আইন ও বিচার

ব্যারিস্টার মইনুলের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ব্যারিস্টার মইনুলের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

মানহানির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রংপুর কারা কর্তৃপক্ষ ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগামী ১১ নভেম্বরের মধ্যে এই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। এ ছাড়া অপর এক আদেশে মইনুলকে রংপুর থেকে অন্য কোনো জেলায় স্থানান্তরের সময় যথাযথ নিরাপত্তা দিতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে মইনুল হোসেনের পক্ষে করা আবেদনের শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।

গত ১০ নভেম্বর বিশেষায়িত হাসপাতালে ব্যারিস্টার মইনুলের চিকিৎসা এবং রংপুর আদালতে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি রিট করা হয়। মইনুলের স্ত্রী সাজু হোসেন রিটগুলো দায়ের করেন। এর পর বৃহস্পতিবার ওই দুটি রিটের শুনানি নিয়ে পৃথক আদেশ দেন হাইকোর্ট।

গত ১৬ অক্টোবর রাতে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এক নারী সাংবাদিককে 'চরিত্রহীন' বলে মন্তব্য করেন। পরে ওই মন্তব্য নারী সমাজের জন্য অবমাননার অভিযোগ এনে দেশের বিভিন্ন জেলায় মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এর মধ্যে রংপুরের একটি মামলায় গত ২২ অক্টোবর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি বর্তমানে রংপুর কারাগারে আছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

খালেদা জিয়ার পায়ে ফোঁড়া


আরও খবর

আইন ও বিচার
খালেদা জিয়ার পায়ে ফোঁড়া

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

খালেদা জিয়া -ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

পরোয়ানা থাকার পরও পায়ে ফোঁড়া ওঠায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বুধবার কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে পিছিয়ে গেছে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির শুনানির দিন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির নতুন দিন ঠিক করা হয়েছে ২৪ জানুয়ারি। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার বুধবার এই দিন ঠিক করেন।

বুধবার ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেনের আদালতে এই শুনানির দিন ছিল। এই শুনানিতে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে গত ১০ জানুয়ারি প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেছিলেন একই বিচারক।

বুধবার খালেদাকে হাজির করতে না পারার কারণ হিসেবে ‘তার অসুস্থতা’ দেখিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের বলেন, মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন। তাকে আজ হাজির করতে পারিনি। তার অনুপস্থিতিতে অন্যান্য আসামিদের পক্ষে শুনানি শুরু করার আবেদন জানিয়েছিলাম। শুনেছি তার (খালেদা জিয়া) পায়ে ফোঁড়া উঠেছে, এজন্য তিনি আসেননি।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনকে আসামি করে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা করে দুদক। ২০০৮ সালের ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ঢাকা উত্তরের উপ-নির্বাচনে 'বাধা কাটল'


আরও খবর

আইন ও বিচার

  সমকাল প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচন ও নতুন করে যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর নির্বাচন নিয়ে করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

হাইকোর্টের এ আদেশের ফলে ওই নির্বাচনের ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ উঠে গেল এবং ভোটগ্রহণে আর কোনও বাধা থাকছে না।

আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে থাকা আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী কাজী মাইনুল হাসান জানান, রিট আবেদনকারীর আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আদালত রুল খারিজ করে দিয়েছেন।

রিটকারীর আইনজীবী না আসায় বুধবার হাইকোর্ট রুল খারিজের আদেশ দিলেও রিটকারীপক্ষ আবারও রুল শুনানির আবেদন করতে পারবে, আদালত তা গ্রহণ করলে আবার শুনানি হবে।

মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য পদ পূরণে গত বছরের ৯ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। একই দিনে উত্তর ও দক্ষিণের নতুন ৩৬ ওয়ার্ডের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের কথা ছিল।

তবে ১৭ জানুয়ারি বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পৃথক রিটের শুনানির পর রুলসহ তফসিল ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। ওই নির্বাচনের তফসিল কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে একটি রুলও জারি করা হয়।

এরপর স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন আপিল করলে হাইকোর্টের দেওয়া রুল দ্রুত নিষ্পত্তির আদেশ দেন আপিল বিভাগ। পরে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়। বুধবার এ বিষয়ে শুনানি হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

জুলহাজ ও তনয় হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন গ্রেফতার


আরও খবর

আইন ও বিচার

জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব তনয়- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর কলাবাগানে ইউএসএইড কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব তনয়কে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছ। 

মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে আসাদুল্লাহ (২৫) নামের ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল কলাবাগানের উত্তর ধানমণ্ডির ৩৫ নম্বর বাসায় ঢুকে জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সমকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতেন তারা।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির খালাত ভাই জুলহাজ (৩৫) সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার প্রটোকল কর্মকর্তা ছিলেন। পরে তিনি যোগ দেন উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএইডে। এছাড়া তিনি ‘রূপবান’ নামে একটি সাময়িকীর সম্পাদনায় যুক্ত ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছ, এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছিল আনসার আল-ইসলামের (সাবেক আনসারুল্লাহ বাংলা টিম-এবিটি) পাঁচ দুর্ধর্ষ জঙ্গি। তাদের প্রশিক্ষণ, অর্থ, অস্ত্রদাতাসহ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল এবিটির ১২ সদস্য।

দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব তনয় হত্যার আগে বড় ধরনের সাংগঠনিক ফান্ড গড়ে তোলে এবিটি। এর নেতৃত্বে ছিল মেজর (বরখাস্ত) জিয়া। হত্যা মিশনের আগে রাজধানীর একটি বাসায় বৈঠক করে এবিটি টার্গেট লিস্ট তৈরি করেছিল তাদের।

সংশ্লিষ্ট খবর