আন্তর্জাতিক

ভেনিজুয়েলায় নির্বাচন আয়োজনে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ভেনিজুয়েলায় নির্বাচন আয়োজনে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো— ফাইল ছবি/এএফপি

  অনলাইন ডেস্ক

ভেনিজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি চরম আর্থিক সংকটে পড়া দেশটিতে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সরবরাহেরও আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া প্রস্তাবে নির্বাচনের কোনো দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়নি।

এদিকে রাশিয়া নিকোলাস মাদুরোর সরকারকে তার সমর্থনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রর প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছে, 'ভেনিজুয়েলায় একমাত্র গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় পরিষদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।'

ভেনিজুয়েলার জাতীয় পরিষদের চেয়ারম্যান জুয়ান গুয়েইদো নিজেকে ভেনিজুয়েরার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন।

খসড়া প্রস্তাবে ভেনিজুয়েলার নিরস্ত্র মানুষের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নিরাপত্তাবাহিনীর সহিংস হামলা ও দমনপীড়নের ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে ভেনিজুয়েলায় সংবিধানের সঙ্গে সংগতি রেখে ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অবিলম্বে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে এ ধরনের একটি নির্বাচন আয়োজনে তার সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার মস্কো এর বিকল্প একটি প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা। রাশিয়ার প্রস্তাবে ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করা হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: এনডিটিভি

  অনলাইন ডেস্ক

শপিংমলে প্রায়ই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য পণ্যের ওপর মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ভারতের তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদের একটি শপিংমলে ছাড়ে শাড়ি কিনতে গিয়ে সেখানে ঘটেছে রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড!

এনডিটিভি জানায়, হায়দরাবাদের সিএমআর নামক একটি শপিং মলে ১০ টাকায় শাড়ি বিক্রি হচ্ছে এমন খবর শুনে ওই মলে ভিড় জমায় নারীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভির এমন পর্যায়ে ঠেকে যে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। 

জানা যায়, আচমকা ৪০০ জন নারী ওই মলে ঢুকে পড়লে  সেখানে অপ্রিতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি  শুরু হয়। এ ঘটনায় আহত হন অনেকে। এই্ অপ্রিতকর মুহূর্তের ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

এক নারী জানান, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেখানে আসা নারীদের অনেক মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে চোরেরা। 

পুলিশ জানায়, হঠাৎ করে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়ে যায়, সেই সময়ই এক মহিলা পড়ে যান। বাকি নারীরা ছুটে গিয়ে ওই দোকানের শাটার ভেঙে দেন। তিনজন মহিলা আহত হন। মলের অন্যান্য দোকানের কর্মীরাও এমন ঘটনা আশা করেননি।

স্থানীয় পুলিশ এ ঘটনায় ওই মলের ম্যানেজারকে আটক করেছে।

পরের
খবর

ট্রাম্পের জরুরি আইনের বিরুদ্ধে ১৬ অঙ্গরাজ্যের মামলা


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জরুরি আইন জারিকে অসাংবিধানিক হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে তা বাতিল দাবিতে১৬ অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় সোমবার ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দার্ণ ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল কোর্টে করা এই মামলায় বাদী হয়েছেন নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, কলরাডো, কানেকটিকাট, দেলওয়ারে, হাওয়াই, ইলিনয়, মেইন, ম্যারিল্যান্ড, মিনেসোটা, নেভাদা, নিউজার্সি, নিউ মেক্সিকো, ওরেগণ, ভার্জিনিয়া এবং মিশিগান। সবকটি অঙ্গরাজ্যই ডেমক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে।

উল্লেখ্য, মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে উঁচু দেয়াল নির্মাণের জন্যে ৫.৭ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু কংগ্রেস সে অর্থ না দেয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প গত শুক্রবার জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। ট্রাম্পের ধারণা এই জরুরি আইনের পর দেয়াল নির্মাণের অর্থ বরাদ্দে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, দেয়াল নির্মাণে কংগ্রেসের অনুমতি লাগবেই। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সীমান্ত এলাকায় জরুরি আইন জারি করে সেই অনুমোদনকে গৌন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। আর এর মধ্যদিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবিধানিক সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রকে।

জরুরি অবস্থা জারির সময় দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন, সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের ক্ষেত্র তৈরির জন্যে জাতীয় জরুরি আইন জারির প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু খুব দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করতে জরুরীরি আইনের বিকল্প নেই।

১৬ অঙ্গরাজ্যের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেছেন ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের এটর্নি জেনারেল জেভিয়ার বিসেরা। এক টুইট বার্তায় জেভিয়ার বলেছেন যে, ট্রাম্প  জাতীয় জরুরি অবস্থার যে ভুয়া অজুহাত দেখিয়েছেন; আমরা তাকে চ্যালেঞ্জ করেছি। এহেন আদেশ জারির মাধ্যমে জনসাধারণের সাথে তামশা করা হয়েছে, ট্যাক্সের অর্থ অপচয় ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এবং সংবিধান প্রদত্ত গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবদমিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্র সংবিধান যে ক্ষমতা দিয়েছে কংগ্রেসকে, তাও কেড়ে নেয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে জরুরি অবস্থা জারির মধ্য দিয়ে। কংগ্রেসের অনুমোদন ব্যতিত প্রেসিডেন্টের কোন ক্ষমতাই নেই সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে অর্থ ব্যয় করার।

এর আগে ওয়াশিংটনে আরেকটি মামলা করেছে ‘সিটিজেন ফর রেসপন্সিবিলিটি এ্যান্ড এ্যাথি' নামক একটি নাগরিক সংস্থা। সে মামলায় বিচার বিভাগকে অভিযুক্ত করা হয়েছে যে, তারা প্রেসিডেন্টকে এমন আদেশ জারি থেকে বিরত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে বলে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভারতের কাছে প্রমাণ চাইছে পাকিস্তান


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে দায়ী করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

মঙ্গলবার এক টেলিভিশন বক্তৃতায় ওই হামলার জন্য পাকিস্তান জড়িত বলে ভারত যে অভিযোগ তুলেছে তিনি তার 'প্রমাণ দেখাতে বলেছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় দেশটির কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর (সিআরপিএফ) ৪০ সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাশ্মিরের নাগরিকদের হেনস্থা, তাদের উপর অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে এসেছে। পুলওয়ামা-কাণ্ড ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক ফের জটিল করে তুলেছে।

পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার নিয়েছে। তবে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য আসেনি এ ব্যাপারে। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মুখে খোলেন ইমরান খান।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনও তথ্য প্রমাণ ছাড়া ভারতে এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করা বন্ধ করতে হবে। যদি তাদের কাছে এ হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার প্রমাণ থাকে তবে সেগুলো তারা আমাদের কাছে উপস্থাপন করুক। ভারত যদি আক্রমণ করে তবে পাকিস্তানও পাল্টা প্রতিশোধ নেবে।

পরষ্পরকে দোষারোপ করা বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইমরান খান বলেন, একমাত্র দুইপক্ষের আলোচানই পারে এর সমাধান করতে।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পর সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, পুলওয়ামা-কাণ্ড বুঝিয়ে দিয়েছে আলোচনার রাস্তা বন্ধ। সন্ত্রাসবাদী ও তার মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্বশক্তিকে এখন একজোট হতে হবে।

এরপরই বিষয়টি নিয়ে জল ঘোলা হতে থাকে আরও। মঙ্গলবার জঙ্গিদের পাশাপাশি কাশ্মীরের সাধারণ নাগরিকদেরও কঠোর বার্তা দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। কাশ্মীরে কেউ অস্ত্র হাতে তুলে নিলেই তাকে গুলি করা হবে এমন নির্দেশ দেয় তারা।

এমন পরিস্থিতিতে অবশেষে টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে হামলা ও দুই দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক সমস্যা নিয়ে কথা বললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
 

সংশ্লিষ্ট খবর