জীবনশৈলী

খাবার থেকে ফরমালিন দূর করবেন যেভাবে

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৮

খাবার থেকে ফরমালিন দূর করবেন যেভাবে

  অনলাইন ডেস্ক

বাজার থেকে মাছ, সবজি, ফলমূল যাই কিনুন না কেন একদম তাজা পাওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আজকাল সব কিছুতেই ফরমালিন মেশানো থাকে।সাধারণত যেকোন তাজা খাবারে ফরমালিন প্রিজারভেটিভ হিসাবে ব্যবহার করা হয় সেটি দীর্ঘদিন ভাল রাখতে। উন্নত দেশেও এটি ব্যবহার করা হয় ।তবে সেটা মানবদেহের জন্য সহনীয় মাত্রায় থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে যার যেভাবে ইচ্ছা খাবারে ফরমালিন ব্যবহার করছেন। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

মাছ,শাকসবজি কিংবা ফলমূল থেকে ফরমালিন দূর করার বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। যেমন-

১. সবজি কিংবা ফলে ঠিক কি ধরনের প্রিজারভেটিভ দেওয়া আছে যেহেতু আপনার জানা নেই তাই সবজি বা ফলের উপর অংশ বা চামড়া ছুলে ফেলতে পারেন।

২. বাজার থেকে মাছ, সবজি কিংবা ফল-যাই কিনুন না কেন বাড়িতে এনে আধঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।এপরপর পানিটা ফেলে আবারও ১৫ মিনিট ভিজিয়ে সেগুলো ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন। 

৩. পানিতে লবণ মিশিয়েও মাছ, সবজি বা ফল ভিজিয়ে রাখতে পারেন এক ঘণ্টা। লবণ ফরমালিন কাটাতে সাহায্য করবে। 

৪. যদি আপনি খাবারের স্বাদ ঠিক রাখতে চান তাহলে ৯৫ ভাগ পানিতে ৫ ভাগ ভিনেগার মিশিয়ে মাছ, সবজি,ফল ভিজিয়ে রাখুন। এতে সামান্য হলুদ গুড়াও মেশাতে পারেন। যদি এক ঘন্টা এগুলো ভিজিয়ে রাখেন তাহলে ফরমালিন অনেকখানি দূর হবে। রান্নার ১৫ মিনিট আগে মাছ এবং সবজি আরেকবার ধুয়ে নিন। 

৫. দুধে ফরমালিন দেওয়া থাকলে তা দূর করা সম্ভব নয়। যদি দুধ নিয়ে আপনার কোনও সন্দেহ থাকে তাহলে অল্প পরিমাণ কাঁচা দুধ রাতে ফ্রিজের বাইরে রেখে দিন। যদি এতে কোনও প্রিজারভেটিভ দেওয়া না থাকে তাহলে সকালে এটা টক হয়ে যাবে। আর যদি দুধটা জ্বাল দেওয়ার পরে ভাল থাকে তাহলে তাতে ফরমালিন মেশানোর সম্ভাবনা রয়েছে।  সূত্র : হায়ারিংগো

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ঠাণ্ডা না গরম-কোন কফি উপকারী?


আরও খবর

জীবনশৈলী
ঠাণ্ডা না গরম-কোন কফি উপকারী?

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

কেউ ঠাণ্ডা কফি খেতে পছন্দ করেন কেউ বা গরম। নতুন এক গবেষণা বলছে, যেটাই পছন্দ করুন না কেন কফি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের টমাস জেফারসন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, গরম কফিতে ঠাণ্ডা কফির চেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। 

গবেষকরা বলছেন, যদি নিয়মিত পরিমিত হারে কফি পান করা যায় তাহলে এটা স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী হবে যেহেতু এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।

অনেকেই মনে করেন ঠাণ্ডা কফি খেলে অ্যাসিডিটির পরিমাণ কম হবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, ঠাণ্ডা কিংবা গরম দুই ধরনের কফিতেই অ্যাসিডিটির পরিমাণ প্রায় সমান।

বরফ দেওয়া কফি মানেই কোল্ড বা ঠাণ্ডা কফি নয়। বরফ দেওয়া কফি পানি গরম করেই বানানো হয়। তারপর ঠাণ্ডা করে এতে বরফ দেওয়া হয়।অন্যদিকে কোল্ড কফি ঠাণ্ডা পানি দিয়ে তৈরি করা হয়। এটা তৈরি করতে বেশ সময়ও লাগে। 

গবেষকরা বলছেন, দুই ধরনের কফিতে অ্যাসিডিটির পরিমাণ সামান থাকলেও গরম কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি  থাকে।এ কারণে জনপ্রিয়তার বিচারে গরম কফির পাল্লাই ভারী হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অতিরিক্ত ঘুম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

কম ঘুম যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তেমনি বেশি ঘুমও স্বাস্থ্যহানির কারণ ঘটায়। 

ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, যারা প্রতিদিন ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমায় তাদের হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি যারা দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমায় তাদের চেয়ে বেশি। 

গবেষকরা ২১ টি দেশের অন্তত সাতটি প্রদেশে এই বিষয়ে গবেষণা চালায়। গবেষণায় তারা দেখেছেন যেসব প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ৮ ঘন্টার চেয়ে বেশি ঘুমান তাদের হৃদরোগ, স্ট্রোকের পাশাপাশি অন্যান্য রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা ৪১ শতাংশ বেশি। 

গবেষকরা বলছেন, বেশিক্ষন শুয়ে থাকার কারণে এসব লোকদের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ছে।

গবেষনায় কম ঘুমে স্বাস্থ্যের কি ক্ষতি হয় সেটাও প্রমানিত হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ছয় ঘণ্টার কম ঘুমান বিভিন্ন রোগে তাদের মৃত্যু ঝুঁকি ৯ শতাংশ বেশি। 

এ কারণে বিশেষজ্ঞরা সুস্থ থাকতে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র : এবিসিসেভেননিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পরীক্ষার আগে খেতে পারেন যেসব খাবার


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

পরীক্ষা মানেই দুশ্চিন্তা, বড় ধরনের মানসিক চাপ। ভাল প্রস্তুতি থাকলেও পরীক্ষা এলে সব শিক্ষার্থীরাই বাড়তি চাপ অনুভব করে। 

পরীক্ষা নিয়ে ভীত বা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই এমন উপদেশ বড়রা প্রায়ই দেন ছোটদের। তারপরও এটা নিয়ে কিছুটা ভয় থাকেই। পরীক্ষার সময় খুব বেশি দুশ্চিন্তা লাগলে ব্রেথিং অনুশীলন করতে পারেন । মন কিছুটা শান্ত করতে লম্বা করে শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়তে পারন। তাহলে মনের চাপ কিছুটা কমবে। এছাড়া পরীক্ষার আগে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায় এমন খাবার খেলেও পরীক্ষার হলে আরাম লাগবে। যেমন-

১. ফলের মধ্যে জাম মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে দারুন কার্যকরী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। 

শুধু পরীক্ষার আগে নয় , নিয়মিত এই ফলটি খেলে মনে রাখার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, মস্তিষ্কের সক্ষমতা বাড়বে। 

২.যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ যেকোন খাবার মনোযোগ, মনে রাখার ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এ ধরনের খাবারের মধ্যে বাদাম, সামুদ্রিক মাছ , অ্যাভোকাডো ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তাই পরীক্ষার হলে যাবার আগে এসব খাবার খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। 

৩. সবজির মধ্যে ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, মস্তিষ্কের জন্য উপকারী ফ্যাট থাকে। 

গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়ায়। ব্রকলিতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান মস্তিষ্কের সুরক্ষা করে। এ কারণে পরীক্ষার আগে এই সবজিটি খেতে পারেন। 

৪. ডার্ক চকলেটের নানা ধরনের গুণ রয়েছে ।এতে থাকা ফ্ল্যাভনয়েড,ক্যাফেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়ায়।সেই সঙ্গে মনও ভাল রাখে। দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে তাই ডার্ক চকলেট খেতে পারেন। 

৫. সাধারণত বেশি পরিশ্রমের আগে কার্বোহাইড্রেট পুর্ণ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পরীক্ষার আগে এ ধরনের খাবার খাওয়া ঠিক নয। পরীক্ষার আগে পাউরুটি, পাস্তা কিংবা ভাত খেয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এগুলো হয়তো মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াবে কিন্তু তা বেশিক্ষন স্থায়ী হবে না। বরং ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেবে। বেশি কার্বোহইড্রেটডুক্ত খাবার খেয়ে গেলে পরীক্ষার হলে ঘুমও পেতে পারে। এর চেয়ে বরং ডিম, পরিজ, পনির, লো ফ্যাট দুধ খেতে পারেন।   সূত্র : ফুডইটসেফ


সংশ্লিষ্ট খবর