আন্তর্জাতিক

মার্কিন কংগ্রেসে প্রথমবারের মতো দুই মুসলিম নারী

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

মার্কিন কংগ্রেসে প্রথমবারের মতো দুই মুসলিম নারী

  অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন কংগ্রেসে প্রথমবারের মতো দুইজন মুসলিম নারী জয়ী হয়েছেন। একজন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিব এবং অন্যজন সোমালি বংশোদ্ভূত ইলহান ওমর। খবর রয়টার্সের

এ দুই নারীই ডেমোক্রেট প্রার্থী। মঙ্গলবারের ভোটে মিনেসোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ইলহান ওমর এবং মিশিগানের ভোটাররা নির্বাচিক করেছেন রাশিদা তালিবকে। 

সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ১৪ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন ওমর ইলহান এবং রাশিদা তালিব ফিলিস্তিনী অভিবাসী দম্পতির সন্তান। 

ওমর ইলহান মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম নারী শুধু নন, হিজাব পরিহিত প্রথম মুসলিম নারীও তিনি।

ওমর ইলহানের শৈশবের চার বছর কাটে কেনিয়ার একটি রিফিউজি ক্যাম্পে। সে সময়ের স্মৃতি মনে করে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওমর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আসার স্বপ্ন কোনো দিন দেখিনি। রিফিউজি ক্যাম্পে খাবার নিয়ে চিন্তা করে দিন কেটে যেত আমাদের। 

রাশিদা তালিবকেও অনেক সংগ্রামী করতে হয়েছে। তার উত্থানের ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ।  ২০০৮ সালে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে তিনি মিশিগান আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ফিলিস্তিন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা এক পরিবারের ১৪ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। 



মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

৭শ' সঙ্গীসহ সীমান্তে লড়তে চান ভারতের সাবেক দস্যু


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  কলকাতা প্রতিনিধি

মোদি সরকার অনুমতি দিলে তার আত্মসমর্পণকারী ৭০০ সঙ্গী নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চান এক সময়ের ত্রাস দুস্য সর্দার মালখান সিং।

একটা সময় ছিল যখন ভারতজুড়ে প্রভাব ছিল তার। আত্মমর্পণ করে দুস্য জীবন ছেড়ে দিলেও প্রবীণ এ ব্যক্তির বক্তব্যে যেন আবারও ফিরে এলো সেই রুপ।

দুস্য না হলেও এখন তিনি শুধুই একজন ভারতীয় নাগরিক। কিন্তু জঙ্গি হামলায় নিহত সেনাদের শোকার্ত মালখানের বুকে জ্বলে ওঠেছে ফের প্রতিশোধের আগুন।

শহীদদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কানপুরে গিয়েছিলেন তিনি। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি বলেন,‘ পুলওয়ামাতে বীর সেরাদের শহিদ হওয়ার খবর শোনার পর থেকেই আমার শরীরের রক্ত টগবগ করে ফুটছে। এ ঘটনার বদলা নিতেই হবে।’

যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,‘ আমার কাছে ৭০০ দস্যু সাথী আছে। যদি মোদি সরকার চায়, তাহলে আমরা দেশের জন্য বিনা পারিশ্রমিকে সীমান্তে গিয়ে যুদ্ধ করব। প্রয়োজনে আমরা মরার জন্য তৈরি। আমি বোকা নই। আমি ১৫ বছর ধরে চম্বলে কাঁথা বিক্রি করিনি। যা হবে দেখা যাবে। আমার পরিকল্পনা একদম সঠিক হবে। তাই আমি চাই আমাদের সীমান্তে পাঠানো হোক।’

তিনি বলেন ,‘নির্বাচন আসবে যাবে, এই হামলার বদলা অবশ্যই নিতে হবে। এটা আমাদের দেশের বিষয়, কোন রাজনৈতিক দলের সমস্য না। যদি এই ঘটনার কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়। তাহলে  কেই আর রাজনীতিতে বিশ্বাস করবে না। দেশের সব দলের নেতা সংসদে বসে এ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পকিস্তানকে ঘরে ঢুকে ওদের ধ্বংস করার সময় এসেছে।’

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়াকে 'অন্যায়' বললেন আইএস-বধূ শামীমা


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

শামীমা বেগম

  অনলাইন ডেস্ক

লন্ডন থেকে সিরিয়ায় গিয়ে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগম তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়াকে 'অন্যায়' বলে উল্লেখ করেছেন।

সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত ১৯ বছর বয়সী এ তরুণী বুধবার আইটিভি নিউজের কাছে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

শামীমা বেগম বলেন, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত 'হৃদয়-বিদারক'। তবে তিনি তার ডাচ স্বামীর মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে জানান।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত শামীমার মায়ের কাছে চিঠি পাঠান যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ। শামীমা হোম অফিসের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

অন্যতম শীর্ষ ব্রিটিশ নিউজ চ্যানেল আইটিভি তাদের অনলাইন সংস্করণে শামীমার মায়ের কাছে লেখা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি প্রকাশ করেছে। চিঠিতে শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, 'আপনার মেয়ের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালাচনা করে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোম সেক্রেটারি। চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত ডকুমেন্টটি এ বিষয়ক।' সিরিয়া রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থানরত শামীমাকে এ তথ্য জানানোর পরামর্শও দেওয়া হয় চিঠিতে।

আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় যাওয়ার সময় শামীমা বেগমের বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর— পিএ

চিঠির বিষয়টি উল্লেখ করে শামীমার আইনজীবী তাসনিম আখঞ্জি এক টুইট বার্তায় বলেন, শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে তার পরিবার মর্মাহত। তিনি জানান, বিষয়টি আইনগত চ্যালেঞ্জের জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে গত রোববার শামীমার পরিবারের আইনজীবী মোহাম্মদ তাসনিম আখুঞ্জি জানান, তারা জানতে পেরেছেন সিরিয়ায় শামীমা একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং শিশুটি সুস্থ আছে।

তাসনিম আখুঞ্জি বলেন, 'এখনও শামীমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়নি। তবে জেনেছি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছে শামীমা।'

১৯ বছরের শামীমার এটি তৃতীয় সন্তান। তার আগের দুটি সন্তানই অপুষ্টি এবং বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। সিরিয়ায় গিয়ে এই তরুণী নেদারল্যান্ডস থেকে আসা একজন আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেছিলেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন এলাকা থেকে আরও দু’জন বান্ধবীসহ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন শামীমা বেগম।

গত সপ্তাহে লন্ডনের দৈনিক দ্য টাইমসের একজন সাংবাদিক সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে শামীমা বেগমের খোঁজ পান। তখন তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ওই সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন করেন যেন তার অনাগত সন্তানের কথা বিবেচনা করে তাকে ব্রিটেনে ফিরতে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্রিটেনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় যে, নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়া তরুণীকে ফেরত আসতে দেয়া উচিত কি-না।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: এনডিটিভি

  অনলাইন ডেস্ক

শপিংমলে প্রায়ই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য পণ্যের ওপর মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ভারতের তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদের একটি শপিংমলে ছাড়ে শাড়ি কিনতে গিয়ে সেখানে ঘটেছে রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড!

এনডিটিভি জানায়, হায়দরাবাদের সিএমআর নামক একটি শপিং মলে ১০ টাকায় শাড়ি বিক্রি হচ্ছে এমন খবর শুনে ওই মলে ভিড় জমায় নারীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভির এমন পর্যায়ে ঠেকে যে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। 

জানা যায়, আচমকা ৪০০ জন নারী ওই মলে ঢুকে পড়লে  সেখানে অপ্রিতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি  শুরু হয়। এ ঘটনায় আহত হন অনেকে। এই্ অপ্রিতকর মুহূর্তের ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

এক নারী জানান, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেখানে আসা নারীদের অনেক মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে চোরেরা। 

পুলিশ জানায়, হঠাৎ করে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়ে যায়, সেই সময়ই এক মহিলা পড়ে যান। বাকি নারীরা ছুটে গিয়ে ওই দোকানের শাটার ভেঙে দেন। তিনজন মহিলা আহত হন। মলের অন্যান্য দোকানের কর্মীরাও এমন ঘটনা আশা করেননি।

স্থানীয় পুলিশ এ ঘটনায় ওই মলের ম্যানেজারকে আটক করেছে।