আন্তর্জাতিক

মন চুরি করে পালিয়েছে তরুণী, পুলিশ ডাকল যুবক!

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯

মন চুরি করে পালিয়েছে তরুণী, পুলিশ ডাকল যুবক!

প্রতীকী ছবি- আজকাল

  অনলাইন ডেস্ক

চুরি নয় ডাকাতির জিনিসও তো খুঁজে দিচ্ছে পুলিশ। তাহলে আর এমন কী জটিলতা! কিন্তু না; এটি যদি কোনও বস্তু না হয়; তাহলে তো একটু ঝামেলাই বটে। কোনও বস্তু নয় বরং মন খুঁজে দেওয়ার এক অনুরোধ এসেছে ভারতের একটি থানায়।

মহারাষ্ট্র রাজ্যের নাগপুরের একটি থানায় সম্প্রতি ঘটা এ ঘটনায় বেশ বেকায়দায় পড়তে হয়েছে পুলিশকে। যুবকের অনুরোধ উপেক্ষা করে তাকে জানিয়ে দিতে হয়েছে- না খোঁজ কোনওভাবেই পুলিশের দ্বারা সম্ভব নয়।

সংবাদ মাধ্যম আজকাল বলছে, ওই যুবক পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান- এক তরুণী তার মন চুরি করে গা–ঢাকা দিয়েছে। তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিতে হবে পুলিশকে। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই হতবাক তারা।

পুলিশ চুরি যাওয়া জিনিস খুঁজে দিতে পারে, কিন্তু মন চুরি হলে তা কি করে খুঁজবে এখন সেটাই ভাবাচ্ছে তাদের। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই আজব অভিযোগ পাওয়ার পর এই সমস্যার কীভাবে সমাধান করবে তার জন্য শীর্ষ পরিচালকের পরামর্শ নিচ্ছেন।

মন চুরি করলে তাকে ধরা যায়; ভারতীয় আইনেও এমন কোনও ধারা নেই। তাই যুবকের কথা শুনে পুলিশ কর্মীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। এরপর যুবককে জানিয়ে দেওয়া হয়  এরকম কোনও আইন এ দেশে নেই। অতএব তাকে সাহায্য করা পুলিশের পক্ষে অসম্ভব।

খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন নাগপুরের পুলিশ কমিশনার ভূষণ কুমার উপাধ্যায়।

কিছু দিন আগে শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি হওয়া প্রায় ৮২ লক্ষ টাকার সামগ্রী মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাগপুর পুলিশ। সেখানেই সাংবাদিকদের কমিশনার বলেন, চুরি হয়ে যাওয়া জিনিস আমরা খুঁজে দিতে পারি কিন্তু অনেক সময় এমন সমস্ত অভিযোগ আসে যার কিনারা করা আমাদের পক্ষেও অসম্ভব।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বেতন না পাওয়া নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য পিৎজা নিয়ে গেলেন বুশ


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ছবি: জর্জ ডব্লিউ বুশের ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া

  অনলাইন ডেস্ক

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ ইস্যুতে বিতর্কের জেরে মাসখানেক ধরে বেতন পাচ্ছেন না যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের বহু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ অবস্থায় নিজ নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য পিৎজা নিয়ে গেলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। 

সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ ইস্যু নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাটদের টানাপোড়েনে ফেডারেল সরকারের ২৫ শতাংশের কাজ বন্ধ রয়েছে। শাটডাউন নাম দেওয়া এই অবস্থার কারণে বেতন না পাওয়া নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য নিজেই পিৎজা বহন করে নিয়ে যান বুশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সিক্রেট সার্ভিস সদস্যদের কাছে বুশ নিজে পিৎজা বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন। ছবিটি ফ্লোরিডায় তোলা হয়েছে বলে বুশের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামে সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, এখন আমাদের উভয়পক্ষের নেতাদের রাজনীতি দূরে সরিয়ে রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময়।

তিনি আরও লিখেছেন, বেতন না পাওয়ার পরও কাজ করার জন্য সিক্রেট সার্ভিস সদস্য ও ফেডারেল কর্মীদের প্রতি তিনি ও তার স্ত্রী লরা বুশ কৃতজ্ঞ। যারা এই কর্মীদের সহায়তা করছে তাদেরও ধন্যবাদ জানান বুশ।

সম্প্রতি মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে ৫৭০ কোটি ডলার অর্থ বরাদ্দ চান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কংগ্রেসে এ বরাদ্দের বিল আটকে দেয় ডেমোক্র্যাটরা। এ জের ধরে অন্যান্য বাজেট বরাদ্দের নথিতে সই করা থেকে বিরত রয়েছেন ট্রাম্প। 

এর ফলে গত ২২ ডিসেম্বর থেকে ফেডারেল সরকারের কয়েকটি বিভাগের প্রায় আট লাখ কর্মী বাজেটের অভাবে বেতন পাচ্ছেন না। এর মধ্যে সাড়ে তিন লাখ কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা বিনা পারিশ্রমিকে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থায় হাজার হাজার কর্মী এরই মধ্যে বেকার ভাতা পেতে আবেদন করেছেন।  সূত্র: বিবিসি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মেক্সিকোতে তেলের পাইপলাইনে বিস্ফোরণে নিহত ৬৬


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে— এএফপি

  অনলাইন ডেস্ক

মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে ফুটো হয়ে যাওয়া একটি তেলের পাইপলাইন থেকে তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে আগুন লেগে বিস্ফোরণে অন্তত ৬৬ জন নিহত ও ৭৬ জন আহত হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শনিবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মেক্সিকোর হিদালগো রাজ্যের গভর্নর ওমর ফায়েদ জানান, পাইপ ফুটো হয়ে তেল বের হতে থাকলে স্থানীয় লোকজন তেল সংগ্রহের জন্য সেখানে ভিড় জমায়। তাদের তেল চুরির এক পর্যায়ে সেখানে আগুন লেগে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৬ জন নিহত ও ৭৬ আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তেল পাচারকারীরা পাইপলাইনটি ফুটো করে দিলে বের হতে থাকা তেল সংগ্রহ করে সেখানে ভিড় জমায় স্থানীয় কয়েকশ' মানুষ। তারা গ্যালন ও বিভিন্ন পাত্রে তেল সংগ্রহ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তাদের নিবৃত করতে সেখানে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই এক পর্যায়ে পাইপলাইনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে ও আগুন লেগে যায়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নরেন্দ্র মোদিকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা মমতার


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

সমাবেশে বক্তব্য দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়— সমকাল

  কলকাতা প্রতিনিধি

এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করে কলকাতায় বিজেপির বিরুদ্ধে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

শনিবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কলকাতার বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপিবিরোধী দলগুলোর এক বিশাল সমাবেশ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, 'মোদি সরকারের এক্সপায়ারি ডেট পার হয়ে গেছে। এ রকম হিটলার ভারতবর্ষে আগে দেখিনি। ৭০ বছরে পাকিস্তান যা করতে পারেনি, চার বছরে মোদি সরকার তাই করেছে।'

তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, 'দাম বাড়ছে, বিজেপি হাসছে। বাজার আগুন, জাগুন বাংলা জাগুন। ব্যাংকে ধস, ইকোনমিতে ধস। কিছুতেই এ জিনিস চলতে পারে না। রাফালসহ একাধিক দুর্নীতি হয়েছে এই সরকারের আমলে। সততা দেখাচ্ছে। একবার সরকার পড়ুক, বুঝতে পারবেন। আপনারা রাজনীতির সৌজন্যতা রাখেননি। লালুজি, অখিলেশ, মায়াবতী কাউকে ছাড়েননি। আমাকেও ছাড়েননি। আপনাকেও কেউ ছাড়বে না।'

সমাবেশের মঞ্চে বিজেপিবিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা— সমকাল

মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও তোপ দাগেন মমতা। তিনি বলেন, 'প্রকল্পে টাকা দিচ্ছি আমরা। ছবি দিচ্ছে বিজেপির। এটা কেন হবে? ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন ক্ষমতায় এলেই প্রতি বছর ২ কোটি বেকার যুবককে চাকরি দেওয়া হবে। চাকরি দিয়েছেন কোথায়? বছরে ২ কোটি বেকার হয়েছে। নোট বাতিল করেছেন। জিএসটি এনেছেন। মানুষ সমস্যায় পড়েছে। চাকরি গেছে। আপনি চাকরিই দিতে পারছেন না, সংরক্ষণ কী দেবেন? এদিকে আমরা ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমিয়েছি।'

বিজেপির বিরুদ্ধে মহাজোট সরকার দরকার— এমন মন্তব্য করে মমতা বলেন, 'দেশের প্রয়োজনে মহাজোট দরকার। প্রধানমন্ত্রী কে হবে ভাবার দরকার নেই। নির্বাচনের পর সবাই মিলে ঠিক করবো। আমাদের এখানে সবাই নেতা, সবাই কর্মী, সবাই সংগঠক। মনে রাখবেন, আমরা সবাই রাজা।'

কলকাতায় বিশাল সমাবেশ করে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়— সমকাল

শনিবারের সমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতা যশবন্ত সিনহা, শত্রুঘ্ন সিনহা, অরুণ শৌরির মতো নেতারাও। তারাও পরিবর্তনের ডাক দেন।

এদিন মঞ্চে উপস্থিত থেকে  বিজেপিবিরোধী  মহাজোট গড়ার আহ্বান জানান অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ও তেলেগুদেশমের নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও জেডিএস নেতা কুমার স্বামী, হার্দিক প্যাটেল, জিগনেশ মেওয়ানি, অরুণাচলের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী গেগং আপাং, আরএলডি নেতা জয়ন্ত সিংহ, কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা, বিএসপির সতীশ মিশ্রা, ডিএমকে নেতা এমকে স্টালিন, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভি প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর