আন্তর্জাতিক

নিলামে উঠছে হকিংয়ের হুইল চেয়ার

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০১৮

নিলামে উঠছে হকিংয়ের হুইল চেয়ার

  অনলাইন ডেস্ক

বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের ব্যবহার করা কিছু সামগ্রী এবার নিলামে উঠতে চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে হকিংয়ের সর্বক্ষণের সঙ্গী হুইল চেয়ারটি ও কিছু গবেষণাপত্র। 

সব মিলিয়ে স্টিফেন হকিংয়ের ২২টি সামগ্রী থাকছে নিলামের তালিকায়। এসবের মধ্যে রয়েছে ‘সিম্পসন’ (এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটির একটি পরিচ্ছেদ), সাড়া জাগানো গবেষণাপত্র ‘স্পেকট্রাম অব ওয়ার্মহোলস’ ও ‘ফান্ডামেন্টাল ব্রেকডাউন অব ফিজিক্স ইন গ্র্যাভিটেশনাল কোলাপ্স’-এর পাণ্ডুলিপি।

৩১ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে অনলাইনে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। নিলামে হকিংয়ের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি পিএইচডি গবেষণাপত্রের দাম ১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন  ডলার থেকে ১ লাখ ৯৫ হাজার মার্কিন ডলারের মধ্যে থাকবে।

নিলাম আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, নিজের হাতে লেখা হকিংয়ের গবেষণাপত্র যেমন বিজ্ঞানের জ্বলন্ত দলিল, তেমনি এগুলো তার ব্যক্তিগত জীবনের গল্পও বলে। 

নিলাম আয়োজক দলের সদস্য ভেনিং স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে বলেন, স্টিফেন একই সঙ্গে একজন কিংবদন্তী বিজ্ঞানী এবং খুব ভালো বক্তা ছিলেন। বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করে তোলার পেছনে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। রসবোধেও তার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো মানুষ খুব কম ছিলেন। সূত্র: বিবিসি


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কানাডায় নিরাপত্তারক্ষী পেলেন সেই সৌদি তরুণী


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

রাহাফ মোহাম্মদ আল-কানুন

  অনলাইন ডেস্ক

নিজের পরিবার ছেড়ে পালানো সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কানুনের নিরাপত্তার জন্য একজন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

কানাডায় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় পেতে রাহাফকে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠান কষ্টি এ উদ্যোগ নেয় বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

টরেন্টোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মারিও কালা এতথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, 'তিনি একা নন; স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু করেছেন রাহাফ।'

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এটা যে কত বড় ধরনের হুমকি; তা বলা খুবই কঠিন। আমরা বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি।

গত ৭ জানুয়ারি ১৮ বছর বয়সী সৌদি তরুণী রাহাফের বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়। 

ওইদিন রাহাফ বাড়ি থেকে পালিয়ে কুয়েত থেকে থাইল্যান্ড হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছিলেন। ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দর থেকে তাকে কুয়েতে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয় থাই কর্তৃপক্ষ।

এসময় এই তরুণীকে যে হোটেলে কক্ষে রাখা হয়, সেখানে নিজেকে তালাবদ্ধ রেখে টুইটে তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন। পরিবারের কাছে ফেরত পাঠালে তাকে মেরে ফেলা হবে।

আল-কুনুন দাবি করেন, তার কাছে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা রয়েছে এবং তিনি এখান থেকে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে কানেকটিং ফ্লাইট ধরবেন। কিন্তু সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে তার পাসপোর্ট একজন সৌদি কূটনীতিক কেড়ে নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা এতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে 'বৈধ শরণার্থী' হিসেবে আশ্রয় দেওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে অনুরোধ জানানোর পর কানাডা তাকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়।

 নিজের অতিরক্ষণশীল পরিবার ছেড়ে পালানো সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুনকে ১৩ জানুয়ারি সাদরে গ্রহণ করে কানাডা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যান


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার (ব্রেক্সিট) চুক্তি অনুমোদন প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে হেরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে।

মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ হাউস অব কমন্সে তেরেসার উপস্থাপিত প্রস্তাব ৪৩২-২০২ ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়ে যায় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এই প্রথম দেশটির কোনও ক্ষমতাসীন সরকার পার্লামেন্টে এত বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হলো। ইইউর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি পাস হওয়ার প্রশ্নে ২৩০ ভোটের ব্যবধানে তেরেসার এ হারের ফলে নতুন সংকট তৈরির যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল তা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটিই এখন সময়ের অপেক্ষা।

বিবিসি বলছে, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় ২৯ মার্চ। পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তেরেসা তিন দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপনের সুযোগ পাবেন। সেই প্রস্তাবও যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে।

২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের রায় হয়।

পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটিতে অবশ্য আগে থেকেই তেরেসার পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। লেবার পার্টি, অন্যান্য বিরোধী দলের এমপিসহ মের নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টির অনেক এমপি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেন।

মঙ্গলবারের এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর। তবে আইন প্রণেতাদের তুমুল বিরোধিতার মুখে ভোটাভুটিতে হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে।

লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন এখন সরকারের ওপর একটি অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন, যা দেশটিতে একটি সাধারণ নির্বাচনে গড়াতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবের বিষয়ে বুধবার তিনি বিতর্কে অংশ নিতে পারেন।

করবিন বলেন, এই সরকারের পরিষ্কার অদক্ষতার ব্যাপারে কমন্স সদস্যদের মতামত জানানোর সুযোগ করে দেবে এই আস্থা ভোট।

তবে ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, আস্থা ভোটের ক্ষেত্রে তারা তেরেসাকে সমর্থন করবেন।

সংসদ সদস্যরা যদি অনাস্থা ভোট সমর্থন করেন, তাহলে সরকার বা অন্য কেউ যে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন, তাদের পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে আরেকটি আস্থা ভোটে বিজয়ী হতে হবে। সেটি না হলে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ব্রেক্সিট ইস্যুতে ভোটাভুটিতে ১১৮জন এমপি বিরোধী দলের সঙ্গে মের চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। সাধারণ ক্ষেত্রে এ ধরনের সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর বিশাল পরাজয়ের পর আশা করা হয় যে, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন।

পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেও ভোটের পর তেরেসা অবশ্য আভাস দিয়েছেন, তিনি সরকার পরিচালনা অব্যাহত রাখবেন। তিনি বলেন, হাউজ তাদের মতামত দিয়েছে এবং সরকার সেটি শুনবে। সব দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ব্রেক্সিটের বিষয়ে করণীয় ঠিক করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

ভোটের ফলাফলে হতাশা প্রকাশ করে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা যত দ্রুত সম্ভব ব্রেক্সিট প্রসঙ্গে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়টি পরিষ্কার করে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নাইরোবির বিলাসবহুল হোটেলে হামলা, আল-শাবাবের দায় স্বীকার


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

নাইরোবির হোটেল চত্ত্বরে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড- বিবিসি

  অনলাইন ডেস্ক

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে একটি বিলাসবহুল হোটেলে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। 

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে শহরের দুসিতডিটু হোটেল ঘিরে ওই হামলা হয়। এসময় ভেতর থেকে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে।

হামলার ঘটনায় কতজন হতাহত হয়েছেন তা বিস্তারিত জানা যায়নি। এছাড়া ভেতরে কাউকে জিম্মি করা হয়েছে কিনা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। সেনা সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বিবিসি বলছে, ঘটনাস্থলে গোলাগুলি ও অন্তত দুটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকাজুড়ে। বেশ কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

সোমালিয়ার জঙ্গি সংগঠন আল-শাবাব এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি। 

টেলিভিশনে প্রচারিত বিভিন্ন ফুটেজে হোটেল চত্বর থেকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা চারজন অস্ত্রবহনকারী ব্যক্তিকে হোটেলে ঢুকতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন।

হোটেলের ভেতরে আটকে থাকা এক ব্যক্তি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, আমরা আক্রান্ত হয়েছি। তাৎক্ষণিকভাবে এর চেয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

আক্রান্ত হওয়া ভবনটির পাশের একটি ভবনের বাসিন্দা এক নারী জানান, তিনি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়ে তাকিয়ে দেখেন; মানুষজন ছুটোছুটি করছে; কেউ কেউ হাত উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। 

ঘটনাস্থলে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, 'অবস্থা ভালো নয়। মানুষ মারা যাচ্ছে।'

কেনিয়ার পুলিশ প্রধান জোসেফ বোয়নেট সাংবাদিকদের জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হোটেলটির ভেতরে অবস্থান নিয়ে আছে। বিশেষায়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন।