আন্তর্জাতিক

নিউইয়র্কে বিস্ম্ফোরণে দোষী সাব্যস্ত বাংলাদেশি আকায়েদ

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

নিউইয়র্কে বিস্ম্ফোরণে দোষী সাব্যস্ত বাংলাদেশি আকায়েদ

  অনলাইন ডেস্ক

নিউইয়র্কের ম্যানহাটন বাস টার্মিনালে বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে আটক বাংলাদেশি যুবক আকায়েদ উল্লাহকে ওই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

সাত দিনের শুনানি শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত মঙ্গলবার আকায়েদকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়। শুনানির সময় ঘটনা সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও দেখানো হয়। খবর রয়টার্সের। 

আকায়েদকে সন্ত্রাসবাদের ছয় অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী এসব অপরাধে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ম্যানহাটনের টাইম স্কয়ার সাবওয়ে স্টেশন থেকে বাস স্টেশনে যাতায়াতের ভূগর্ভস্থ পথে বোমা হামলা হয়।

ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বাংলাদেশি আকায়েদ উল্লাহকে আটক করে নিউইয়র্ক পুলিশ। বিস্ম্ফোরণে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তিন পথচারী সামান্য আহত হন।

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, বিস্ম্ফোরিত বোমাটি আকায়েদের দেহের সঙ্গে বাঁধা ছিল। জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়ে সে এমন হামলা করে বলে দাবি সেখানকার পুলিশের।

নিউইয়র্ক পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ বছর বয়সী আকায়েদ প্রথমে ট্যাক্সি চালাত। পরে একটি আবাসন কোম্পানির বৈদ্যুতিক মিস্ত্রির চাকরি নেয়। ব্রুকলিনের বাসিন্দা আকায়েদ বাসায় ইন্টারনেট ঘেঁটে বোমা বানানো শেখে এবং ইলেকট্রিশিয়ানের কাজের সূত্রে কর্মস্থলে বসেই বোমা তৈরি করে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ঘন কুয়াশায় দিল্লিতে বিমান ও ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। শুক্রবার ভোর থেকে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। খবর এনডিটিভির

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সব ধরনের দিল্লি বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া অবতরণ করতে যাওয়া সব বিমানও বন্ধ রাখা হয়েছে। 

অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে ট্রেন শিডিউলেও বিপর্যয় দেখা গেছে। শুক্রবার সকালে দিল্লি থেকে অন্তত ১০ টি ট্রেন দেরিতে ছেড়েছে। 

পরের
খবর

মায়ের মরদেহ সাইকেলে নিয়ে কবর দিতে গেলেন ছেলে


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

অনেক ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছিলেন সুরজ। তার পর থেকে মাকে ঘিরেই তার পৃথিবী। মা জানকীর হঠাৎ মৃত্যুতে তাই সুরজের পৃথিবী এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। এত বড় ধাক্কা সামলাতে সময় লেগেছিল তার। বাস্তব মেনে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়েছিলেন বাড়ি থেকে। 

কৃষক সুরজের হাতে টাকা ছিল না। মায়ের শেষকৃত্যের জন্য টাকাটুকুও ছিল না কৃষক ছেলের হাতে। তাই হাত পেতেছিলেন প্রতিবেশিদের কাছে। কিন্তু তার পাশে দাঁড়ায়নি। এ ঘটনা ভারতের ওড়িষ্যার সুন্দরগড়ের। 

মা জানকী সিংহানিয়া বহু বছর ধরে সংসার চালাতেন। ছেলেকে একা হাতেই মানুষ করছিলেন তিনি। সুরজ ও জানকী, এই দুজনেই ছিল আস্ত সংসার। একদিন সকালে কুয়োয় জল তুলতে গিয়ে আচমকা পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান জানকী। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

খবরটা শুনে প্রথমে দিশেহারা হয়ে যান সুরজ। প্রতিবেশিদের কাছে সাহায্যের আশায় হাত পাতেন নাবালক সুরেজ। কিন্তু পাড়ার 'নিচু' জাতের ছেলেকে এমন সময় সাহায্য করত চাননি কোনও প্রতিবেশি। বাধ্য হয়ে মায়ের মরদেহ তুলে নেন সাইকেলে। প্রায় চার-পাঁচ কিলোমিটার দূরের জঙ্গলে জানকীদেবীকে এভাবেই নিয়ে যায় তার ছেলে সুরজ। প্রতিবেশিরা হা করে দেখেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেননি। পথে অবশ্য অনেকে তাকে অনেক প্রশ্ন করেছেন। কিন্তু সাহায্য কেউ করেনি। চোখের জল মুছতে মুছতে মায়ের দেহ সাইকেলে চাপিয়ে শ্মশানের উদ্দেশে হাঁটতে থাকে সুরজ। পরে একটি জঙ্গলে গিয়ে মায়ের দেহ কবর দেয় সুরজ।

এই ওড়িষ্যায় বছর তিনেক আগে ২০১৬ সালেও ঠিক এমন ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল অ্যাম্বুলেন্স দিতে না-পারায় স্ত্রীর মাদুর জড়ানো দেহ কাঁধে নিয়ে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে যান দানা মাঝি। সূত্র: জি-নিউজ, আনন্দবাজার। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নিজের রক্ত দিয়ে তৈরি ময়েশ্চারাইজার মাখেন ভিক্টোরিয়া!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ভিক্টোরিয়া বেকহাম— ফাইল ছবি/রেক্স

  অনলাইন ডেস্ক

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে মেয়েদের ব্যান্ডদল 'স্পাইস গার্লস'-এর সদস্য হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। বর্তমানে ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচিত তিনি। তার আরেকটি পরিচয়— তিনি ইংল্যা্ংন্ডের সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহামের স্ত্রী।

হ্যাঁ, কথা হচ্ছে ভিক্টোরিয়া বেকহামকে নিয়েই। এই ৪৪ বছর বয়সেও যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ বিশ্ব। কিন্তু এই বয়সেও এমন সৌন্দর্যের রহস্য কী? সম্প্রতি সেই কথা জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া নিজেই জানিয়েছেন।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভিক্টোরিয়া তার ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন তার ছবি দিয়েছেন। আর এই ময়েশ্চারাইজার কী দিয়ে তৈরি জানিয়েছেন সেই কথাও।

তিনি জানিয়েছেন, তার রক্ত থেকেই তৈরি করা হয়েছে এই ময়েশ্চারাইজার। আর এই কাজটি করেছেন তার চিকিৎক বারবারা স্ট্রাম।

ইনস্টাগ্রামে ভিক্টোরিয়া তার জন্য তৈরি করা ময়েশ্চারাইজারের ছবি পোস্ট করেছেন

বেকহামপত্নী বলেছেন, ড. বারবারার তৈরি করা বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তার ত্বকের জ্বালা রোধ করে ও ত্বকে কোষের পুনরুৎপাদনে সহায়তা করে।

এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করায় তার ত্বক আগের তুলনায় অনেক নরম ও পরিষ্কার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ভিক্টোরিয়া।

তিনি আরও জানান, বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ১ হাজার ২০০ পাউন্ড। অর্থাৎ ভিক্টোরিয়া বেকহামের জন্য তৈরি করা বিশেষ ময়েশ্চারাইজারের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সূত্র: এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর