আন্তর্জাতিক

নিম্নকক্ষ ডেমোক্র্যাটদের দখলে, উচ্চকক্ষ রিপাবলিকানদের

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

নিম্নকক্ষ ডেমোক্র্যাটদের দখলে, উচ্চকক্ষ রিপাবলিকানদের

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে জয় পেয়েছে। তবে নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তারা। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের। 

প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। আট বছরে প্রথমবারের মত কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ফলে ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করলো।

এ পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে দেখা গেছে, নিম্নকক্ষের ২০২টি আসনে জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। অপরদিকে রিপাবলিকানরা জয় পেয়েছে ১৮৫টি আসনে। নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২১৮টি আসন।

এদিকে উচ্চকক্ষে ৫১টি আসনে জয় পেয়েছে রিপাবলিকানরা। ৫১টি আসন পেলেই উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া যায়। ডেমোক্রেটরা জয় পেয়েছে ৪২টি আসনে। ফলাফল বাকি আর ৭টি আসনের। 

মঙ্গলবারের এই ভোটকে দেখা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার পরীক্ষা হিসেবে। এ নির্বাচনে মিলছে ট্রাম্পের ক্ষমতার মেয়াদের বাকি দুই বছরের পরিস্থিতির পূর্বাভাস। কংগ্রেসের কোনো কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারা মানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো বিল বা আইন পাস করতেও বিপাকে পড়বেন। এ কারণেই মূলত এ নির্বাচনকে বলা হচ্ছে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ওপর গণভোট। 

যুক্তরাষ্ট্রে চার বছর পরপর হয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। আর প্রেসিডেন্টের মেয়াদের মাঝামাঝি অর্থাৎ দু'বছরের মাথায় হয় কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে জনগণ প্রেসিডেন্টকে নিয়ে তাদের সন্তোষ বা অসন্তোষ প্রকাশের সুযোগ পায়। আর তাই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে মানুষ কী ভাবছে এবং তার আবারও ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটুকু, তা এ নির্বাচনেই স্পষ্ট হয়ে যায়। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

এনআরসি তালিকায় অন্তভুর্ক্ত হতে সাড়ে ৩ লাখ আবেদন


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের আসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) থেকে যে ৪০ লাখের নাম বাদ পড়েছিল, তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র সাড়ে তিন লাখ মানুষ নথিপত্র সহ ফের নাগরিকত্বের আবেদন জানিয়েছেন।

একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে রোববার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

এত কম সংখ্যক মানুষ আবেদন করার ঘটনা অবাক করেছে অনেককেই। শনিবার নয়াদিল্লিতে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব গৌবা।

নাগরিকপঞ্জি থেকে ৪০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় সারা দেশ জুড়ে তৈরি হয়েছিল তুমুল বিতর্ক। বাদ পড়া মানুষদের ফের সুযোগ করে দিতে নতুন করে আবেদন জানানোর সুযোগ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন জানানোর সময়সীমাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি নাগরিকত্বের প্রামাণ হিসেবে আরও বেশ কিছু নথি যুক্ত করার কথাও জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

আগে থেকে ঠিক করা ১০টি নথি ছাড়াও নতুন যুক্ত হওয়া নথিগুলি হলো, ১৯৫১ সালের নাগরিকপঞ্জি, ১৯৭১ সালের আগের ভোটার তালিকা, উদ্বাস্তু নথিভুক্তকরণ শংসাপত্র, রেশন কার্ড এবং নাগরিকত্বের প্রশংসাপত্র।

নতুন এই নথিগুলি যুক্ত হওয়ায় প্রশাসনের ধারণা ছিল, বাদ পড়া ৪০ লক্ষের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই ফের নাগরিকত্বের জন্য দাবি জানাবেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মাত্র সাড়ে ৩ লাখ মানুষ আবেদন করার ঘটনায় অবাক হয়েছেন অনেকে।

অবশ্য ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা থাকায় আরও অনেকে পরে আবেদন করবেন, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সারা রাজ্যের প্রায় ২৫০০ সেবাকেন্দ্রে নাগরিকত্বের দাবি জানিয়ে নথি জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে আসাম সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

দু'দিনের মধ্যেই জানা যাবে কে খাসোগির হত্যাকারী: ট্রাম্প


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

জামাল খাসোগি— ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

সৌদি আরবের সমালোচক হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকারী কে তা আগামী দু'দিনের মধ্যেই জানা যাবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট একথা জানান বলে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দাবানলে ক্যালিফোর্নিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা শনিবার পরিদর্শনে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগামী দু'দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষ করবে, যার মাধ্যমে জানা যাবে জামাল খাসোগির হত্যাকারীর নাম।।

ট্রাম্প বলেন, এই হত্যাকাণ্ড 'কে ঘটিয়েছে' সে ব্যাপারে একটি 'পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন' সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যেই সম্পূর্ণ হবে।

গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর নিখোঁজ হন সৌদি নাগরিক জামাল খাসোগি। শুরুতে অস্বীকার করলেও গত ১৯ অক্টোবর সৌদি আরবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইস্তাম্বুলে তাদের কনস্যুলেটেই গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে খাসোগির মৃত্যু হয়। এর দু'দিন পরই খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে বলেও স্বীকার করেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদিল আল জুবেইর।

প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাসোগি যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন। তিনি নিয়মিত নিউইয়র্ক টাইমসে কলাম লিখতেন। তাকে কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরব এই হত্যা নিয়ে আলোচনায় ইতি টানার আহ্বান জানিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান প্রত্যাখান করেছে তারা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ক্রিসমাসের বোনাস হিসেবে বন্দুক উপহার!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

ক্রিসমাসের বোনাস হিসেবে কর্মীদের অভিনব উপহার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের একটি প্রতিষ্ঠান। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য কর্মীদের বন্দুক উপহার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বেনসট নামে বুলেটপ্রুফ গ্লাস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি আসন্ন ক্রিসমাস উপলক্ষে কর্মীদের ভিন্নধর্মী বোনাস দেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারা প্রত্যেক কর্মীর জন্য ৫০০ ডলার মূল্যের মধ্যে পছন্দ অনুযায়ী বন্দুক বেছে নেওয়া সুযোগ দেয়। খবর ইনসাইডএডিশন ডটকমের।

বাবা-ছেলের মালিকাধীন প্রতিষ্ঠানটির অংশীদার বেন উলফগ্রাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাবার সঙ্গে পরামর্শ করেছি। প্রথমত আমরা এটি করতে চেয়েছি কর্মীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য।  দ্বিতীয়ত আমাদের উদ্দেশ্য ছিল কর্মীদের আনন্দ দেওয়া।

তিনি জানান, অনেক কর্মী এই বোনাস পেয়ে উচ্ছ্বসিত। একজন এআর-১৫ বন্দুক বেছে নিয়েছেন। আবার দুই কর্মী বন্দুক নেননি। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, তাদের বাড়িতে এটা পর্যাপ্ত আছে। অন্যদিকে আরেক কর্মীও বন্দুক নেননি। কারণ নিজের জন্য বন্দুকের ব্যবহার প্রয়োজনীয় মনে হয়নি তার কাছে।

বেন উলফগ্রাম বলেন, এ বিষয়ে আলোচনায় আমরা সব কর্মীরই মতামত নিয়েছি। তাদের বেশিভাগই সম্মতিসূচক মত জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এখন আমার সবাই মিলে শ্যুটিং রেঞ্জে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। এতে সবার মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর