আন্তর্জাতিক

জর্জ বুশ সিনিয়র মারা গেছেন

প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১৮

জর্জ বুশ সিনিয়র মারা গেছেন

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচডব্লিউ বুশ সিনিয়র মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় মারা যান তিনি। তার ছেলে আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

জর্জ এইচডব্লিউ বুশ ১৯৮৯-১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।

এ বছরের এপ্রিলে তার স্ত্রীর বারবারার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পার্কিনসনস রোগে ভুগছিলেন।

১৯৬৪ সালে রিপাবলিকান পার্টিতে যোগ দেওয়ার আগে জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ টেক্সাসের একজন তেল ব্যবসায়ী ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একজন বৈমানিকও ছিলেন তিনি। 



মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সিনেটরের মাথায় ডিম ভাঙা সেই কিশোরকে বিয়ের প্রস্তাব


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

সিনেটর অ্যানিংকে বরখাস্তের দাবিতে রাস্তায় নামা এ তরুণীর প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল– 'আমি এগবয়কে বিয়ে করবো'— গেটি ইমেজেস

  অনলাইন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার এক সিনেটরের বর্ণবাদী মন্তব্যের প্রতিবাদে তার মাথায় ডিম ভেঙে রাতারাতি বিখ্যাত বনে যাওয়া সেই কিশোর এবার পেল বিয়ের প্রস্তাব।

বর্ণবাদী মন্তব্য করা সিনেটর ফ্রাসার অ্যানিংকে বরখাস্তের দাবিতে মঙ্গলবার রাস্তায় নামা আন্দোলনকারীদের অনেকের কাছ থেকে এমন প্রস্তাব আসে বলে ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সিনেটরের মাথায় ডিম ভাঙা কিশোর উইল কনোলিকে 'এগবয়' হিসেবে উল্লেখ করে অনেক মেয়ে আন্দোলনকারী তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এমনই এক আন্দোলনকারীর প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— 'আমি এগবয়কে বিয়ে করবো।'

আরেক নারীর প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— 'এগবয়রা তখনই এগমেন হয়ে যায় যখন তারা বর্ণবাদী ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করে।'

সিনেটর ফ্রাসার অ্যানিংয়ের মাথায় ডিম ভাঙার সেই দৃশ্য— নিউজ নাইন

প্রসঙ্গত, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দু'টি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর এ ঘটনায় জন্য মুসলমানদের দোষারোপ করে বক্তব্য দেন অস্ট্রেলিয়ার সিনেটর ফ্রাসার অ্যানিং। গত শুক্রবারের ওই হামলা এ পর্যন্ত ৫০ নিহত হয়েছে।

হামলার পর ওইদিনই এক বিবৃতিতে সিনেটর অ্যানিং বলেন, নিউজিল্যান্ডের রাস্তায় রক্ত ঝরার প্রকৃত কারণ হচ্ছে তাদের অভিবাসন কর্মসূচি, যা মুসলিম উগ্রবাদীদের অভিবাসনের প্রথম স্থান হিসেবে সুযোগ দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তিনি বলেন, বরাবরের মতোই বামপন্থি রাজনীতিবিদ এবং সংবাদমাধ্যম আজ যে হামলা হয়েছে তার পেছনে অস্ত্র আইন অথবা যারা জাতীয়তাবাদী মনোভাব ধারণ করে তাদের দায়ী করতে ব্যস্ত হয়ে যাবে। যদিও এসবই ফালতু কথা।

কোনো অভিযোগ না দিয়েই উইল কনোলিকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ— এএপি

এরপর শনিবার মেলবোর্নে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছিলেন অ্যানিং। এ সময় ১৭ বছরের উইল কনোলি স্মার্টফোন হাতে পেছনে দাঁড়িয়ে অ্যানিংয়ের বক্তব্য রেকর্ড করছিল। এক পর্যায়ে অ্যানিংয়ের মাথায় ডিম ভেঙে দেয় কনোলি। বিস্মিত অ্যানিং দ্রুত পেছনে ফিরে কনোলির গালে চড় মারেন। কনোলি পাল্টা আঘাত করতে গেলে দু'জনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীরা ওই কনোলিকে আটক করে। তবে এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রীতিমতো ভাইরাল হয়, আর 'এগবয়' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে কনোলি।

সিনেটরের মাথায় ডিম ভেঙে আটক হওয়া কিশোর উইল কনোলিকে ছেড়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ। অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এএপি) এক খবরে বলা হয়েছে, ফ্রাসার অ্যানিংয়ের মাথা ডিম ভাঙার ঘটনায় আটক কনোলিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না দিয়েই তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিশ্বব্যাপী বর্ণবাদ প্রতিহত করার আহ্বান নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন

  অনলাইন ডেস্ক

কট্টর ডানপন্থি বর্ণবাদী মতাদর্শের মূল উৎপাটনের লক্ষ্যে বিশ্বের সব দেশের সম্মিলিতভাবে লড়াই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন অভিমত ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি অভিবাসনের হার বৃদ্ধির কারণে বর্ণবাদ বাড়ছে বলে যে দাবি বিভিন্ন মহল থেকে করা হচ্ছে তা প্রত্যাখান করেন আরডার্ন।

গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে বন্দুকধারীর গুলিতে ৫০ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন। নিহত অনেকের মরদেহ দাফন করা হয় বুধবার।

উগ্র ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের উত্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে জাসিন্ডা আরডার্ন বলেন, 'নিউজিল্যান্ডে আমরা এ ধরনের মতাদর্শে বিশ্বাস করি না। নিউজিল্যান্ডের মানুষের সঙ্গে এ রকম মানসিকতা মেলানো হলে অধিকাংশ নিউজিল্যান্ডারকেই অপমান করা হবে।'

তার মতে, এ ধরনের 'মানসিকতার মূল খুঁজে বের করে এমন পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে এমন মানসিকতা ছড়িয়ে পড়তে না পারে'।

ক্রাইস্টচার্চে মসজিদের হামলায় নিহত অনেককে দাফন হয় বুধবার— ইপিএ

আরডার্ন বলেন, 'তবে আমি বিশ্বব্যাপী একটি আহ্বান জানাতে চাই। নিউজিল্যান্ডের ঘটনায় এখানকার মানুষ এমন এক ব্যক্তির সহিংসতার ভুক্তভোগী হয়েছে যে নিউজিল্যান্ডের বাইরে তার কট্টরপন্থি মতাদর্শের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে এবং সেখানেই এর অনুশীলন করেছে।'

তিনি বলেন, 'আমরা যদি নিরাপদ ও সহনশীল একটি বিশ্ব চাই তাহলে সীমানার বিষয়ে চিন্তা করলে চলবে না।'

শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে নিউজিল্যান্ডের ভূমিকার প্রশংসা করে জাসিন্ডা আরডার্ন বলেন, 'আমাদের দেশে মানুষকে স্বাগত জানানো হয়।'

তিনি বলেন, 'নিউজিল্যান্ডকে যারা নিজের দেশ মনে করে তাদের স্বাগত জানাতে গিয়ে সে রকম (উগ্রপন্থি) মতাদর্শ ছড়ানোর পরিবেশ তৈরি করে দিচ্ছি— এই ধারণা আমি প্রত্যাখ্যান করি।'

ক্রাইস্টচার্চে হামলা চালানো বন্দুকধারীর নাম উচ্চারণ না করার ঘোষণায় অটল থাকার কথা জানিয়ে আরডার্ন বলেন, 'সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের মাধ্যমে সে অনেক কিছুই হাসিল করতে চেয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম ছিল কুখ্যাতি। তাই আমরা কখনোই তার নাম উচ্চারণ করবো না।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

জনগণকে বোকা ভাবা প্রধানমন্ত্রীর বন্ধ করা উচিত: প্রিয়াঙ্কা


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ছবি এনডিটিভি

  অনলাইন ডেস্ক

'কংগ্রেসে চলছে বংশ পরম্পরার রাজনীতি'- এ বলেই নিজের ব্লগে প্রকাশিত এক লেখায় সর্বভারতীয় কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি। এর তড়িৎ জবাব দিলেন কংগ্রেসের উত্তর প্রদেশের পূর্বাঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা। প্রিয়াঙ্কা সোজা বলে দিলেন, 'জনগণকে বোকা না ভাবা প্রধানমন্ত্রীর বন্ধ করা উচিত।' 

নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘২০১৪ সালে দেশের জনগণ নিশ্চিন্তভাবে বংশ পরম্পরার রাজনীতিকে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু যখনই উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া রাজনীতি শক্তিশালী হয়ে যায়, তখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মক আঘাতের সম্মুখীন হয়। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ক্ষমতার চেয়ে দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে যে সরকার কাজ করে তারাই আসলে ভাল কাজ করে।’

সর্বভারতীয় কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে মোদি আরও লিখেছেন, বংশ পরম্পরার রাজনীতির কারণেই দেশের পার্লামেন্ট, প্রেস, সংবিধান, আদালত ও সশস্ত্র বাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মোদির এসব মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। নদীপথে তিনদিনের নির্বাচনী প্রচারণা 'গঙ্গাযত্রা'য় রয়েছেন তিনি। এ কর্মসূচির মধ্যেই ব্লগে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, ‘ক্ষমতাশীন দল বিজেপি গত ৫ বছরে দেশের গণমাধ্যমসহ প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানকে বিপদের মুখে ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রীর উচিত জনগণকে আর বোকা না ভাবা।'

প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করেন, যারা ক্ষমতায় অন্ধ থাকেন তারা শুধু অপরের নিন্দাই করতে পারেন। 

মোদিকে উদ্দেশ্য করে প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, 'ক্ষমতার চূড়ায় থাকলে দুটি ভুল ধারণা কাজ করে। প্রথমটি হলো, তারা মনে করে, খুব সহজেই জনগণকে ভুল পথে নেওয়া যায় এবং দ্বিতীয়টি হলো, তারা ভাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সবাই ভয় পায়।'

মোদির বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘তারা যাই করুক, আমরা ভয় পাই না। যত খুশি আমাদের অপদস্ত করার চেষ্টা করুক, আমরা লড়াই অব্যাহত রাখবো।’

গান্ধী পরিবারকে আক্রমণ করে মোদি লিখেছেন, ‘১৯৪৭ সালের পর প্রতিটি কংগ্রেস সরকার একাধিক প্রতিরক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। জীপ থেকে শুরু করে বন্দুক, সাবমেরিন এবং হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি হয়েছে। আর প্রতিটি চুক্তির ক্ষেত্রে মধ্যস্ততাকারী ছিল একটি পরিবার।'

মোদি বলেন, 'কংগ্রেস দেশের আভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না। আর কেউ দলের প্রধান হওয়ার সাহস দেখালে তাকে কংগ্রেস থেকে বের করে দেওয়া হয়।’

জবাবে প্রিয়াঙ্কা একটি কথাই জোর দিয়ে বলেছেন, তা হলো, 'জনগণকে বোকা ভাবা প্রধানমন্ত্রীর এখন বন্ধ করা উচিত।' সূত্র: এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর