খুলনা

আসলে কোন থানায় ঘটেছে বাস ডাকাতির ঘটনা?

প্রকাশ : ০৯ আগষ্ট ২০১৯ | আপডেট : ০৯ আগষ্ট ২০১৯

আসলে কোন থানায় ঘটেছে বাস ডাকাতির ঘটনা?

ছবি: গুগল

  খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কের খোকসায় গাছ ফেলে গতিরোধ করে কয়েকটি বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত চারটার দিকে শিমুলিয়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে। যাত্রীদের অভিযোগ- ডাকাতির সময় পুলিশ মাত্র ১শ' গজ দূরে থেকেও তাদের আটক না করে স্থান নিয়ে অন্য থানার পুলিশের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে।

বাসের যাত্রী ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে শিমুলিয়া গ্রামের মধ্যে সড়কের পাশের থেকে দু’টি আম গাছ কেটে সড়কে ফেলে রাখে ডাকাতদল। এসময় রাজধানীসহ অন্যান্য স্থান থেকে ছেড়ে আসা বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেল ঘটনাস্থলে গিয়ে থামলে ডাকাতরা হামলা করে কয়েকটি বাসের যাত্রীদের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এ সময় যাত্রীরা চিৎকার করলে আলম নামের এক যাত্রীসহ কমপক্ষে ৩ জন যাত্রীকে ডাকাতরা মেরে রক্তাক্ত করে। পরে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যেই খোকসা ও পাংশা থানার টহল পুলিশের দু’টি দল ঘটনাস্থলে পৌছায়। তখন যাত্রী ও গ্রামবাসীরা ডাকাতদের আটকের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করে। কিন্তু দুই থানার পুলিশ যাত্রীদের সহযোগীতা না করে নিজেরা ডাকাতির স্থান নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।

ডাকাতদের হামলায় আহত যাত্রী মাহাবুবুল আলম অভিযোগ করে বলেন, 'খোকসা থানা পুলিশের টহল দলটি ডাকাতির স্থান থেকে মাত্র ১’শ গজ দূরে শিমুলিয়া আদিবাসী পল্লীর ব্রিজের উপর ছিল। ঘটনার এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌচ্ছায়, কিন্তু তারা ডাকাতদের আটকানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।'

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম মেহেদী মাসুদ ডাকাতির ঘটনা স্বীকার করেছেন। তবে ডাকাতির ঘটনাটি পাংশা থানার মধ্যে ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ওসি জানান, ডাকাতি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে খোকসা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছায়। তারা পাংশা থানা পুলিশকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে পাংশা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার মিয়া সমকালকে বলেন, 'বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে সেটি ঘটেছে খোকসা উপজেলার মধ্যে। ঘটনাস্থলে পাংশা থানা পুলিশ গিয়েছিল।'

মন্তব্য


অন্যান্য