জীবনশৈলী

গাড়িতে বমি বমি ভাব হলে যা করবেন

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৮

গাড়িতে বমি বমি ভাব হলে যা করবেন

  অনলাইন ডেস্ক

গাড়িতে উঠলে মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায় অনেকের। গা গোলাতে থাকে। বমি বমি ভাব শুরু হয়ে যায়। কেউ কেউ আবার গাড়ি দূর যেতেই বমি করে বসেন। এজন্য বাসযাত্রায় সঙ্গে পলিথিন ব্যাগ রাখেন। 

ভাবছেন, এই সমস্যা কিভাবে কাটিয়ে উঠবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটা সাধারণ নিয়ম মেনে চললে এ সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। 

মানুষের চোখ, অন্তঃকর্ণ ও ত্বক গতি নির্ণয় করতে পারে। শরীরের এই তিনটি অংশকে 'সেন্সরি রিসেপ্টর' বলা হয়। এরা গতির তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। যখন এই ৩ সেন্সরের মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়, তখন মূলত মোশন সিকনেস দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যা যা করবেন, আসুন জেনে নিই-

১. গাড়িতে বসে সামনের দিকে ও যাত্রাপথের গতির বিপরীতে তাকানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

২. পোড়া পেট্রোল ও কালো ধোঁয়ার গন্ধ কাটাতে আপনার পছন্দের এয়ারফ্রেশনার সঙ্গে নিতে পারেন।

৩. চলতি পথে নির্দিষ্ট দূরত্বে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে পারেন।

৪. গাড়ির ভেতর মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার করবেন না।

৫. যাত্রাপথে কম ঝাঁকুনি জন্য সামনের দিকের সিট বেছে নিন।

৬. শরীর গোলাতে শুরু করলে জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়ুন।

৭. বাসে উঠে পছন্দের গান শুনতে পারেন। সূত্র: জিনিউজ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

'মেকআপ শুধুু মেয়েদের জন্য নয়, ছেলেদেরও'


আরও খবর

জীবনশৈলী

শাহীর খান

  অনলাইন ডেস্ক

'আপনি যদি ইনস্টাগ্রামে থাকেন এবং আপনি আমার মতো মেকআপে থাকেন তাহলে সুন্দরের দুনিয়ায় আপনাকে অভিবাদন।' নিজের ইনস্টাগ্রামে এমন বাক্য দিয়েই নিজের দুনিযায় স্বাগতম জানিয়েছেন শহীর খান। নিজের ফলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মেকাপপণ্যের সঙ্গেও পরিচিত করিয়ে দিচ্ছেন তিনি । আবার সেগুলো বিক্রিও করছেন। সম্প্রতি তার সাজ-গোজের খবর জানিয়েছে পাকিস্তানি প্রভাবশালী প্রত্রিকা 'ডন'।

একজন পাকিস্তানি মেকাপ আর্টিস্ট শাহীর খান। মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে পাকিস্তান ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এখন পরিচিত তিনি। সাধারণ মেকাপ আর্টিস্টরা অন্যকে সাজিয়ে থাকেন। শাহীরের  ক্ষেত্রে আবার ব্যতিক্রম।  তিনি নিজেকেই সাজান। পুরুষ হয়েও নারীদের মতো বাহারি প্রসাধনী দিয়ে মেকআপ করেন তিনি। সেই মেকআপের ছবি  পোস্ট করেন ইনস্টগ্রামসহ সোস্যাল মাধ্যমের বিভিন্ন প্লাটফর্মে।  

নিজেকে মেকআপে সাজানো প্রসঙ্গে শাহীর খানের বক্তব্য, 'মেকআপ কেবলমাত্র নারীদের জন্য তাদের শরীরের উপরের আবরণ নয়, এটি মানুষকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য বড় শিল্প এবং একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব।'

পাকিস্তানের কট্টরপন্থী সমাজের ছেলে হয়েও শাহীর খান বড় হয়েছেন নিজের ইচ্ছে মতোই। মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার পথে তেমন বাঁধার মুখোমুখি হতে হয়নি বলেই ইমেজকে জানান শাহীর। 

'ডন'কে দেয়া সাক্ষাৎকারে শাহীর খান বলেন, পাকিস্তানী মেকআপ শিল্পটি সম্প্রতি গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে। আমি-আমার দেশকে সমর্থন করতে চাই এবং আমি আমার জনগণকে সমর্থন করতে চাই এবং আমি তাদের উপর সত্যিই গর্ব করি।


মেকআপ শুধু মেয়েদের জন্য এটা ভুল ধারণা বলে ইমেজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শাহীর খান বলেন, আমি আমার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলবো। সেটা সকল মানুষের জন্যই প্রযোজ্য। এখানে ছেলে মেয়ে বলে কোন কথা নেই। আমি আমাকে সুন্দর করে তুলছি। অন্যের কাছে যে প্রসাধনী বিক্রি করছি সেটা নিজেই আগে ব্যবহার করছি। এটা আমার ব্যক্তিত্ব। আমার দায়িত্ব এটা আমি কীভাবে সাজাবো। পাকিস্তানের অনেকেই এখন আমাকে দেখে তাদেরকেও সাজাচ্ছেন।' 


পরের
খবর

চুলের বৃদ্ধিতে ব্যবহার করুন আলুর রস


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

খাবার হিসেবে সারা বিশ্বে আলুর বিশেষ সমাদর রয়েছে। পুষ্টি গুণে ভরপুর আলু ব্যবহার করা যায় ত্বক এবং চুলের যত্নেও। অনেকেরই হয়তো জানা নেই,আলুর রস চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে বিশেষ কার্যকরী। 

আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, সি, জিঙ্ক, আয়রণ রয়েছে। এটা চুলের বৃদ্ধি ঘটায়। এছাড়া মাথার খুলিতে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। আলুর রস ব্যবহারে চুল হয়ে ওঠে ঝলমলে। 

এমনিতে ভেঙে যাওয়া রুক্ষ চুল সহজে বাড়তে চায় না।  আলুর রস ব্যবহার করে চুলের জৌলুস ফেরানো যায়। আলুর রসের তৈরি হেয়ার প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে চুল যেমন দ্রুত বাড়বে, তেমনি মজবুত হবে চুলের গোড়াও।

 যেভাবে তৈরি করবেন আলুর হেয়ার প্যাক

প্রথমে খোসাসহ  আলুটা  ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ছোট ছোট টুকরা করে আলুটা কাটুন। এবার এগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো ভাবে পিষে নিন। বেশি ঘন হলে সামান্য পানি মিশিয়ে নিন। ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে নিন। এবার চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে মিশ্রণটি লাগান। আধা ঘণ্টা পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।   সূত্র : স্টাইলক্রেজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রক্তশূন্যতা দূর করে মূলা শাক


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

মূলা শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলার চেয়ে এর শাক বেশি উপকারী। এই শাকও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। 

মূলায় যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান আছে তার তুলনায় এর শাকে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ যেমন- আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, ফসফরাস এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' থাকে। 

মূলা শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্টকাঠিন্য কমায়, ভালো রাখে পাকস্থলী

এই শাক আয়রনের জন্য আদর্শ। এটি রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মূলা শাকে থাকা আয়রন এবং ফসফরাস ফ্যাটিগো কমায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

মূলা শাকের জুস প্রাকৃতিকভাবে ইউরিনারি ব্লাডার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। 

মূলা শাকে অবিশ্বাস্য পরিমাণে ভিটামিন 'সি' রয়েছে। এটি স্কার্ভি নামক চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। মূলা শাকে মূলার চেয়ে বেশি এন্টিসারব্যাটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 

গবেষণায় দেখা গেছে, মূলা শাক পাইলসের ব্যথা সারাতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া পাইলসের প্রদাহ সারাতেও এই শাক ভূমিকা রাখে।

মূলা শাক জন্ডিসের চিকিৎসাতেও ভাল কাজ করে। জন্ডিস হলে এই শাকের জুস যদি প্রতিদিন খাওয়া হয় তাহলে উপকার পাওয়া যায়।

হাঁটুর ব্যথা কমাতে মূলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজন্য শাক ভালোভাবে পিষে তাতে সম পরিমাণে চিনি আর সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে তা লাগান। তাহলে হাঁটুর ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে।

ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও মূলা শাক বেশ কার্যকরী । এছাড়া শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও মূলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। সূত্র :  স্টাইলক্রেজ

সংশ্লিষ্ট খবর