খুলনা

মেহেরপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

মেহেরপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

  মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী এনামুল হক এনা (৪২) নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্য রাতে সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর বটতলা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ বলছে, নিহত এনামুল হক এনা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তারা বিরুদ্ধে মেহেরপুর থানাসহ তিন থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। 

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ৬৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। নিহত এনামুল হক এনা সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের মৃত তোয়াজ আলীর ছেলে। 

‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডিবি পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন- এএসআই ইব্রাহিম, কনস্টেবল সোহাগ মিয়া ও মাসুদ হাসান। আহতদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।  

মেহেরপুর ডিবি পুলিশের ওসি ওবাইদুর রহমান বলেন, সোমবার রাত আড়াইটার দিকে খবর পাই সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর বটতলা মোড়ে একদল মাদক ব্যাবসায়ী অবস্থান করছে। ডিবির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাদক ব্যাবসায়ীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এক পর্ষায়ে ডিবি পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ে। দু’পক্ষের মধ্যে ১০ মিনিট ধরে গোলাগুলি চলে। পরে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী এনামুল হক এনাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

খুলনায় মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী


আরও খবর

খুলনা

মশা নিধনের দাবিতে সোমবার নগরীতে মানববন্ধন করেছে জনউদ্যোগ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন- সমকাল

  খুলনা ব্যুরো

খুলনা মহানগরীতে মশার উপদ্রব প্রকট আকার ধারণ করেছে। দুই সপ্তাহ ধরে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নগরবাসী। কিন্তু মশা নিধনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না খুলনা সিটি করপোরেশনকে (কেসিসি)। এ নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে নগরবাসীর। 

এ অবস্থায় মশা নিধনের দাবিতে সোমবার নগরীতে মানববন্ধন করেছে জনউদ্যোগ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

স্থানীয় লোকজন জানান, শীত মৌসুম শেষ হওয়ার পর থেকে নগরীতে মশার উপদ্রব বাড়তে থাকে। এক সপ্তাহ ধরে মশার উপদ্রব অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ মশার প্রজনন মৌসুম বলে জানায় সিটি করপোরেশন। মশা এ সময় দ্রুত বংশবিস্তার করে। কিন্তু সঠিক সময়ে মশার প্রজনন রোধ করতে না পারায় নগরীতে মশার উপদ্রব বেড়েছে।

নগরীর টি বি বাউন্ডারি রোডের বাসিন্দা সেলিম মোড়ল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দিনের বেলা মশার উপদ্রব কিছুটা কম থাকলেও সন্ধ্যার পর মশার যন্ত্রণা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে। গত এক-দেড় মাসে একবারও সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

দোলখোলা এলাকার বাসিন্দা গৃহিণী বিউটি রায় বলেন, মশার কারণে রাতে তার দুই ছেলেমেয়ের লেখাপড়া বিঘ্নিত হচ্ছে। তার ছেলের শ্বাসকষ্ট সমস্যা রয়েছে। ফলে মশার কয়েল জ্বালাতে পারেন না। নগরীর টুটপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী সৈকত আহমেদ বলেন, রাতে খাওয়ার সময়ও মশার কয়েল জ্বালাতে হয়। তখন মশা মরে খাবারের মধ্যে পড়ে। মশা নিয়ে খুবই বিপাকে আছি।

এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনার সম্পাদক অ্যাডভোকেট কুদরত ই খুদা সমকালকে বলেন, প্রতিবছর শীত মৌসুমের শেষে নগরীতে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। বিষয়টি কেসিসি কর্তৃপক্ষের জানা। কিন্তু এবার এখনও মশা নিধনে কেসিসির কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ফলে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

তবে মশা নিধন কার্যক্রম থেমে নেই বলে দাবি কেসিসি কর্তৃপক্ষের। কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ সমকালকে বলেন, মশার প্রজনন ঠেকাতে ১৮ মার্চ থেকে নগরীর ড্রেনগুলোতে কালো তেল ছিটানো শুরু হয়েছে। ফগার মেশিন দিয়ে উড়ন্ত মশা মারতে লার্ভিসাইড ওষুধ কেনার জন্য শিগগির টেন্ডার আহ্বান করা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ওয়ার্ল্ড ভিশন কার্যালয়ে ২৩ মোটরসাইকেল ও ১ মাইক্রো পুড়ে ছাই


আরও খবর

খুলনা

শ্যামনগরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ফিল্ড অফিসে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে -সমকাল

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ফিল্ড অফিসে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি মাইক্রোবাস, ২৩টি পালসার মোটরসাইকেল ও হেলমেট, ৬টি বাইসাইকেল, দুটি এসি ও আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

রোববার রাত ২টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার ফুলতলায় এই ঘটনা ঘটে। 

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের শ্যামনগর এরিয়া প্রধান রবার্টসন নিরাপত্তা কর্মীদের বরাত দিয়ে বলেন, রাত দুইটার দিকে হঠাৎ স্পার্কের শব্দ শুনতে পায় তারা। পরে বিকট শব্দ হয়। কিন্তু কিভাবে এ ঘটনা ঘটলো কেউই নিশ্চিত নয়, তখন বিদ্যুৎও ছিল না। তাৎক্ষণিক  ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

তিনি আরও বলেন, এতে প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন একটি টিম আসছে। তারাই ঘটনাটি তদন্ত করবে। 

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

গাংনীতে 'মাদক কারবারিদের গোলাগুলিতে' নিহত ১


আরও খবর

খুলনা

  মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর গাংনী উপজেলায় 'মাদক কারবারিদের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে' একজন নিহত হয়েছে।

সোমবার ভোররাতে উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে জানিয়ে পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, ১ কেজি গাঁজা ও ২০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত বুদু আলী (৩০) উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের প্রয়াত জোয়াদ আলীর ছেলে।

ওই এলাকার পিরতলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অজয় কুমার কুণ্ডু জানান, হাঁড়াভাঙ্গা ঈদগাপাড়া এলাকায় দু’দল মাদক ব্যাবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে— এমন খবরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বুদুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থা পাওয়া যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি ওয়ান শুটারগান, ১ কেজি গাঁজা ও ২০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার জানান, গোলাগুলির খবর পেয়ে পীরতলা পুলিশ ক্যাম্পের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বুদুকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। বুদুর বিরুদ্ধে গাংনী থানায় বেশ কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর