আন্তর্জাতিক

কত দামে বিক্রি হলো হকিংয়ের হুইলচেয়ার?

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

কত দামে বিক্রি হলো হকিংয়ের হুইলচেয়ার?

  অনলাইন ডেস্ক

বিজ্ঞানের জটিলতম বিষয়গুলো সহজ সরলভাবে তুলে ধরায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন স্টিফেন হকিং। গত মার্চে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও রেখে গেছেন প্রচুর গবেষণার পাণ্ডুলিপি। হকিংয়ের এমনই কিছু পাণ্ডুলিপি ও ব্যবহার্য কিছু জিনিস সম্প্রতি তোলা হয়েছিল নিলামে, যার মধ্যে ছিল তার হুইলচেয়ারও। 

বৃহস্পতিবার বেশ চড়া মূল্যেই বিক্রি হয়েছে স্টিফেন হকিংয়ের এই জিনিসগুলো। ব্রিটেনের নিলাম সংস্থা ‘ক্রিস্টিজ’-এর পক্ষ থেকে অনলাইনে এই নিলামের আয়োজন করা হয়। তাতে রাখা হয় হকিংয়ের ব্যবহার করা একটি মোটরচালিত হুইলচেয়ার, একাধিক নিবন্ধের পাণ্ডুলিপি এবং বেশ কিছু মেডেল। নিলামে তোলা হয়, হকিংয়ের সই করা ও আঙুলের ছাপ দেওয়া 'আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম'-এর একটি কপি এবং ১৯৬৫ সালে তার লেখা একটি গবেষণাপত্রও।

এর মধ্যে হকিংয়ের ব্যবহার করা মোটরচালিত হুইলচেয়ারটি বিক্রি হয় ২ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫০ পাউন্ডে। হকিংয়ের পিএইচডির গবেষণাপত্র 'প্রপার্টি অব এক্সপ্যান্ডিং ইউনিভার্সেস' বিক্রি হয় ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫০ পাউন্ডে। হকিংয়ের আঙুলের ছাপসহ 'আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম' বইয়ের কপিটি বিক্রি হয় ৬৮ হাজার ৭৫০ পাউন্ডে। ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হকিংয়ের একটি লেখা বিক্রি হয় ৭ হাজার ৫০০ পাউন্ডে। হকিংয়ের মেডেলগুলো বিক্রি হয় তার হুইলচেয়ারটির প্রায় সমান দামেই।

নিলাম থেকে পাওয়া অর্থের একটা বড় অংশ হকিংয়ের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নিলাম সংস্থা ক্রিস্টি। হুইলচেয়ার বিক্রির অর্থ যাবে 'স্টিফেন হকিং ফাউন্ডেশন' এবং মোটর নিউরন ডিজিস অ্যাসোসিয়েশনে। এই মোটর নিউরন ডিজিসে আক্রান্ত হয়েই আজীবন হুইলচেয়ারবন্দি ছিলেন হকিং।

বৃহস্পতিবার হকিংয়ের ব্যবহৃত জিনিসের সঙ্গে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিলামে তোলা হয়। এসবের মধ্যে ছিল স্যার আইজ্যাক নিউটনের সই করা ব্যাঙ্ক ঋণ সংক্রান্ত একটি নথি, চার্লস ডারউইনের লেখা কিছু চিঠি এবং নিউটন সম্পর্কে অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের একটি লিখিত অভিমত। নিলামে ওঠামাত্র বিক্রি হয়ে যায় সেগুলোও। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবারের নিলাম থেকে ১৮ লাখ পাউন্ডেরও বেশি অর্থ উঠে আসে। সূত্র: গার্ডিয়ান

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মরুর শহরে 'স্বর্ণের হোটেল'


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
মরুর শহরে 'স্বর্ণের হোটেল'

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

নজরকাড়া স্থাপত্যের জন্য সুনাম রয়েছে মরু শহর দুবাইয়ের। আকাশচুম্বি ভবনের দেখা মেলে এই শহরে। এছাড়া সুদৃশ্য স্থাপনার জন্য পর্যটকদের মনে ঠাঁই করে নিয়েছে শহরটি। 

অনেকেই জানেন না, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই শহরটিতে নির্মিত হয়েছে একটি ‘স্বর্ণের হোটেল’!; নাম ‘আমিরাত প্যালেস’।

নাম শুনে প্রথমে এটিকে অনেকে প্রাসাদ মনে করেন। কিন্তু আসলে এটি একটি পাঁচ তারকা হোটেল।

২০০৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই হোটেলটি নির্মিত হয়। সিএনএন জানায়, হোটেলের লবি, রুম ও হলওয়েতে রয়েছে এক হাজার ঝারবাতি। এর আলো গিয়ে পড়ে স্বর্ণের সিলিংয়ে। 

ভারতের কেরালা রাজ্যের প্রকৌশলী মনোজ কুরিয়াকোসে আমিরাত প্যালেসের এসব সিলিং রক্ষণাবেক্ষণ করেন। তার কাজ হলো, দুই হাজার বর্গমিটারের সিলিংটি ২২ ক্যারটের স্বণ পাত দিয়ে সাজিয়ে রাখা।

প্রতি বছর এই স্বর্ণের পাত বদলাতে হোটেলটির খরচ হয় প্রায় ১.৩ মিলিয়ন ডলার। 

মনোজ জানান, সিলিংয়ে যা দেখা যাচ্ছে, এগুলো সবই স্বর্ণের পাতের। পাতগুলো খাঁটি স্বর্ণের। ইতালি থেকে এগুলো আনা হয়েছে। পাতগুলো পিটিয়ে তা পাতলা করে তার পিঠে বিশেষ ধরনের আঠা লাগিয়ে সিলিংয়ের গায়ে সাঁটানো হয়। 

হোটেলে আসা অতিথিরা স্বর্ণের এই কারুকাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। তিনি বলেন, ‘অতিথিরা সিলিং দেখার পর অনেকে থমকে যান।'

পরের
খবর

নিউইয়র্কে ডাকাত ধরতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ছবি: সমকাল

  নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ডাকাত ধরতে গিয়ে গুলি খেলেন বাংলাদেশি যুবক মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ (৩০)। স্থানীয় সময় গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশি অধ্যুষিত এস্টোরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের সব গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।

নিউইয়র্ক পুলিশ জানিয়েছে, এস্টোরিয়া এলাকায় বাংলাদেশের সিলেটের ফারুক আহমেদের মালিকানাধীন বনফুল সুপার মার্কেটে (মুদি দোকান) ডাকাতি করে তিন দুর্বৃত্ত। ওই মার্কেট ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, মুখোশধারী এক ব্যক্তি দোকানে ঢুকে পুলিশের 'ব্যাজ' দেখিয়ে হুমকি দিয়ে বলে, যা আছে সবকিছু দিয়ে দে। একপর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা আরেক দুর্বৃত্ত দোকানের এক কর্মচারীকে জিম্মি করে ক্যাশবাপ থেকে নগদ দুই হাজার ডলার লুটে নেয়। দোকানের আরেক কর্মচারী আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন দোকানের আরেকটু ভেতরে।

কুদ্দুস পুলিশকে জানান, অর্থ লুটে নেওয়ার সময়ই বুঝতে পেরেছিলাম তারা ডাকাত। পিস্তল দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। সে সময় মোহাম্মদ রাসেল আহমেদও ছিলেন দোকানের ভেতরে। তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বাংলাদেশে স্বজনের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য। ফারুক আহমেদ রাসেলের ভগ্নিপতি। ডাকাতরা দোকান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় রাসেল তাদের ধরতে ধাওয়া করেন। বেশ কিছুদূর তাদের পিছু নেন। একপর্যায়ে ডাকাতরা তাকে তাক করে পিস্তলের গুলি ছুড়লে তা তার পায়ে বিদ্ধ হয়। এরপর মুখোশধারী তিন ডাকাত একটি মিনিভ্যানে উঠে পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ডাকাতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। রাসেলকে ভর্তি করা হয়েছে এলমহার্স্ট হাসপাতালে। তার পায়ের গুলি অপসারণে অস্ত্রোপচার করা লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

দোকান মালিক ফারুক আহমেদ বলেন, আশা করি ডাকাতরা ধরা পড়বে। রাসেলের ভাবী শাহানা বেগম বলেন, রাসেল অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে ডাকাতদের ধরতে চেয়েছিল। তবে সে বুঝতে পারেনি, ডাকাতরা তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করতে পারে। 

রাসেলের আরেক আত্মীয় শিব্বির আহমেদ বলেন, রাসেল কুইন্সের জ্যামাইকায় বসবাস করতেন, চাকরি করতেন রেস্টুরেন্টে। সাত মাসে আগে সেখান থেকে সস্ত্রীক এস্টোরিয়ায় আসেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আগুন নেভাতে গিয়ে যে কারণে হাসলেন দমকলকর্মীরা


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

জরুরি নম্বরে বারবার বাজছিল স্মোক অ্যালার্ম। ‌প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যান ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের চক্ষু চড়কগাছ। কারণ, কোথাও আগুন লাগার জন্য স্মোক অ্যালার্ম বাজেনি। অ্যালার্মের শব্দ অনুকরণ করছিল একটা টিয়াপাখি।

ব্রিটেনের ড্যাভেন্ট্রি এলাকায় স্থানীয় সময় গত বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটলেও রোববার খবরটি প্রকাশ্যে আনে নর্দাম্প্টন ফায়ার অ্যান্ড রেলকিউ সার্ভিস। 

ফায়ার সার্ভিসের ওয়াচ কমান্ডার নরম্যান জেমস বলেন, ড্যাভেন্ট্রির একটি বাড়ি থেকে মুহুর্মুহু ফায়ার অ্যালার্ম বাজতে থাকে। বড় বিপদের আশঙ্কা করে সেখানে গিয়ে দেখি, অবিকল ফায়ার অ্যালার্মের শব্দ নকল করে যাচ্ছে জ্যাজ নামে গৃহকর্তার পোষ্য আফ্রিকান গ্রে টিয়া পাখিটি।

রেগে যাওয়ার বদলে হাসিতে ফেটে পড়েন তারা। এমনকি দমকলকর্মীদের হাসতে দেখে সেই হাসিও নকল করতে থাকে জ্যাজ। তবে ওই বাড়ির সদস্যরা, জ্যাজ এবং তার সঙ্গিনী কিকি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে হাঁফ ছাড়েন তারা।

বাড়ির মালিক স্টিভ ডকার্টি বললেন, তার পোষ্য জ্যাজ শব্দ নকল করতে পছন্দ করে। এর আগেও বিভিন্ন শব্দ বহুবার সে নকল করেছিল। কিন্তু এবারের ঘটনায় দমকলকর্মীদের কাছে জ্যাজের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন স্টিভ। যদিও এ ব্যাপারে বেশ মজাই পেয়েছেন তারা বলে জানান দমকলকর্মীরা। সূত্র: আজকাল