জীবনশৈলী

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর

  অনলাইন ডেস্ক

শীতের আগ দিয়ে পরিবেশে ক্ষতিকর জীবাণুর মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে  শরীর দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঠিক এ কারণে সারা শীতকাল নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খেজুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। খেজুরে থাকা ডায়াটারি ফাইবার, পটাশিয়াম, এবং আরও নানা ধরনের উপকারী উপাদান শরীরে প্রবেশ করে মস্তিষ্কের সেলের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। তাই প্রতিদিন অন্তত ২ থেকে ৩ টা খেজুর খাওয়া উচিত।

খেজুরে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং ডি ত্বক টান রাখতে সহয়তা করে।সেই সঙ্গে ত্বকের বলিরেখাও  দূর করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত এবং উজ্জ্বল । এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি এজিং উপাদান থাকায় খেজুর ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।  

ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। 

নিয়মিত খেজুর খেলে হজমশক্তি বাড়ে।এ কারণে পেটের বড় কোনও অসুখ কম হয়।  

প্রতিদিন ২ থেকে ৩ টা খেজুর খেলে শরীরে ক্যান্সারের সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। এই ফলটির মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক সুগার শরীরে শক্তি জোগায়। সেই সঙ্গে মানসিক সুস্থতাও বাড়ে।   সূত্র: নিউজ এইট্টিন 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

হৃদরোগজনিত জটিলতা কমায় চীনাবাদাম


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

পার্কে বসে, ভ্রমনের সময়, হাঁটতে হাঁটতে কিংবা গল্প করার ফাঁকে চীনাবাদাম খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। খোসাসহ ভাজা, খোসা ছাড়া ভাজা, লবণ দেয়া কিংবা কাঁচা নানা ভাবেই এটি খাওয়া যায়। মাটির নীচে হয় বলে এটাকে চীনাবাদাম বলা হয়্ । এছাড়া বিভিন্ন ভাষায় এর ভিন্ন ভিন্ন নাম আছে। চীনাবাদাম বিভিন্ন খাবার তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। 

চীনাবাদামে নানা ধরনের পুষ্টি গুণ রয়েছে। এটি প্রোটিন, ম্যাঙ্গানিজ, নিয়াসিন, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ই, থায়ামিন, ফসফরাস, বায়োটিন এবং ম্যাগনেশিয়ামের ভাল উৎস। 

চীনাবাদাম প্রচুর পরিমাণে মোনোস্যাচুরেটেড এবং বিভিন্ন ধরনের ফ্যাট রয়েছে যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত এই বাদাম খেলে হৃদরোগজনিত জটিলতা কমে। 

চীনাবাদামে প্রচুর পরিমাণে বেটা সিটোস্ট্রেরল উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। 

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চীনাবাদাম খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি শতকরা ২১ ভাগ কমে যায়। 

চীনাবাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকায় গর্ভাবস্থায় এটি খেলে শিশুর জন্মজনিত ত্রুটি প্রতিরোধে করা যায়। এ কারণে গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৪০০ গ্রাম চীনাবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

চীনাবাদামে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকায় এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। 

চীনাবাদামে উপস্থিত ট্রিপটোফেন হতাশা কমাতে সাহায্য করে। 

চীনাবাদামের উপকারিতা পেতে খোসাসুদ্ধ বাদাম কেনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্যাকেটজাত বাদামে অনেক ধরনের রাসায়নিক দেয়া থাকে। এ কারণে কাঁচা বাদাম কিনে সারাবছর এয়ারটাইট প্লাস্টিক কন্টেইনারে সংরক্ষণের কথা বলেছেন তারা। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নিয়মিত হাঁটলে ওজন কমে


আরও খবর

জীবনশৈলী
নিয়মিত হাঁটলে ওজন কমে

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

ওজন কমাতে সবাই কত চেষ্টাই না করেন। খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম আরও কত কি। তারপরও ওজন কমে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু হাঁটার মাধ্যমেও ওজন কমানো সম্ভব । শুধু তাই নয়, নিয়মিত হাঁটলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো একাধিক শারীরিক সমস্যাও প্রতিরোধ করা যায়। 

অনেকই হয়তো জানেন না, ওজন কমানোর জন্য ঠিক কতটা হাঁটা প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে প্রতিদিন না হাঁটলেও চলবে। সপ্তাহে মাত্র তিন দিন একটানা অন্তত ৩০ মিনিট করে হেঁটেও ওজন কমানো সম্ভব। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, টানা ৩০ মিনিট হাঁটলেই হৃৎপিণ্ড তার স্থায়ী গতিশীল অবস্থায় পৌঁছে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে হৃৎপিণ্ডের এই স্থায়ী গতিশীল অবস্থা ওজন কমাতে সাহায্য করে। 

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ওজন কমাতে হাঁটার নূন্যতম একটা গতি থাকা দরকার। সেক্ষেত্রে ঘণ্টায় অন্তত আড়াই থেকে ৩ কিলোমিটার গতিতে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা উচিত।   

অবশ্য নিয়মিত হাঁটার পাশাপাশি ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনেরও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সঙ্গে চিনি এবং অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে বলেছেন তারা।সূত্র : নিউজ এইট্টিন

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

উচ্চ রক্তচাপে আলু কতটা উপকারী?


আরও খবর

জীবনশৈলী
উচ্চ রক্তচাপে আলু কতটা উপকারী?

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

উপমহাদেশে আলুর পরিচিত ঘটিয়েছিল পর্তুগীজরা সেই ১৬শ' শতাব্দীতে। ধীরে ধীরে আলু এই অঞ্চলে জনপ্রিয় খাবারে পরিনত হয়েছে। এটা এমনই একটি খাবার যা ভাজা, রান্না, সিদ্ধ, ভর্তা সবভাবেই খাওয়া যায়। আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি,সি, ফাইবার, পটাশিয়াম, কপার, ট্রিপটোফেন, ম্যাঙ্গানিজ এবং লুটেইন রয়েছে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ব্যথা কমায় এবং আলসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। যদি আলু ঠিক পদ্ধতিতে রান্না করা হয় তাহলে তা উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও ভূমিকা রাখে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলুতে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড এবং অ্যানথোসায়ানিনস নামের রাসায়নিক উপাদান আছে যা উচ্চ রক্তচাপ কমায়। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়ামও রক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুতে ৪২১ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে দারুন উপকারী। 

উচ্চ রক্তচাপে ভোগা রোগীদের মধ্যে মানসিক চাপ বেশি থাকে। আলু চাপ কমাতেও দারুন কার্যকরী।আলুর সাদা অংশে ট্রিপটোফেন নামের এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে তা নার্ভকে শান্ত রাখতে ভূমিকা রাখে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলু ভাজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা যেকোন ধরনের ভাজা আলু উচ্চ রক্তচাপের পরিমাণ বাড়াতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আলুর জুস খেতে পারেন। অথবা আলু সিদ্ধ, রান্না কিংবা গ্রিল করেও খাওয়া যেতে পারে।  সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর