আন্তর্জাতিক

মাঝপথেই আটকে দেওয়া হলো প্রিয়াঙ্কাকে

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০১৯ | আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯

মাঝপথেই আটকে দেওয়া হলো প্রিয়াঙ্কাকে

নেতাকর্মীদের নিয়ে রাস্তাতেই বসে পড়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের উত্তরপ্রদেশে গুলিতে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র। তবে মাঝপথেই আটকে দেওয়া হলো তাকে। খবর এনডিটিভির।

উত্তরপ্রদেশের জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে গুলিতে নিহত ১০ জনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাকে আটকে দেওয়া হয়। 

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা শোনা যায় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের মুখে। 

প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করেন, রাজ্যে ক্রমশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। 

শুক্রবার সোনভদ্রায় যাওয়ার পথে তাকে আটকে দেওয়া হলে মির্জাপুরের রাস্তাতেই বসে পড়তে দেখা যায় পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেত্রীকে। 

এসময় প্রিয়াঙ্কার পাশেই বসে পড়েন তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেস কর্মীরা। তাদের ঘিরে থাকেন প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন,আমি শুধু যাদের নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলাম। আমার ছেলের বয়সী একটি ছেলেকেও গুলি করা হয়েছে এবং সে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আমায় বলুন কোন আইনে আমাকে এভাবে আটকে দেওয়া হলো। 

প্রিয়াঙ্কার ওই এলাকায় পৌঁছনোর আগেই জানা যায়, সোনভদরায় যে কোনো জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

তিনি দাবি করেন, তাকে বলা হয়েছে যে তিনি গাড়ি করে বারানসি থেকে সোনভদ্রা যেতে পারবেন না। 

প্রিয়াঙ্কা বলেন, আমি এখানেই শান্তিপূর্ণ অবস্থানে বসেছি, কেউ আমায় ওই নির্দেশ দেখাক।

সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারানসিতে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা। সেখান থেকে তিনি সোনভদরা কাণ্ডে আহতদের দেখতে স্থানীয় হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।

বুধবার উত্তরপ্রদেশের সোনভদরায় গুজ্জর এবং গোন্ড সম্প্রদায়ের মধ্যে জমি নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ১০ জনের এবং আরও ২৪ জন গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রামপ্রধান যগদূত, তার ভাইয়েরা এবং আরও কয়েকজনসহ মোট ৭৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।


মন্তব্য


অন্যান্য