খুলনা

লোহাগড়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০১৯

লোহাগড়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

  লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। 

এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের রায়গ্রামের হিরু বিশ্বাসের মেয়ে এবং আর.কে.কে. জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী নূপুর খানম ছয়দিন আগে নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে রোববার সন্ধ্যার পর পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে লোহাগড়া হাসপাতালে এসে নুপুরের লাশ দেখতে পায়। 

তার পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন, ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের ওবায়দুর রহমান মানিকের ছেলে রবিউল ইসলাম রুবেল ও নলদীর জালালসী গ্রামের চান সরদারের ছেলে আজাদ সরদার নূপুরকে বাড়ির পাশ থেকে অপহরণ করে লোহাগড়ার পোদ্দারপাড়া গ্রামে মিনি বেগম নামে এক নারীর বাসায় আটকে রাখে। চার-পাঁচদিন ধরে গণধর্ষণ করে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। মিনি বেগম বাসায় ফিরে নূপুরকে ঝুলতে দেখে লোহাগড়া হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নূপুরের চাচা বাচ্চু বিশ্বাস এ হত্যার সঙ্গে মিনি বেগমও সম্পৃক্ত বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে মিনি বেগম বলেন, ৫/৬ দিন আগে নূপুর আমার বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। রোববার সন্ধ্যায় অসুস্থ অবস্থায় নূপুরকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। 

লোহাগড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, হাসাপাতালে আনার অনেক আগেই নূপুরের মৃত্যু হয়েছে। 

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোকাররম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মন্তব্য


অন্যান্য