আন্তর্জাতিক

পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিল উলফা

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিল উলফা

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) কমান্ডার ইন চিফ পরেশ বড়ুয়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির গোয়েন্দাদের একাংশ। বুধবার দিনভর এ নিয়ে আসামের রাজনীতিতে চলে নানা জল্পনা, যার রেশ ছড়িয়ে পড়ে দিল্লির প্রশাসনিক মহলেও। যদিও বিকেলে বিবৃতি দিয়ে পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে উলফা।

বুধবার লুকইস্ট ডটইন নামে একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবর দিয়ে বলা হয়, সম্প্রতি এ শীর্ষ নেতার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন গোয়েন্দারা। জানা যায়, ১০-১২ দিন আগে মিয়ানমার-চীন সীমান্তে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি। তার চিকিৎসা চলছিল। সেই আঘাতের জেরে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে কোথায়, কবে দুর্ঘটনা ঘটেছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে জানায় সংবাদমাধ্যমটি।

এদিক উলফার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা লক্ষ্য করছে, দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল পরেশ বড়ুয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে সংবাদমাধ্যমের একাংশে। খবরটি ভুয়া। তাদের নেতা সুস্থ ও নিরাপদ আছেন।

সংগঠনের প্রচার বিভাগের সদস্য রোমেল অসোম দাবি করেন, পরেশ বড়ুয়ার দুর্ঘটনা ও মৃত্যু নিয়ে যে খবর রটেছে, তার পুরোটাই গুজব।

উলফার অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পরেশ বড়ুয়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এতে তার কোমর ও পায়ে চোট লাগে। জখমও হয়। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার-চীন সীমান্তের রুইলি এলাকায় থাকছেন এই নেতা। সম্প্রতি তার ক্যাম্প থেকে আসা এক আত্মসমর্পণকারী উলফা ক্যাডারের কাছ থেকেও জানা যায়, ডায়াবেটিসের কারণে পরেশের শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ। ডায়াবেটিস থাকায় আহত পরেশের শারীরিক পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছিল বলেও জানায় উলফা।

২০০৪ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে উদ্ধার হওয়া ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এ উলফা নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় আছে। ওই বছরের ১ এপ্রিল রাত ১টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর তীরে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সংরক্ষিত জেটিঘাট থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটক করা হয়। চীনে তৈরি এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ সমুদ্রপথে উলফার জন্য আনা হয়েছিল বলে পরে তদন্তে উঠে আসে। অস্ত্রের এ চালান বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও আনন্দবাজার পত্রিকা

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নিজের রক্ত দিয়ে তৈরি ময়েশ্চারাইজার মাখেন ভিক্টোরিয়া!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ভিক্টোরিয়া বেকহাম— ফাইল ছবি/রেক্স

  অনলাইন ডেস্ক

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে মেয়েদের ব্যান্ডদল 'স্পাইস গার্লস'-এর সদস্য হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। বর্তমানে ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচিত তিনি। তার আরেকটি পরিচয়— তিনি ইংল্যা্ংন্ডের সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহামের স্ত্রী।

হ্যাঁ, কথা হচ্ছে ভিক্টোরিয়া বেকহামকে নিয়েই। এই ৪৪ বছর বয়সেও যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ বিশ্ব। কিন্তু এই বয়সেও এমন সৌন্দর্যের রহস্য কী? সম্প্রতি সেই কথা জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া নিজেই জানিয়েছেন।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভিক্টোরিয়া তার ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন তার ছবি দিয়েছেন। আর এই ময়েশ্চারাইজার কী দিয়ে তৈরি জানিয়েছেন সেই কথাও।

তিনি জানিয়েছেন, তার রক্ত থেকেই তৈরি করা হয়েছে এই ময়েশ্চারাইজার। আর এই কাজটি করেছেন তার চিকিৎক বারবারা স্ট্রাম।

ইনস্টাগ্রামে ভিক্টোরিয়া তার জন্য তৈরি করা ময়েশ্চারাইজারের ছবি পোস্ট করেছেন

বেকহামপত্নী বলেছেন, ড. বারবারার তৈরি করা বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তার ত্বকের জ্বালা রোধ করে ও ত্বকে কোষের পুনরুৎপাদনে সহায়তা করে।

এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করায় তার ত্বক আগের তুলনায় অনেক নরম ও পরিষ্কার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ভিক্টোরিয়া।

তিনি আরও জানান, বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ১ হাজার ২০০ পাউন্ড। অর্থাৎ ভিক্টোরিয়া বেকহামের জন্য তৈরি করা বিশেষ ময়েশ্চারাইজারের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সূত্র: এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খেতেই থাকবো'


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা কেসি কিংয়ের বয়স ৩৪ বছর। ওজন ৭০০ পাউণ্ড বা ৩১৭ কেজি। তারপরও ওজন কমানোর এতটুকু আগ্রহ নেই। বরং মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত খাওয়ার ইচ্ছাই জানালেন তিনি।

জর্জিয়ার বাসিন্দা কেসি সিংয়ের ঘুম ভাঙে বেলা ১২টায়। এর কিছুক্ষণ পরেই তার ক্ষিদে পায়। খাবার খেয়েই তিনি বিছানায় শুয়ে হয় টেলিভিশন দেখেন না হয় ভিডিও গেম খেলেন। এরপর আবার খাওয়া এবং ঘুম। এভাবেই কেটে যাচ্ছে তার জীবন।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক টেলিভিশন চ্যানেল টিএলসির এক রিয়েলেটি শোতে কেসি সিং জানান, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি খেতেই থাকবেন।

জানা গেছে, কেসি যখন বিছানায় শুয়ে ভিডিও গেম খেলেন তখন কোনো পোশাকও পরেন না। এ ব্যাপারে কেসি বলেন, ‘জর্জিয়ায় অনেক গরম। আমার পোশাকগুলোও অনেক আটসাট হয়। তাই আমি কাপড়চোপড় না পরেই বাড়িতে থাকি। আর এভাবে থাকলেই আরামবোধ হয়।’

জানা গেছে, গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর কেসি কয়েকটা রেস্টুরেন্টে কাজ করেছিলেন। কিন্তু এক সময় ফাস্ট ফুড খেতে খেতে তার ওজন এতটাই বেড়ে যায় যে তার পক্ষে পরিশ্রম করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাও বিরক্ত হয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

কেসি তখন বাবার সঙ্গে তার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন। আর তার দিন কাটতে থাকে ফাস্ট ফুড খেয়ে এবং ভিডিও গেম খেলে। প্রতিদিন তার খাদ্য তালিকায় পিৎজা, চিকেন, জাপানি খাবার, বার্গার– এসবই বেশি থাকে। এমন খাবার খেতে পেরে কেসি বেশ খুশিও।

কেসি বলেন, ‘কাজ ছাড়ার পর ভার্চুয়াল জগতেই আমি আরামবোধ করি। এখানে কেউ আমাকে দেখছে না। কেউ আমার ওজন নিয়ে কথা বলে না। এটাই আমার কাছে বাইরের পৃথিবী।’

জানা গেছে, কেসির চাচাতো ভাইবোনেরাও অতিরিক্ত স্থূলতায় ভূগছেন। সূত্র: মিরর

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এই ছিল খনি শ্রমিকের কপালে!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
এই ছিল খনি শ্রমিকের কপালে!

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে কয়লা খনিতে আটকা পড়া এক শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নৌবহিনীর ডুবুরিরা ওই মরদেহ শনাক্তের পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

১৪ শ্রমিকের সঙ্গে গত রোববার এ অবৈধ খনিতে আটকা পড়েন এই শ্রমিকও। খনির খুব গভীরে এক পর্যায়ে পাশ্ববর্তী নদী থেকে পানি প্রবাহ শুরু হতে থাকে। এতেই ঘটে বিপত্তি।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, পানির নিচে ব্যবহার করা যায় এমন একটি যন্ত্র প্রথমে ১৬০ ফুট নিচে থাকা শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত করে। এখন চিকিৎসকের পরামর্শে তা সঠিক প্রক্রিয়া মেনে ওপরে উঠিয়ে আনা হবে।

এক শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত হলেও অন্য শ্রমিকদের কপালে আসলে কি ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে বিবিসি বলছে।

দুর্ঘটনার পরপরই প্রায় ২০০ উদ্ধারকারী কর্মী তৎপরতা শুরু করেন। খনি খুড়ে শ্রমিকদের সঙ্গে তারা যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অন্যদের খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

এই ধরনের খনিতে যেসব শ্রমিক কাজ করেন; তাদের অধিকাংশই পাশ্ববর্তী রাজ্য থেকে অর্থাভাবে এসে জড়ো হন। এদের বেশিরভাগের জন্যই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।

সংশ্লিষ্ট খবর