খুলনা

চুয়াডাঙ্গায় 'বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী' নিহত

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

চুয়াডাঙ্গায় 'বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী' নিহত

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' পাপ্পু হোসেন (৩০) নামের মাদক মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার উজলপুর মাঠে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত পাপ্পু হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়ীয়া গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, রাতে উজলপুর এলাকায় পুলিশের একটি দল টহল দিচ্ছিল। এ সময় একদল মাদক ব্যবসায়ী তাদের দিকে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। এরপর সেখানে পাপ্পুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি, চারটি হাতবোমা ও একবস্তা ফেনসিডিলি উদ্ধার করা হয়েছে। পাপ্পুর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা থানায় মাদক চোরাচালান ও অস্ত্র আইনের ছয়টি মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

খুলনার পাঁচটি সড়ক সংস্কারে অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক


আরও খবর

খুলনা

  খুলনা ব্যুরো

খুলনা মহানগরীর কেডিএ এভিনিউসহ গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি সড়ক সংস্কার ও ড্রেন পুনর্নির্মাণের জন্য ৩৬ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (বিএমডিএফ) মাধ্যমে এই অর্থ ছাড় করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এসব কাজের জন্য দরপত্র তৈরি করা হয়েছে। 

দু-এক দিনের মধ্যেই ই-জিপিতে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আগামী মার্চের মধ্যেই সড়কগুলোর কাজ শুরু হবে।

খুলনা সিটি করপোরেশন-কেসিসি সূত্র জানিয়েছে, খুলনার বিভিন্ন অবকাঠামো ও সড়ক সংস্কারে অর্থায়নের জন্য ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে কেসিসির আলোচনা চলছিল। খুলনায় দুটি বড় বাজার নির্মাণ ও সড়ক সংস্কারের অর্থায়নে সম্মত হয় সংস্থাটি। কিন্তু সব প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগে ৫ বছর। তবে এখন প্রথম পর্যায়ে ৫টি সড়ক মেরামতে ৩৬ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছে সংস্থাটি। এ নিয়ে দরপত্রও আহ্বান করতে বলেছে তারা।

কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী লিয়াকত আলী খান জানান, পাঁচ বছর ধরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের প্রক্রিয়াটি ঝুলে ছিল। বর্তমান মেয়র দায়িত্ব নেওয়ার পর এই কাজে গতি আসে। প্রথম পর্যায়ের পাঁচটি সড়কের কাজ শুরু হচ্ছে। দুটি প্যাকেজের আওতায় এসব কাজের দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। 

একটি প্যাকেজে মহেশ্বরপাশা মেইন রোড, খালিশপুর ১৮ নম্বর সড়ক ও চরেরহাট মেইন রোড সংস্কার ও সেখানকার ড্রেনগুলো পুনর্নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি সড়কগুলোর ফুটপাতও ঠিক করা হবে। এই প্যাকেজে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

দ্বিতীয় প্যাকেজের আওতায় কেডিএ এভিনিউ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের আবু আহমেদ সড়ক সংস্কার ও ড্রেন পুনর্নির্মাণ করা হবে। এতে খরচ হবে ১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এই কাজ তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান।

প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান জানান, এই প্যাকেজের আওতায় শিববাড়ি মোড় থেকে রয়েল মোড় পর্যন্ত কেডিএ এভিনিউয়ের দু'পাশে ১ মিটার চওড়া ড্রেন ও ফুটপাত পুনর্নির্মাণ এবং ১ হাজার ৮৬৬ মিটার দীর্ঘ সড়কটি সংস্কার করা হবে। এ ছাড়া ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের আবু আহমেদ সড়ক সংস্কার এবং ড্রেন ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হবে। দু-এক দিনের মধ্যেই দরপত্র আহ্বান করা হবে।

বিএমডিএফের প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা কেসিসির সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসেন জানান, এই ৫টি সড়কের কাজ শুরু হলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য প্রকল্পের কাজও শুরু হবে। এ ছাড়া নগরীর খালিশপুর চিত্রালী বাজারে একটি এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের শেখপাড়া কাঁচাবাজারে আরেকটি বহুতল বাজার নির্মাণের জন্যও বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করবে। 

এ ছাড়া আরও কিছু সড়ক সংস্কারের জন্য তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

পরের
খবর

মাগুরায় তিন হাজার শিক্ষকের অংশগ্রহণে বই পড়া উৎসব


আরও খবর

খুলনা

ছবি: সমকাল

  মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার ৫০৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা অংশগ্রহণে বই পড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার জেলার ২১টি স্থানে দিনব্যাপী একযোগে এ উৎসব হয়। 

সকাল সাড়ে ১০টায় মাগুরা শহরের ২ নং মডেল সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানিকভাবে এ বই পড়া উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুমারেশ চন্দ্র গাছি। এ সময় তিনি বলেন, শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের যে বই পড়াবেন, তা আগে থেকেই পড়া থাকলে পাঠদানের মান অনেক বৃদ্ধি পাবে। তাই শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন হাজার শিক্ষকদের ২১টি স্থানে একই সময়ে এ বই পড়া উৎসবে অংশ নিয়েছেন।

শিক্ষক আব্দুর রাকিব বলেন, এ পাঠ গ্রহণের ফলে আমরা উপকৃত হয়েছি। এতে করে আমরা আরও সহজে ও সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে পারব।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নড়াইলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত


আরও খবর

খুলনা

  নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল পৌরসভার কাড়ারবিল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুম্মান হোসেন রোমিও (২৮) নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়নের মুধুরগাতি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।

নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে একদল সন্ত্রাসী নড়াইল সদরের কাড়ারবিল এলাকায় অবস্থান করছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ একজনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে আনলে চিকিসৎক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য সোহাগ, মফিজুল ও নাজমুল আহত হন। তাদের নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।' 

পুলিশের দাবি, রুম্মান হোসেন রোমিও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতিসহ নড়াইল, যশোর ও অভয়নগর থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর