আন্তর্জাতিক

আইএমএফের প্রধান উপদেষ্টা ভারতীয় বংশোদ্ভূত গীতা

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০১৯

আইএমএফের প্রধান উপদেষ্টা ভারতীয় বংশোদ্ভূত গীতা

গীতা গোপীনাথ। ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতার মেয়ে গীতা গোপীনাথ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত গীতাই প্রথম নারী, যিনি আইএমএফ-এর শীর্ষ পদে বসলেন।

গত সপ্তাহে আইএমএফ-এর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন গীতা গোপীনাথ। যদিও অর্থনীতিবিদ হিসাবে আইএমএফ-এ তার অভিষেক হয় গত বছর অক্টোবরেই। ৩১ ডিসেম্বর আইএমএফ-এর অর্থনৈতিক কাউন্সিলর ও গবেষণা বিভাগের ডিরেক্টর পদ থেকে অবসর নিয়েছেন মরি ওবস্টফেল্ড। তার জায়গায় এলেন ৪৭ বছরের গীতা।

বর্তমানে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করেন গীতা। ইউনিভার্সিটি গেজেটে সম্প্রতি তার একটি সাক্ষাত্কার প্রকাশিত হয়। তাতে আইএমএফ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টিন ল্যাগার্দের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। 

তিনি জানান, আইএমএফ-এর প্রথম নারী উপদেষ্টা পদে বসতে চলেছেন তিনি। যার পুরো কৃতিত্বটাই ল্যাগার্দের। নেত্রী হিসাবে তার তুলনা হয় না। সারা বিশ্বের নারীদের কাছে অনুপ্রেরণা তিনি।

আইএমএফ-এর দায়িত্ব হাতে পেয়ে কোন বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেবেন তিনি, তা নিয়ে প্রশ্ন করলে গীতা জানান, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং অর্থনীতিতে এই মুহূর্তে ডলারের প্রাধান্য রয়েছে। ডলারের মাধ্যমেই একে অপরের সঙ্গে লেনদেন চালায় বেশিরভাগ দেশ। কিন্তু আন্তর্জাতিক মূল্য এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় তার কী প্রভাব পড়ছে, তা খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য আমার।

আইএমএফ-এ যোগ দেওয়ার আগে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন গীতা গোপীনাথ। ১৯৭১ সালে কলকাতায় জন্ম তার। মা-বাবা কেরালার তবে বেড়ে ওঠা মহীশূরে। দিল্লির লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক নেন তিনি। দিল্লি স্কুল অফ ইকনমিকস থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা শেষ করেন। অর্থনীতিতে ডক্টরেট করেন ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটন এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে। ২০১০ সালে হার্ভার্ডের অর্থনীতি বিভাগের স্থায়ী অধ্যাপিক নিযুক্ত হন গীতা। ২০১৬ সালে পিনারাই বিজয়নের কেরল সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা করা হয় তাকে। সূত্র: আনন্দবাজার।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নেদারল্যান্ডসে ট্রামে গুলিতে নিহত ৩


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

নেদারল্যান্ডসের উট্রেখট শহরে একটি যাত্রীবাহী ট্রামে বন্দুকধারীর গুলিতে তিনজন মারা গেছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন পাঁচজন। 

উট্রেখট শহরের মেয়র বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

স্থানীয় সময় সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এটিকে ‌সন্ত্রাসী হামলা মনে করছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

ঘটনার পর থেকে গোকমেন টানিস নামে ৩৭ বছর বয়সী এক তুর্কি নাগরিককে খুঁজছে পুলিশ। তাকে এ হামলার সন্দেহভাজন হিসেবে ধরা হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিশ হামলাকারী খুঁজছে এবং ঠিক কী ঘটেছিল তা জানার চেষ্টা করছে। 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ব্রেক-আপ’!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কে জড়ানো কিংবা ভেঙে যাওয়া-দু’টিই স্বাভাবিক ঘটনা। যে কারও সঙ্গেই এটা ঘটতে পারে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কারও কারও ক্ষেত্রে এই ধাক্কা সমালানোও কঠিন হয়ে পড়ে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই নানা ধরনের পাগলামী করেন। তবে এমন ঘটনার পর শহরময় প্রেমিকার পোস্টার লাগানোর ঘটনা খুব কম লোকই করেন। সম্প্রতি এভাবেই নিজের বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছেন এক প্রেমিক।

ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। ব্যতিক্রমী ওই প্রেমিক দাবী করেছেন তার প্রেমিকা তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সাধারণত এরকম ঘটনা হলে একজন আরেকজনের সঙ্গে ব্রেক-আপের কথা মুখেই বলে দেন। কেউ বা আবার মেসেজের মাধ্যমে জানান। কিন্তু এই ব্যক্তি এমন কিছু করেননি। তিনি গোটা শহরজুড়ে বিল বোর্ডে প্রেমিকার পোস্টার লাগিয়েছেন। পোস্টার না বলে সেটাকে অনেকে বিজ্ঞাপন বলছেন। কারণ অন্যান্য বিজ্ঞাপনের সঙ্গেই শহরের রাস্তায় রাস্তায় বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে মেয়েটির ছবি। নিচে লেখা, ‘তুমি আমার হৃদয় ভেঙেছ। আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছ। আমি তোমার সঙ্গে ব্রেক-আপ করতে চাই।’

ব্রেক-আপের ছবিগুলো এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ইন্টারনেটে ছবিগুলো রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠেছে। 

তবে ওই প্রেমিক শুধু বিলবোর্ড দিয়েই ক্ষান্ত হননি,নিজেদের ব্রেক-আপ নিয়ে একটা ভিডিও তিনি আপলোড করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত সড়কে ঝগড়া করছেন ওই যুবক ও তার প্রেমিকা।

এরই মধ্যে ভিডিওটি একই সঙ্গে টুইটার এবং ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। সূত্র : ইণ্ডিয়া টুডে

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ক্রাইস্টচার্চ হামলা: অস্ট্রেলিয়ায় ২ বাড়িতে তল্লাশি


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

নিউ সাউথ ওয়েলসের কফস হারবারের কাছে স্যান্ডি বিচ এলাকায় ব্রেনটনের বোনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ— এবিসি নিউজ

  অনলাইন ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে গুলি চালিয়ে অর্ধশত মানুষকে হত্যার ঘটনা তদন্তের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ঘাতক ব্রেনটন টারান্টের বোনের বাড়িও রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকালে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ প্রথমে নিউ সাউথ ওয়েলসের কফস হারবারের কাছে স্যান্ডি বিচ এলাকায় ব্রেনটনের বোনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এর কিছু সময় পরে লরেন্স এলাকায় একটি বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ।

পরে অস্ট্রেলিয়া পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই তল্লাশি কার্যক্রমের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এমন কিছু খুঁজে বের করা যা নিউজিল্যান্ড পুলিশের চলমান তদন্তে কাজে লাগতে পারে।'

মসজিদে গুলি চালানো ব্রেনটনের বোন অস্ট্রেলিয়াতেই থাকেন। তার বাসায় তল্লাশি চালানোর কথা উল্লেখ করে অস্ট্রেলীয় পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ব্রেনটনের পরিবার তদন্ত কাজে সহায়তা করেছে।

গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দু'টি মসজিদে বন্দুকধারী সন্ত্রাসী ব্রেনটন টারান্টের হামলায় ৫০ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন। এখনও ৩৪ জনকে ক্রাইস্টচার্চ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের মধ্যে ১২ জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন। 

স্থানীয় সময় গত শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে আল নূর মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যাওয়া মুসল্লিদের ওপর প্রথমে হামলা চালানো হয়। এর একটু পরে লিনউড মসজিদে দ্বিতীয় হামলা হয়। 

ফেসবুকে লাইভে গিয়ে আল নূর মসজিদে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল নিয়ে হামলা চালান ব্রেনটন। ওই মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন নিউজিল্যান্ড সফরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। কয়েক মিনিটের জন্য তারা প্রাণে বেঁচে যান।

এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ব্রেনটনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে শনিবার ক্রাইস্টচার্চ আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন জানানো হলে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর