আন্তর্জাতিক

খামেনির ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০১৯ | আপডেট : ২৫ জুন ২০১৯

খামেনির ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

ডোনাল্ড ট্রাম্প-আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

  অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন ড্রোনকে ভূপাতিত করাসহ আরও অনেক কারণে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ‘সরকার শত্রুতামূলক আচরণ করছে’ দাবি করে এর জন্য খামেনিকে দায়ী করেন তিনি।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খামেনির পাশাপাশি ইরানের নৌবাহিনী, এয়ারোস্পেস ও ইসলামিক রেভোলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) আট জ্যেষ্ঠ কমান্ডারের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। 

ট্রাম্প বলেছেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে সবোর্চ্চ নেতা ও সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর এবং তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্টরা ও তাদের দপ্তরগুলো প্রধান আর্থিক উৎস ও সমর্থন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

দুই দেশের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরেই চরম উত্তেজনা চলছে। এর মধ্যেই ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলেন। এর ফলে ইরানের শত শত কোটি ডলারের সম্পদ আটকা পড়বে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মনুচিন।

পরমাণু চুক্তি নিয়ে মতানৈক্যের পর ইরানের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে উগসাগরীয় এলাকায় বিমানবাহী রণতরী ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ যুদ্ধ সরঞ্জাম মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। আরব উপসাগরে দুটি ট্যাংকার বিস্ফোরণের ঘটনায় ইরানকে দায়ী করেন ট্রাম্প।

এরইমধ্যে গত বৃহস্পতিবার সকালে ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন ড্রোন প্রবেশ করলে সেটিকে ভূপাতিত করে দেশটি। 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আন্তর্জাতিক আকাশসীমার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ড্রোনটিকে ভূপাতিত করে ইরান। এরই জেরে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে পরমাণু নিয়ন্ত্রণবিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। 

কিন্তু গত বছর ইউরোপীয় মিত্রদের বাধা সত্ত্বেও ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে ইরানের ওপর তেল রফতানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সেখান থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।


মন্তব্য


অন্যান্য