আন্তর্জাতিক

কর্মীদের ওজন কমানোর শর্ত দিল এয়ারলাইন্স

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯

কর্মীদের ওজন কমানোর শর্ত দিল এয়ারলাইন্স

  অনলাইন ডেস্ক

শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে কত চেষ্টাই না থাকে মানুষের। তবে সবাই তা করে ব্যক্তিগত তাগিদ থেকে। কিন্তু যদি তা অফিসিয়াল কোন নির্দেশ হয়?তাহলে বিষয়টা কেমন হবে?

সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি এয়ারলাইন্স কোম্পানি শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর নির্দেশ দিয়েছে কর্মীদের। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের সেই নির্দেশ অনুযায়ী, বিমানের কেবিন ক্রু’দের ৬ মাসের মধ্যে ‘স্লিম, স্মার্ট ও ফিট’ হতে বলা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, এই এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে কেবিন ক্রু’দের জন্য একটি নির্দিষ্ট ওজনের তালিকাও তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী, যাদের ওজন শরীরের উচ্চতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় তাদেরকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে নিজেদের ওজন কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ । 

পাকিস্তান এয়ারলাইন্সের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্থূলকায় কেবিন ক্রু’দের কেউই বিমানে দেখতে পছন্দ করেন না। তাই নির্দিষ্ট ওজনের চেয়ে অতিরিক্ত ওজনের কোনও কেবিন ক্রু থাকলে তাকে বিমান কর্মীদের হাসপাতালে পাঠানো হবে ওজন কমানোর জন্য।তিনি আরও বলেন, এরপরেও যদি তারা ওজন কমাতে না পারে তাহলে চাকরিও হারাতে হতে পারে তাদের। এছাড়া প্রতি মাসে কর্মীরা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কেমন উন্নতি করছেন তার রিপোর্ট একটা ‘গ্রুমিং সেল’কে দিতে হবে তাদের।

নতুন বছরের শুরুতে প্রায় ১৮০০ কেবিন ক্রু’কে এই নির্দেশ পাঠিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ। সেখানে প্রতি মাসে কর্মীদের কমপক্ষে ২ কেজি ওজন কমানোর নির্দেশ দিয়েছে তারা। সূত্র: খালিজ টাইমস

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

অনাস্থা ভোটে টিকে গেল তেরেসা মের সরকার


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে- বিবিসি

  অনলাইন ডেস্ক

পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে টিকে গেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের সরকার।

বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন সরকারের ওপর যে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন বুধবার রাতে তার ওপর ভোট হয়। এতে প্রস্তাবের বিপক্ষে পড়ে ৩২৫ ভোট, পক্ষে পড়ে ৩০৬ ভোট। অর্থাৎ ১৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে এ যাত্রায় টিকে গেল তেরেসা মের সরকার।

বিদ্রোহী টোরি পার্টির এমপিরা এবং ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ডিইউপি) যারা ২৪ ঘণ্টা আগে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের ব্রেক্সিট পরিকল্পনাকে রেকর্ড ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করায় ভূমিকা রেখেছিলেন, তারাই বুধবার অনাস্থা ভোটে তেরেসা মেকে ডাউনিং স্ট্রিটে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।

মঙ্গলবার রাতে ব্রিটিশ এমপিরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে দেশটির বেরিয়ে আসার ব্রেক্সিট চুক্তিকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করার পর তেরেসা মেকে এই অনাস্থা প্রস্তাবের মুখে পড়তে হয়।

মঙ্গলবার রাতে তেরেসা মে তার ব্রেক্সিট পরিকল্পনা পাসের উদ্যোগ নিয়ে আধুনিক ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরাজয় বরণ করার পর বিরোধী লেবার পার্টির নেতা করবিন সরকারের ওপর অনাস্থা প্রস্তাব আনে। পাশাপাশি সাধারণ নির্বাচনও দাবি করেন তিনি।

হাউস অব কমন্সে মের উত্থাপিত ব্রেক্সিট প্রস্তাবের বিপক্ষে ৪৩২ ভোট ও পক্ষে মাত্র ২০২ ভোট পড়ে। এর মাধ্যমে গত বছরের শেষ দিকে ব্রাসেলসে ইইউর বিশেষ শীর্ষ বৈঠকে করা ব্রেক্সিট চুক্তিটিকে এমপিরা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

ভোটের পরপরই ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জ্যাঁ ক্লঁদ জাঙ্কার ব্রেক্সিটের বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব ব্রিটেনের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এই ভোটে শোচনীয় পরাজয়ের পর মে তার সুর নরম করেন। তিনি আগামী সোমবার নতুন পরিকল্পনার আগেই একটি গ্রহণযোগ্য বেক্সিট চুক্তিতে উপনীত হতে সব দলের সাথে আলোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের রায় হয়। ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় আগামী ২৯ মার্চ। মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তেরেসা তিন দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপনের সুযোগ পাবেন। সেই প্রস্তাবও যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে।

অবশ্য ব্রেক্সিট থেকে ফিরে আসার পথও খোলা রয়েছে যুক্তরাজ্যের সামনে, যার জন্য এমনকি ইইউর অন্য দেশগুলোর অনুমোদনেরও প্রয়োজন হবে না।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অনাস্থা ভোটের মুখে তেরেসা মে


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
অনাস্থা ভোটের মুখে তেরেসা মে

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে— এএফপি

  অনলাইন ডেস্ক

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বুধবার রাতে অনাস্থা ভোটের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশটির এমপিরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার ব্রেক্সিট চুক্তিকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করার পর তাকে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে আধুনিক ব্রিটেনের ইতিহাসে মের সরকারকে সবচেয়ে বড় পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।

হাউস অব কমন্সে মের উত্থাপিত ব্রেক্সিট প্রস্তাবের বিপক্ষে ৪৩২ ভোট ও পক্ষে মাত্র ২০২ ভোট পড়ে। এর মাধ্যমে গত বছরের শেষ দিকে ব্রাসেলসে ইইউর বিশেষ শীর্ষ বৈঠকে করা ব্রেক্সিট চুক্তিটিকে এমপিরা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

ভোটের পরপরই ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জ্যাঁ ক্লঁদ জাঙ্কার ব্রেক্সিটের বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব ব্রিটেনের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

ব্রিটেনের সঙ্গে স্থল সীমান্ত থাকা একমাত্র দেশ আয়ারল্যান্ড বলেছে, তারা এখন একটি 'এলোমেলো ব্রেক্সিটের' জন্য প্রস্তুতি জোরদার করবে।

এই ভোটে শোচনীয় পরাজয়ের পর মে তার সুর নরম করেন। তিনি আগামী সোমবার নতুন পরিকল্পনার আগেই একটি গ্রহণযোগ্য বেক্সিট চুক্তিতে উপনীত হতে সব দলের সাথে আলোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আনাস্থা ভোট হবে। ভোটে তিনি জয়লাভ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন সাধারণ নির্বাচন চান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নিজের কনজারভেটিভ দলের এমপি ও তার মিত্র নর্দান আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি (ডিইউপি), যারা ব্রেক্সিট চুক্তির বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা কোনোভাবেই লেবার দলের সরকার চায় না।

ভোটে পরাজয়ের পর ব্রিটিশ পত্রিকাগুলো বিভিন্ন ভাষায় মের অবস্থান তুলে ধরেছে। সর্বাধিক বিক্রিত ট্যাবলয়েড সান বলেছে, মে ‘পিষ্ট’ হয়ে গেছেন। ডেইলি মেইল জানায়, ‘মে’র ক্ষমতা সুতোয় ঝুলে আছে।’ টাইমস তাকে ‘বোধশুন্য প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রেক্সিটের সমর্থক বোরিস জনসন বলেন, এই ভোট মেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তার চুক্তিটির ব্যাপারে পুনরায় আলোচনার জন্য ‘ব্যাপক ক্ষমতা দিয়েছে’।

ডিইউপি নেতা এরলেনে ফস্টার ব্রেক্সিট চুক্তির ‘মৌলিক পরিবর্তনের’ আহ্বান জানিয়েছেন। এই নারী নেত্রী বলেন, ‘আমরা আরো ভালো চুক্তি নিশ্চিতের জন্য একটি পরিকল্পনা করতে সরকারকে সুযোগ দেব।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের রায় হয়। ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় আগামী ২৯ মার্চ। মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তেরেসা তিন দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপনের সুযোগ পাবেন। সেই প্রস্তাবও যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কানাডায় নিরাপত্তারক্ষী পেলেন সেই সৌদি তরুণী


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

রাহাফ মোহাম্মদ আল-কানুন

  অনলাইন ডেস্ক

নিজের পরিবার ছেড়ে পালানো সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কানুনের নিরাপত্তার জন্য একজন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

কানাডায় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় পেতে রাহাফকে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠান কষ্টি এ উদ্যোগ নেয় বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

টরেন্টোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মারিও কালা এতথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, 'তিনি একা নন; স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু করেছেন রাহাফ।'

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এটা যে কত বড় ধরনের হুমকি; তা বলা খুবই কঠিন। আমরা বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি।

গত ৭ জানুয়ারি ১৮ বছর বয়সী সৌদি তরুণী রাহাফের বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়। 

ওইদিন রাহাফ বাড়ি থেকে পালিয়ে কুয়েত থেকে থাইল্যান্ড হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছিলেন। ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দর থেকে তাকে কুয়েতে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয় থাই কর্তৃপক্ষ।

এসময় এই তরুণীকে যে হোটেলে কক্ষে রাখা হয়, সেখানে নিজেকে তালাবদ্ধ রেখে টুইটে তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন। পরিবারের কাছে ফেরত পাঠালে তাকে মেরে ফেলা হবে।

আল-কুনুন দাবি করেন, তার কাছে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা রয়েছে এবং তিনি এখান থেকে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে কানেকটিং ফ্লাইট ধরবেন। কিন্তু সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে তার পাসপোর্ট একজন সৌদি কূটনীতিক কেড়ে নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা এতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে 'বৈধ শরণার্থী' হিসেবে আশ্রয় দেওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে অনুরোধ জানানোর পর কানাডা তাকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়।

 নিজের অতিরক্ষণশীল পরিবার ছেড়ে পালানো সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুনকে ১৩ জানুয়ারি সাদরে গ্রহণ করে কানাডা।

সংশ্লিষ্ট খবর