জীবনশৈলী

পুষ্টিগুণে ভরপুর ইলিশ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৮

পুষ্টিগুণে ভরপুর ইলিশ

  অনলাইন ডেস্ক

স্বাদ ও গন্ধের জন্য ইলিশ মাছের তুলনা নেই।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু স্বাদে নয় এই মাছটি গুণেও অনন্য।

নানাভাবে ইলিশ রান্না করা যায়। কেউ ভাজা খেতে পছন্দ করেন, কেউ বা রান্না। ইলিশ পোলাও, মালাইকারি, পাতুরি, স্টিমসহ আরও অনেকভাবেই এই মাছটি খাওয়া যায়। 

এ তো গেল স্বাদের কথা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশ পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ১০০ গ্রাম ইলিশে  প্রায় ২১দশমিক ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, নায়সিন, ট্রিপ্টোফ্যান, ভিটামিন, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, খনিজ এসব উপাদান থাকে।। বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের কারণে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে ইলিশ। 

এছাড়া ইলিশ সামুদ্রিক মাছ।অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের মতো ইলিশে সম্পৃক্ত চর্বি কম থাকে। এ কারণে হৃদরোগের জন্য এটি বেশ উপকারী।সেই সঙ্গে শরীরে রক্ত সঞ্চাললের জন্যও এটি কার্যকরী। 

ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকায় ইলিশ রক্ত জমাট বাঁধা বা থ্রম্বসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমায়।

ইলিশ খেলে বাতজনিত ব্যথা কমে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বেশি পরিমাণ সামুদ্রিক খাবার খেলে বাতের ব্যথায় উপকার পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ইলিশ বেশ উপকারী। 

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে মাছ ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে।আরেকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে,ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ খাবার খেলে অবসাদের ঝুঁকি কমে। সেদিক দিয়ে ইলিশ বেশ উপকারী। আলসার, কোলাইটিসের হাত থেকে রক্ষা করে ইলিশে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।

এছাড়া ইলিশ খেলে চোখ ভাল থাকে। ত্বকে থাকে সজীব,তরতাজা। দাঁত এবং হাড়ের পুষ্টিতে ইলিশের জুড়ি মেলা ভার। শিশুদের হাঁপানি প্রতিরোধও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ইলিশ।

গবেষণা বলছে,যারা বেশি পরিমাণে সামুদ্রিক খাবার খায় বয়সকালে তাদের ডিমেনশিয়া কিংবা স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কম। এছাড়া ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ খাবার শিশুদের মনোযোগ বাড়ায়, পড়াশোনার দক্ষতা বৃদ্ধি করে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুব বড় কিংবা ছোট নয় মাঝারি আকৃতির ইলিশই সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর।

সূত্র :জি নিউজ,সানসামাইয়েল

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

গর্ভের শিশুর থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা যেভাবে


আরও খবর

জীবনশৈলী

   ডা. রেজাউল করিম কাজল

থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের জেনেটিক বা জন্মগত রক্তরোগ। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে রক্তের মূল্যবান উপাদান হিমোগ্লোবিন ঠিকমতো তৈরি হয় না। এ রোগের বাহকদের কোনো লক্ষণ থাকে না। কিন্তু রোগাক্রান্ত শিশুদের অন্যের রক্ত নিয়ে বেঁচে থাকতে হয়। অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন থ্যালাসেমিয়া রোগের একমাত্র চিকিৎসা, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সবসময় সফল নয়। তবে মাতৃজঠরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে বাচ্চা থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত না সুস্থ তা নিশ্চিত হয়ে সন্তানের জন্মদানের ব্যবস্থা করা হলে আমরা রোগটি থেকে মুক্তি দিতে পারি।

যেভাবে এই পরীক্ষা করা হয় 

দুইভাবে এই পরীক্ষা করা হয়। একটি অ্যামনিওসেনটেসিস আর একটি করিওনিক ভিলাস স্যাম্পলিং।

অ্যামনিওসেনটেসিস: প্রথমে আলট্রাসনো মেশিনের সাহায্যে জরায়ুর ভেতরে বাচ্চা ও গর্ভফুলের অবস্থান নির্ণয় করা হয়। আলট্রাসনো মেশিনের চলমান ছবি দেখে অত্যন্ত সূক্ষ্ণ একটি সুই বা নিডল মায়ের পেটের ওপর দিয়ে বাচ্চার চারপাশের তরল পদার্থের (অ্যামনিওটিক ফ্লুইড) ব্যাগের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। এবার সিরিঞ্জের সাহয্যে ১৫ থেকে ২০ মিলি. তরল পদার্থ টেনে আনা হয়।

করিওনিক ভিলাস স্যাম্পলিং: আলট্রাসনো মেশিনের চলমান ছবি দেখে সুই বা নিডলের মাধ্যমে গর্ভফুল থেকে সামান্য কিছু কোষকলা নিয়ে আসা হয়। এই পদ্ধতিকে করিওনিক ভিলাস স্যাম্পলিং বলে। এই দুই পদ্ধতির মাধ্যমে সংগ্রহ করা তরল পদার্থ বা গর্ভফুলের কোষকলা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয় ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে গর্ভের বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া রোগ আছে কি-না তা নির্ণয়ের জন্য।

এই পরীক্ষার উপযুক্ত সময় 

মায়ের গর্ভে বাচ্চার বয়স যখন ১১ থেকে ১৪ সপ্তাহ তখন করিওনিক ভিলাস স্যাম্পলিং এবং ১৫ থেকে ১৮ সপ্তাহ তখন অ্যামনিওসেনটেসিস পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বাচ্চার আকার থাকে দেড়-দুই ইঞ্চির মতো।

আলট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষা করে গর্ভে বাচ্চা ও গর্ভফুলের অবস্থান, বাচ্চার বয়স, জরায়ুর গঠন ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন কখন এবং কোন পরীক্ষাটি গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রযোজ্য।

এসব পরীক্ষা পদ্ধতি বেদনাদায়ক কি-না

এসব পরীক্ষায় খুব সামান্য ব্যথা লাগে। একটা ইনজেকশন বা টিকা নিতে যেমন ব্যথা লাগে তেমন। তাছাড়া সুই ঢুকানোর জায়গাটি অনেক সময় অবস করে নেওয়া হয়, যাতে ব্যথা কম লাগে।

এসব পরীক্ষায় কোনো ঝুঁকি রয়েছে কি-না

এ পরীক্ষাগুলো করার কারণে ১০০ থেকে ২০০ জনের মধ্যে একজনের বাচ্চা নষ্ট হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে যিনি এই পরীক্ষাটি করবেন সেই চিকিৎসকের দক্ষতার ওপর। বিরল ক্ষেত্রে যথেষ্ট নমুনা সংগ্রহ না হওয়ার কারণে পরীক্ষাটি পুনরায় করার প্রয়োজন হতে পারে।

পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পন্ন করতে সাবধানতা 

পরীক্ষাটি সম্পন্ন করতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে। পরীক্ষার পর ৩০ মিনিট বিশ্রাম নিয়ে বাসায় যাওয়া যায়। কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ও প্যারাসিটামল জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ খেতে হয়। বাসায় গিয়ে দুই/তিন দিন ভারী কাজ ও দূরের ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হয়। মাসিকের রাস্তায় কোনো প্রকার পানি জাতীয় স্রাব বা রক্ত গেলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে জানাতে হয়।

এসব পরীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা 

এই পরীক্ষার রিপোর্ট প্রায় শতভাগ নির্ভরযোগ্য। তবে মনে রাখতে হবে, যে রোগের কারণে পরীক্ষাটি করানো হচ্ছে অর্থাৎ থ্যালাসেমিয়া নির্ণয়ের জন্য করা হলে কেবল বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া রোগ আছে কি-না তা বোঝা যাবে, অন্য রোগ নয়। ভিন্ন ভিন্ন রোগের জন্য পরীক্ষাও ভিন্ন।

রিপোর্টের জন্য অপেক্ষমাণ সময়

সাধারণত এক সপ্তাহের ভেতর পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

রিপোর্ট বা ফলাফল খারাপ হলে করণীয় কী

পরীক্ষার রিপোর্টে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া রোগ ধরা পড়লে গর্ভবতী মাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি গর্ভাবস্থা চালিয়ে যাবেন কি-না। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তান সংসারে আনতে না চাইলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে চিকিৎসক মায়ের জন্য মঙ্গলজনক পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবেন।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধই উত্তম পন্থা

সচেতনতার অভাবে আমাদের দেশে দিন দিন থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। একটু সচেতন হলেই আমরা এ থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ করতে পারি। সাইপ্রাস, বাহরাইন, ইরান, সৌদি আরব, পাকিস্তানের মতো পৃথিবীর অনেক দেশ বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর বা বাচ্চা নেওয়ার আগে স্বামী-স্ত্রীর থ্যালাসেমিয়া আছে কি-না তা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক আইন করে থ্যালাসেমিয়া রোগকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই জানা যায় কেউ থ্যালাসেমিয়া বাহক কি-না। স্বামী-স্ত্রী দু'জনে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলেই শুধু সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার জন্য ৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস পালন করা হয়। মাতৃজঠরে ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করে থ্যালসেমিয়া নির্ণয় এখন দেশেই হচ্ছে।


লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ইফতারে মিষ্টি...


আরও খবর

জীবনশৈলী
ইফতারে মিষ্টি...

প্রকাশ : ২৩ মে ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

ইফতারে যতই থাকুক বাহারি পদের আয়োজন,শুরুটা সবসময়ই হয় শরবত দিয়ে। আবার তেমনি শেষ পাতে মিষ্টি স্বাদের খাবার না হলে যেন আসে না তৃপ্তি। কেমন হতে পারে শরবত আর মিষ্টির আয়োজন। জানাচ্ছেন রন্ধনশিল্পী শাহনাজ ইসলাম 



শাহি মুতাঞ্জান জর্দা পোলাও

উপকরণ : বাসমতি চাল ২ কাপ, ঘন তরল দুধ ১ কাপ, ঘি ১ কাপ, মাওয়া ১ কাপ, দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ ১টি, এলাচ ৩টি, চিনি ১ কাপ, কাজু ও পেস্তাবাদাম ১ টেবিল চামচ (ঘিয়ে ভাজা), ছোট রসগোল্লা, ছোট কালোজাম মিষ্টি ১ কাপ, মোরব্বা, কিশমিশ, খেজুর আদা কাপ, কমলার রস ৩ টেবিল চামচ, জর্দা রঙ সামান্য। 

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে চাল ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টার মতো। প্যানে পরিমাণ মতো পানি ফুটিয়ে এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা দিন। তারপর ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে আধাসিদ্ধ করুন। নামানোর আগে জর্দা রঙ মিশিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার অন্য একটি প্যানে দুধ, ঘি, চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে সিদ্ধ চাল দিয়ে নাড়তে থাকুন। ঝরঝরে হয়ে এলে কমলা রস দিয়ে নামিয়ে নিন পরিবেশন পাত্রে অর্ধেক জর্দা পোলাও ঢেলে এর ওপর মাওয়া, কিশমিশ, খেজুর, মোরব্বা, বাদাম অর্ধেকটা ছড়িয়ে ওপরে বাকি জর্দা ঢেলে দিয়ে বাকি মাওয়া, কিশমিশ, খেজুর, মোরব্বা, বাদাম, মিষ্টি, ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।


আমের লাচ্ছি 

উপকরণ : আমের রস এক কাপ, দারুচিনি গুঁড়ো আধা চা চামচ, চিনি দুই টেবিল চামচ, দই আধা কাপ, ঠাণ্ডা পানি বা আইস কিউবস আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি :আইস কিউবস বাদে সব একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। স্মুথ হবে। আইস কিউবস মিশিয়ে ১০ সেকেন্ড ব্লেন্ড করলেই হয়ে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।


দুধ দুলারি

উপকরণ : সিদ্ধ রঙিন সেমাই আধা কাপ, ঘন তরল দুধ ১ লিটার, কনডেন্সড মিল্ক্ক ১ কাপ, ফ্রেশ ক্রিম আধা কাপ, মাওয়া আধা কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, স্ট্রবেরি জেলোটিন ১ প্যাকেট, আপেল, আম, আঙ্গুর, চেরি কুচি ১ কাপ, ছোট রসগোল্লা, ছোট কালোজাম ১ কাপ, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ। 

প্রস্তুত প্রণালি : স্ট্রবেরি জেলোটিন গরম পানিতে জ্বাল দিয়ে ফ্রিজে জমিয়ে ডিজাইন করে কেটে নিন। দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন হলে চিনি, পানিতে গুলানো কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। ভালো মতো নেড়ে ঘন হলে নেড়ে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার দুধের মিশ্রণে কনডেন্সড মিল্ক্ক, ফেটানো ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এতে পর্যায়ক্রমে সিদ্ধ সেমাই, ফলকুচি, ছোট রসগোল্লা, ছোট কালোজাম, জেলোটিন, বাদামকুচি, মাওয়া মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন দুধ দুলারি।


বাদাম আমের শরবত 

উপকরণ : কাঠ বাদাম দুই টেবিল চমচ, কাজু বাদাম দুই টেবিল চামচ, পেস্তা বাদাম কুচি এক টেবিল চামচ, আমের রস চার গ্লাস, লবণ এক চিমটি, চিনি প্রয়োজন হলে। 

প্রস্তুত প্রণালি : আমের রসের মধ্যে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে খুব ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে যেন দানা দানা না থাকে। হালকা একটু চিনি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার বাদাম আমের শরবত।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে কমে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি


আরও খবর

জীবনশৈলী

  অনলাইন ডেস্ক

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। চীনে নয় বছর ধরে ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী প্রায় ৫ লাখ মানুষের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়। সম্প্রতি ব্রিটিশ 'জার্নাল হার্টে' ওই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়।

এতে বলা হয়েছে, প্রতিদিন ডিম খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি ১৮ শতাংশ এবং স্ট্রোকে মারা যাওয়ার ঝুঁকি ২৮ শতাংশ কমে যায়।

আজকাল প্রায় সব চিকিৎসকই স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় প্রতিদিন ডিম রাখতে বলেন। কারণ এতে প্রচুর প্রোটিন, ভিটামিন এ,ডি,বি এবং বি ১২ আছে। এছাড়া ডিমে থাকা পুষ্টি উপাদান চোখের ক্ষতি রোধ করে। 

দিনে কতগুলি ডিম খাওয়া যায় এ নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন আছে। এ ব্যাপারে ব্রিটিশ ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের চিকিৎসক ডা. ফ্রাঙ্কি ফিলিপ বলেন, প্রতিদিন একটা বা দুটি ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। 

ডিমে কোলেষ্টেরল থাকায় এটি হৃদরোগের জন্য ক্ষতিকর- এমন অনেক কথা প্রচলিত আছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন থাকায় এটি হৃদরোগের জন্য উপকারী। গবেষকরা বলছেন, গবেষণায় দেখা গেছে, সহনীয় মাত্রায় অর্থাৎ প্রতিদিন একটি বা দুটি করে ডিম খেলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। 

এছাড়া ডিমে প্রোটিন এবং নয় ধরনের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। সেই সঙ্গে এতে লুটেইন নামের এক ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকে; যা বয়সকালে মস্তিষ্ক ভালো রাখে। সূত্র : বিবিসি ও হিন্দুস্তান টাইমস

সংশ্লিষ্ট খবর