আইন ও বিচার

পুলিশ সুপার হলেন ২৩০ কর্মকর্তা

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

পুলিশ সুপার হলেন ২৩০ কর্মকর্তা

  সমকাল প্রতিবেদক

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৩০ কর্মকর্তাকে পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়। 

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রেফতার


আরও খবর

আইন ও বিচার

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে সমকালকে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এডিসি মো. শাহজাহান।

তিনি জানান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে ইষ্কাটনের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ছিল।

সম্পদের হিসাব জমা না দেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় এর আগে দুপুরে রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত রফিকুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ পায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। ২০০১ সালের ৭ এপ্রিল দুর্নীতি দমন ব্যুরো ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে।

ওই বছরের ১০ জুনের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার পর ওই বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ১৪ নভেম্বর রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।

পরের
খবর

বিএনপি নেতা রফিকুলের ৩ বছরের কারাদণ্ড


আরও খবর

আইন ও বিচার

আদালতে রফিকুল ইসলাম মিয়া -ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

সম্পদের হিসাব জমা না দেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত রফিকুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ পায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। ২০০১ সালের ৭ এপ্রিল দুর্নীতি দমন ব্যুরো ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ জারি করে। ওই বছরের ১০ জুনের মধ্যে বিবরণী দাখিল করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর ওই বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ১৪ নভেম্বর রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করলেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সাত খুন মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ


আরও খবর

আইন ও বিচার

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে পূর্ণাঙ্গ এ রায় প্রকাশিত হয়। 

এর আগে এ মামলায় ১৫ আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে সই করেন দুই বিচারপতি। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রায় সাড়ে ৮০০ পৃষ্ঠার রায় লেখার  কাজ শেষে গত বৃহস্পতিবার রায়ের কপিতে সই করেন বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মো. মোস্তফা জামান ইসলাম।

গত ২২ আগস্ট সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। বাকি ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নূর হোসেন, র‌্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, সাবেক কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (চাকরিচ্যুত) এম মাসুদ রানা, হাবিলদার মো. এমদাদুল হক, এ বি মো. আরিফ হোসেন, ল্যান্স নায়েক হিরা মিয়া, ল্যান্স নায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহি আবু তৈয়ব আলী, কনস্টেবল মো. শিহাব উদ্দিন, এসআই পূর্ণেন্দু বালা, সৈনিক আবদুল আলিম, সৈনিক মহিউদ্দিন মুনশি, সৈনিক আল আমিন, সৈনিক তাজুল ইসলাম।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সৈনিক আসাদুজ্জামান নুর, সার্জেন্ট এনামুল কবির, নূর হোসেনের সহযোগী আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান, রহম আলী, আবুল বাশার, মোর্তুজা জামান, সেলিম, সানাউল্লাহ, শাহজাহান ও জামালউদ্দিন।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যায় ডুবিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সারা দেশে আলোচনার ঝড় উঠে।

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, এই চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিরা যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তাতে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। আর্থিক লেনদেন হয়েছে নূর হোসেনের সঙ্গে। নূর হোসেন হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। তার সঙ্গে ছিলেন তারেক সাঈদ, আরিফ ও মাসুদ রানা।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, কিছু উশৃঙ্খল র‌্যাব সদস্যের কারণে এ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল অর্জন ম্লান হতে পারে না। কিন্তু এ ঘটনায় বাহিনীর কতিপয় সদস্যের শয়তানি প্রবৃত্তি মানবসভ্যতার মধ্যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। যে সাতজনকে হত্যা করা হয়েছে, আসামিদের হেফাজতে তাদের মৃত্যুযন্ত্রণা ছিল ভয়াবহ ও অকল্পনীয়। র‌্যাব সদস্যরা এতটাই নির্দয় ছিলেন যে, তাদের হত্যার পর তলপেট ছুরি দিয়ে কেটে মরদেহ বস্তাবন্দি করা হয়। প্রতিটি বস্তার সঙ্গে ১০টি ইট বেঁধে দেওয়া হয়, যাতে লাশ নদীর পানিতে তলিয়ে যায়। এ নৃশংসতায় প্রতীয়মান হয়, তারা কতটা নির্দয় ছিলেন।

২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন পাঁচ বাহিনীর সাবেক ১৬ কর্মকর্তা, সদস্যসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর