আন্তর্জাতিক

মস্কোর শান্তি আলোচনায় তালেবান

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

মস্কোর শান্তি আলোচনায় তালেবান

মস্কোর শান্তি আলোচনায় তালেবান প্রতিনিধি শের মোহাম্মদ আব্বাস স্তানাকজাই

   অনলাইন ডেস্ক

এই প্রথম বারের মতো একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে আফগানিস্তানের তালেবান। আফগানিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয়। উদ্বোধন করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

দীর্ঘ দিন ধরে আফগানিস্তানে যুদ্ধরত বিভিন্ন গোষ্ঠীগুলোর সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের আলোচনার টেবিলে নিয়ে এসেছে রাশিয়া। এর আরেকটা তাৎপর্যপূর্ণ দিক হচ্ছে শুধু তালেবান বা আফগান সরকারি প্রতিনিধিরাই নয়- আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এতে সম্পৃক্ত করেছে।

রাশিয়াই এই যোগাযোগের প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছিল। তারাই ধীরে ধীরে এর আওতা সম্প্রসারিত করেছে। এখন ১২টি দেশ এতে সম্পৃক্ত হয়েছে। বিভিন্ন স্তরে সযত্ন প্রয়াসে গড়ে তোলা আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে যুদ্ধরত গোষ্ঠীগুলোকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে এসেছে রাশিয়া। আফগান প্রশাসনের প্রতিনিধি ছাড়াও প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তি পাকিস্তান, ভারত এবং চীনও এতে অংশ নিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও একজন কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছে। আফগান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই শান্তি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না- তবে আফগানিস্তানের উচ্চ শান্তি কাউন্সিলের কয়েকজন সদস্য এতে যোগ দিচ্ছেন।

আফগান সরকারের আশা, এই সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে কাবুল ও তালেবানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পথ খুলে যেতে পারে। সম্মেলনস্থল থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা গেছে তালেবান নেতারা পাকিস্তান ও চীনসহ অন্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাৎ করছেন। খবর: বিবিসি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানল: নিখোঁজ বেড়ে ৬৩১


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাঝ্যে ভয়াবহ দাবানলে নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৬৩১ জনে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়।

নিখোঁজের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। উদ্ধারকারী দল আরও সাতটি পুড়ে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে। 

বিবিসি বলছে, গত সপ্তাহে ছড়িয়ে পড়া এ দাবানলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৩ জনের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া অাগুনে মারা গেছে তিনজন। দাবানলে ধ্বংস হয়েছে ১২ হাজারের মতো ভবন।

সার্বিক বিষয় নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলবেন ও তাদের খোঁজখবর নেবেন।

বাট্টি কাউন্টি শেরিফ কোরি হোনেয়া জানান, নিখোঁজের নতুন সংখ্যা একদিনের ব্যবধানে বেড়ে দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে ছড়িয়ে পড়া এ দাবানলের ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তারা কাজে ফিরে যাওয়ায় এবং জরুরি সেল গঠন করায় নিখোঁজের এ তালিকা লম্বা হলো।

এ নতুন তালিকার কথা উল্লেখ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বলতে চাই যে এ দাবানলের ঘটনা আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি।’

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘গাজা'র আঘাতে লণ্ডভণ্ড তামিলনাড়ু


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গাজা’। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নাগাপট্টিনাম ও বেদানিয়ামের কাছে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়ে। 

এর প্রভাবে রাজ্যের প্রায় ৬টি জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘরছাড়া হয়েছেন ৭৬ হাজারেরও বেশি মানুষ।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুক্রবার সকালে তামিলনাড়ুতে  ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। একদিকে মুষলধারে বৃষ্টি আর অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে দক্ষিণ ভারতের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে।

দিল্লির আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘গাজা’ তামিলনাড়ু ও পুডুচেরির উপকূলে ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে। ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়। সমুদ্রের উপর কড়া নজর রেখেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী ছ’ঘণ্টা এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব থাকবে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতিমধ্যেই উপকূল অঞ্চলে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনাম, তিরুভারুর ও থানজাভুরে শুরু হয়েছে ভারী বর্ষণ। জায়গায় জায়গায় উপড়ে গিয়েছে গাছ। বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ। যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও পড়েছে প্রভাব। 

ভারতের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা অধিদফতর ইতিমধ্যেই নাগাপট্টিনাম ও উপকূলবর্তী আরও কয়েকটি জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করে দিয়েছে। এছাড়া রাজ্যের তরফেও পাঠানো হয়েছে উদ্ধারকারী দল। সরকারের তরফে দু’টি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে। সূত্র: আজকাল ও এনডিটিভি

পরের
খবর

কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে টাকা!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে টাকা!

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

মাছের বাজার, শাক-সবজির বাজার, বইয়ের বাজার ও পোশাকের বাজারের সাথে মানুষ পরিচিত। কিন্তু টাকারও বাজার রয়েছে সে বাজারে কেজি দরে বিক্রি হয় নতুন টাকা।

রাস্তার পাশে লাইন দিয়ে বস্তা বস্তা টাকা নিয়ে লোক বসে আছে। মানুষ তার প্রয়োজনে টাকা কিনছে বাজার থেকে, এমন দৃশ্য কি সত্যি? এমন বিচিত্র বাজার রয়েছে আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সোমালিল্যান্ডে। এখানে বিক্রি হয় টাকা। তবে সেই টাকা জাল বা নকল নয়।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, সেখানে বিক্রি হচ্ছে একেবারে আসল টাকা। খোলা রাস্তায় দিন-দুপুরে ক্রেতারা বিনিময় করে নিয়ে যায় রাশি রাশি নোট।

এরকম বাজার গড়ে ওঠার পেছনে সোমালিল্যান্ডের আর্থিক কাঠামোই দায়ী। এখানকার মুদ্রাকে বলা হয় ‘শিলিং’। শিলিংয়ের দাম ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

২০০০ সালে এক ডলারের ছিল ১০ হাজার শিলিংয়ের কাছাকাছি। ২০১৭ সালেও প্রথম দিকে ৯ হাজার শিলিংয়ের সমান ছিল এক ডলার। তাই ডলার বা ইউরোর নিরিখে সামান্য খরচ করলেই পাওয়া যেত কয়েক কেজি নোট! যা নিতে বস্তা বা ঠেলাগাড়ির প্রয়োজন হয়।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী কিনতে গেলেও টাকার বস্তা নিয়ে বের হতে হয় এখানে।

শিলিংয়ের এমন মূল্যহীনতার কারণেই সোমালিল্যান্ডের টাকার গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

টাকার দাম এখানে এতই কম যে, এ টাকার বাজারে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নেই। এমনকি ছিনতাইকারী-চোর-ডাকাতও এই শিলিং চুরি করতে আগ্রহ দেখায়নি। তাই রাস্তার পাশে পথের উপর ফেলে রেখে বিক্রি হলেও কোনও অসুবিধা হয়নি।

ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। সোমালিল্যান্ড দেশটি ‘ডলারাইজড’ হচ্ছে। চালু হয়েছে মোবাইল মানিও। এক বছরেই মোবাইল মানির ব্যবহার ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ।

বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের দাম (ভারতীয় মুদ্রায় ৭২.১২ টাকা) ৫৮১ শিলিংয়ের কাছাকাছি। ফলে এখন এই বাজারে ব্যবসা অনেকটাই পড়তির দিকে। সূত্র: আনন্দবাজার।