জীবনশৈলী

সেহেরিতে কী খাবেন আর কী খাবেন না

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৮

সেহেরিতে কী খাবেন আর কী খাবেন না

  অনলাইন ডেস্ক

রোজদারদের জন্য সেহেরী ও ইফতার ইবাদতের মতো। অনেকেই মনে করেন সেহেরী ও ইফতারে ভারী ধরনের খাবার খাওয়া উচিত। কিন্তু সব ধরনের ভারী খাবার রোজদারের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। 

সেহেরীতে এমন সময় খাওয়া হয় যখন বেশি ক্ষুধা অনুভূত হয় না। এই সময় এমন খাবার খাওয়া উচিত যাতে সারাদিনের শক্তি পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে এই সময়ে খুব সাধারণ খাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে পেটও যাতে খুব ভরা না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। 

রুটি, ভাত এবং আলু-এই খাবারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমান কার্বোহাইড্রেট থাকে যা হজম হতে অনেক সময় লাগে এবং কর্মশক্তিও দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে সেহেরিতে এইসব খাবার খেতে পারেন।

ফাইবারযুক্ত ফল এবং শস্য জাতীয় খাবার খেতে পারেন সেহেরীতে। বার্লি, ছোলা এবং ওট এই খাবারগুলো দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকতে সাহায্য করে। এছাড়া এগুলো কোষ্টকাঠিন্যও সারায়। তবে এসব খাবার খুব বেশি খেলে বারবার পিপাসা লাগতে পারে। 

সেহরিতে প্রোটিণ জাতীয় খাবার খাওয়াটা জরুরি। এর মধ্যে ডিম, মুরগীর মাংস, দই,ডাল -এইসব খাবার শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। 

যেসব খাবার পানিশূণ্যতা দূর করে সেগুলি সেহেরিতে যোগ করা যেতে পারে।  এর মধ্যে ডাবের পানি, শসা, আনারস, টমেটো, কমলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া সেহেরিতে পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করা উচিত যাতে সারাদিনের পানি ঘাটতি পূরণ হয়। 

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

সেহেরির সময় খুব বেশি মসলাদার এবং ঝাল খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এগুলো খেলে বুক জ্বালাপোড়া হয় এবং হজমে সমস্যা করে। 

সেহেরিতে খুব বেশি চা, কফি খাওয়া ঠিক নয়। এগুলো পানিশূণ্যতা তৈরি করে এবং পিপাসা বাড়ায়। 

সেহেরির সময় বেশি লবণাক্ত খাবার খাওয়াও ঠিক নয়। এসব খাবারও পানিশূণ্যতা বাড়ায়। 

এছাড়া সেহেরিতে চিনিযুক্ত খাবারও পরিহার করা উচিত। কারণ এসব খাবার দ্রুতই হজম হয়,এজন্য তাড়াতাড়ি ক্ষুধা অনুভূত হয়। 

সূত্র: এনডিটিভি


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় মিষ্টি কুমড়া


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

মিষ্টি কুমড়া এমন একটি সবজি যা সারা বছরই পাওয়া যায়। খেতে কিছুটা মিষ্টি স্বাদের মিষ্টি কুমড়া স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী।
মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা হজমে সহায়তা করে। এটা খেলে যদি পেট ভরা অনুভূত হয়। এ কারণে এটি ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে।  এতে খুব কম পরিমাণে ক্যালরি থাকে।
এক কাপ পরিমাণে রান্না করা কিংবা থেতলানো মিষ্টি কুমড়ায় দিনের চাহিদার প্রায় ২০০ শতাংশ বেশি ভিটামিন এ থাকে,যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা বিটা ক্যারোটিনও চোখের জন্য খুব উপকারী।
কমলা, মিষ্টি আলু কিংবা গাজরের মতো মিষ্টি কুমড়াতেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, মিষ্টি কুমড়া রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। 
মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ই আছে। এগুলো ত্বকের সুরক্ষা ভূমিকা রাখে।ত্বকে বার্ধ্যকের ছাপ পড়তে বাঁধা দেয়। এছাড়া ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 
এতে থাকা ম্যাগনিসিয়াম ও পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকেও কমে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়ায় থাকা নানা পু্ষ্টি উপাদান ইউরিনেশনের সমস্যা কমায় ও কিডনিতে পাথর হতে বাধা প্রদান করে।
সূত্র: ওয়েব এমডি, হাফ পোস্ট

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

যে ৫ কারণে বাড়তে পারে অ্যালার্জি সমস্যা


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

অ্যালার্জির সমস্যার কারণে অনেকের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয়। এর ফলে শরীর ও মন দুটোই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষের জীবনযাপনের কিছু প্রবণতা অ্যালার্জির সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আসুন সেই প্রবণতাগুলো জেনে নিই-

১. অনেকেই অ্যালার্জির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খান। কিন্তু ঠিক কি কারণে আপনার অ্যালার্জি হচ্ছে তা না জেনে ওষুধ খেলে উল্টো ক্ষতির আশঙ্কা। শুরুতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পরীক্ষা করিয়ে আগে আপনার অ্যালার্জির ধরণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। এরপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. ঘরে যথেষ্ট আলো-বাতাস প্রবেশের জন্য অনেকেই জানালা হাট করে খুলে রাখেন। কিন্তু এর ফলে বিভিন্ন ফুলের পরাগরেণু বা ধুলোবালি ঢুকে পড়ে অ্যালার্জির সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

৩. বিশেষ কিছু ফল বা সবজি খেলে অ্যালার্জির সমস্যা বেড়ে যায়। মুখে ও গলায় চুলকানি ও অস্বস্তি দেখা দেয়। এসব সবজি বা ফল কাটাকাটি করলে, ধুতে গেলে বা রান্না করতে গেলেও অ্যালার্জির সমস্যা বাড়তে পারে। কোন কোন খাবারে আপনার অ্যালার্জি বেড়ে যায়- এটা জানা থাকলে সেগুলো থেকে দূরে থাকুন।

৪. আপনার পোশাক, শরীর, চুল ও জুতায় লেগে অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী ধুলো-বালি প্রতিনিয়তই ঘরে ঢুকছে। ঘরের পোষা প্রাণীর মাধ্যমেও দিনে বহুবার একই ঘটনা ঘটে। এসব কারণে যতটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ও উপযুক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বাইরে থেকে এসে মাথার চুল ধুয়ে ফেলাটাও জরুরি। নয়তো চুলে লেগে থাকা ধুলাবালি বিছানা-বালিশে লেগে যায়। রাতভর সেই ধুলো লাগা বিছানা-বালিশে ঘুমালে অ্যালার্জির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

৫. অনেকেই অ্যালার্জির সমস্যায় চিকিৎসকের দেওয়া নজেল স্প্রে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই স্প্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলেন না। নজেল স্প্রে'র অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে নাকের ভেতরের অংশে এবং সাইনাসে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। সূত্র: জিনিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় আমড়া


আরও খবর

জীবনশৈলী
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় আমড়া

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

আমড়া মাঝারি আকারের একটি দেশি ফল। টক মিষ্টি স্বাদযুক্ত এই ফলটি শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, গুণেও অনন্য।

আমড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল।বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে কিছু রোগজীবাণু বাতাসে ভেসে বেড়ায়, নোংরা পানিতে বাসা বাঁধে। আমড়ায় থাকা  ভিটামিন সি এমন জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।  

আমড়া দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়াতে ৪৬ দশমিক ৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে। যা দিনের প্রায় ৫০ ভাগ ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে। এটা ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে।

১০০ গ্রাম আমড়াতে ২ দশমিক ৮ গ্রাম আয়রণ থাকে। যা দৈনিক আয়রনের ১৫ থেকে ৩৫ ভাগ পূরণ করে। আয়রণ শরীরের জন্য অত্যন্ত দরকারী একটি উপাদান যা হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সারা শরীরের কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। 

গবেষণায় দেখা গেছে, আমড়াতে প্রাকৃতিক ভাবে এত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যে এটা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।গবেষণা আরও বলছে, আমড়া শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়, ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। আমড়াতে ফাইবার থাকায় এটি কোষ্টকাঠিন্য রোধে বেশ উপকারী। সেই সঙ্গে এটি বদহজম কমাতেও সাহায্য করে। 

সূত্র : হেলদিইটিং


সংশ্লিষ্ট খবর