমস্যা হতে পারে, হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়, চোখ কোটর থেকে বেরিয়ে আসে, বন্ধ্যত্ব হতে পারে।

থাইরয়েডের সমস্যা হলে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হোন। প্রথমে ওষুধ সেবন করুন। ওষুধে সুস্থ না হলে অস্ত্রোপচার করতে হবে। সমস্যার শুরুতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, চিকিৎসা নিন, ভালো থাকুন।


লেখক: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, নাক কান গলা (ইএনটি) বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বেগুনের আয়ুর্বেদিক ব্যবহার


আরও খবর

জীবনশৈলী
বেগুনের আয়ুর্বেদিক ব্যবহার

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

বেগুন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি ফল।সুস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।প্রাচীন কাল থেকেই উপমহাদেশে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বেগুন ব্যবহার করা হয়। বেগুনে যেসব আয়ুর্বেদিক গুণ পাওয়া যায়-

১. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে  বেগুন পুড়িয়ে তার সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে পেটের সমস্যা ভাল হয়।

২. অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে বেগুন দারুন কার্যকরী। যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা সন্ধ্যার পর সামান্য পরিমাণে বেগুন পুড়িয়ে তার সঙ্গে মধু দিয়ে খেলে খেতে পানে। এতে ঘুমের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।

৩. নিয়মিত বেগুন খেতে পারলে প্রসাবের সময় জ্বালা বা কোনও রকম অস্বস্তি কমে যায়। এটি মূত্রথলির সংক্রমণ ও কিডনির নানা সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

৪. জ্বর হলে কচি বেগুন খেতে পারেন। এতে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

৫. কচি বেগুনের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা দ্রুত দূর হয়। 

৬. নারীদের অনিয়মিত পিরিয়ড দূর করতে বেগুন বেশ কার্যকরী।

৭. হজমের সমস্যা দূর করতেও নিয়মিত বেগুন খেতে পারেন।  সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় কচু শাক


আরও খবর

জীবনশৈলী
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় কচু শাক

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

কচু দক্ষিন এশিয়া ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার সুপরিচিত একটি সবজি। এর কাণ্ড সবজি এবং পাতা শাক হিসেবে খাওয়া হয়।কচুর কাণ্ড ও পাতা-সবকিছুতেই প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। 

কচু শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিণ, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ডিটারেরী ফাইবার, শর্করা, বিভিন্ন খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে। 

নিয়মিত কচু শাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে । এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কচু শাক খেলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। আরেক গবেষণা বলছে, কচু শাক স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুন কার্যকরী।

২. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এ কারণে এটি দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া চোখ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়।

৩. কচু শাকে থাকা স্যাপোনিনস,টেনিনস, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্লাভোনয়েড উচ্চ রক্তচাপ কমায়।নিয়মিত কচু শাক খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। 

৪. যেহেতু কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এ কারণে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

৫. কচু শাক রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে নিয়মিত এই শাকটি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

৬. কচু শাক হজমশক্তি বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। 

৭. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় কচু শাক যেকোন ধরনের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। 

৮. যারা রক্তস্বল্পতায় ভূগছে তারা নিয়মিত কচু শাক খেতে পারেন। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা রক্তশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কচু শাক খেলে কারও কারও অ্যালার্জির সম্ভাবনা বেড়ে যায় । শরীরে র্যা শ দেখা দেয়, চুলকানি হয়। এ কারণে যাদের এ ধরনের সমস্যা আছে তাদের এই শাক খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেয়া উচিত। সূত্র : বোল্ড স্কাই

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হজমশক্তি বাড়ায় পুদিনা চা


আরও খবর

জীবনশৈলী
হজমশক্তি বাড়ায় পুদিনা চা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় অনেকে পুদিনা পাতার চা পান করতে পছন্দ করেন। শুধু স্বাদ বা গন্ধের জন্য নয়, অনেক অঞ্চলে এই চা ওষুধি হিসাবেও ব্যবহার করা হয।

বিভিন্ন উপায়ে পুদিনা চা শরীরের উপকার করে। এই চা শরীর শীতল করে এবং শক্তি বাড়ায়। একই সঙ্গে মাথা ব্যথা, সাইনাস এবং পেটের সমস্যার জন্য এটি দারুন উপকারী। 

পুদিনা চা হজমশক্তি বাড়ায় এবং প্রদাহজনিত ব্যথা কমায়। এটি মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি দেয়। মুখের দুর্গন্ধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এই চা কার্যকরী।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল কমাতে পুদিনা চা দারুন কাজ করে। জ্বর সারাতেও এই চা উপকারী।

যেভাবে তৈরি করবেন পুদিনা চা

১. প্রথমে একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে নিন

২. এবার জ্বাল কমিয়ে পানিতে পুদিনা পাতা ছেড়ে দিন। পাতাগুলো শুকনো কিংবা তাজা-সবরকমই হতে পারে। এখন পাতাগুলো ৫ থেকে ১০ মিনিট ফুটান। 

৩. ভালভাবে জ্বাল হলে চুলা বন্ধ করে দিন।

৪. ব্যস তৈরি হয়ে গেল পুদিনা পাতা। 

স্বাদ বাড়াতে পুদিনা চায়ে মধু যোগ করতে পারেন। সূত্র : অর্গানিক ফ্যাক্টস

সংশ্লিষ্ট খবর