আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন

আগাম ভোটের রেকর্ড তারুণ্যের জোয়ার

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

আগাম ভোটের রেকর্ড তারুণ্যের জোয়ার

  সমকাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এবার রেকর্ডসংখ্যক আগাম ভোট পড়েছে। এ ভোটে দেখা গেছে তারুণ্যের জোয়ার। তাই এবারের ভোটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টি- দুই দলের ভাগ্য নির্ধারণে নারীর পাশাপাশি তরুণ সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ভোট শুরু হয়। দিনের শুরুতে বিভিন্ন রাজ্যের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারের লম্বা লাইন দেখা যায়। এখন কেবল ফলের অপেক্ষা। ভোট-পূর্ব জরিপে দেখা গেছে, অভিবাসন, স্বাস্থ্যনীতি, জাতিবিদ্বেষসহ বিভিন্ন ইস্যুতে উদ্বিগ্ন দেশটির তরুণ প্রজন্ম। এসব কারণে তরুণ ভোটারের বেশিরভাগই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধী। ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের জন্য এক মহাপরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। খবর বিবিসি, সিএনবিসি ও ইউএস টুডের।

গতকাল মঙ্গলবার ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডাভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রকল্পের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার তিন কোটি ৪৩ লাখ আগাম ভোট পড়েছে। প্রায় একই তথ্য জানিয়েছে এনবিসি নিউজ ডাটা অ্যানালিটিকস ল্যাব। এ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে সাড়ে তিন কোটির বেশি আগাম ভোট পড়েছে। ২০১৪ সালে পড়েছিল মাত্র দুই কোটি ৭৫ লাখ। এ হিসাবে আগাম ভোট এবার ৬৮ থেকে ৭৫ লাখ বেশি পড়েছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত বয়স্ক ভোটারের আধিপত্য থাকে। ২০১৪ সালের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, এবার আগাম ভোট ও বিদেশ থেকে যারা ভোট দেন, তাদের মধ্যে ১৮-২৯ বছরের তরুণ ভোটারের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্য অ্যারিজোনা, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ইলিনয়, নেভাদা ও টেক্সাসে তরুণরা এবার লক্ষ্যযোগ্যভাবে সাড়া দিয়েছেন। ২০১৪ সালের তুলনায় ইলিনয় রাজ্যে এবার তরুণদের আগাম ভোটের হার ১৪৪ শতাংশ বেড়েছে। তরুণদের বেশির ভাগই ট্রাম্পবিরোধী। তাই আগাম ভোটের নতুন রেকর্ড ডেমোক্র্যাটদের জন্য আশাজাগানিয়া।

ভোটের সপ্তাহখানেক আগে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অব পলিটিকসের এক জরিপে দেখা যায়, ৪০ শতাংশ তরুণই এবার ভোট দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। ডেমোক্র্যাট সমর্থক তরুণদের ৫৪ শতাংশ জানিয়েছিল, তাদের ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। আর রিপাবলিকান সমর্থক তরুণদের মাত্র ৪৩ শতাংশ একই মাত্রার আগ্রহের কথা জানায়।

বিশ্নেষকরা আগেই অনুমান করছিলেন, এবার ভোটের হার বেশি হতে পারে। এর একটি বড় কারণ অভিবাসন এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি ইস্যুতে ভোটাররা অনেক বেশি শঙ্কিত। অন্যদিকে, ভোটদানে আগ্রহ বাড়াতে প্রচার চালিয়েছে ওয়ালমার্ট, লেভিস্ট্রস ও পেপালের মতো বড় দেড়শ' কোম্পানি। গতকাল মঙ্গলবার ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত হন, রাইড শেয়ারিং কোম্পানি লিফট এবং উবার কম মূল্যে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যায়।

ভোটের আগে সিএনএনের সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, ডেমোক্রেটিক পার্টি বেশ কিছুটা এগিয়ে আছে। জরিপে এ পার্টির পক্ষে ৫৫ শতাংশ ও রিপাবলিকান পার্টির পক্ষে ৪২ শতাংশ সমর্থন রয়েছে। জরিপে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার প্রধান কারণ নারী ভোটার। জরিপে অংশ নেওয়া ৬২ শতাংশ নারী ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ও ৩৫ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে মত দেন।

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মরিয়া হয়ে প্রচার চালিয়েছেন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ও উচ্চকক্ষ সিনেটে নিজের দল রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ অর্জনে প্রয়োজনীয় আসনে জয় নিশ্চিত করতে। এর সবচেয়ে বড় কারণ, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম মেয়াদের বাকি দুই বছরে নিজের চলার পথ নির্বিঘ্ন করতে চান। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে নিয়ন্ত্রণ না থাকলে তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে ব্যাপক বাধার মুখে পড়বেন। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিশ্নেষকরা এ মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্পের জন্য মহা পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। আর রিপাবলিকানরা উচ্চকক্ষ সিনেটে তাদের আধিপত্য আগের চেয়ে বাড়ানোর চেষ্টা চালান। অবশ্য ভোট-পূর্ব জরিপের ফলগুলো ডেমোক্র্যাটদের ভালো ফল করার আভাস দিচ্ছে। তবে ট্রাম্পের আমলে দেশের অর্থনীতি আগের চেয়ে ভালো হওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা শেষ পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন কি-না, তা নিয়ে অনেকের সংশয়ও রয়েছে। আরেকটি আশঙ্কা, এবার সিনেটের যেসব আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তার বেশিরভাগই ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ফলে ডেমোক্র্যাটরা কেউ পরাজিত হলে তা উল্টো ট্রাম্পকেই সুবিধা করে দেবে।

ভোটের আগে থেকে বলা হচ্ছিল, প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে থাকছে কি-না, তা অনেকটাই এবার ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের ফলের ওপর নির্ভর করছে। আর সিনেটে নিয়ন্ত্রণ পেতে অ্যারিজোনা ও নেভাদায় ডেমোক্র্যাটদের জিততে হবে; কিন্তু নর্থ ডাকোটা ও মিসৌরিতে তাদের হারার আশঙ্কা আছে। গতকাল সিনেটর ও প্রতিনিধি পরিষদ প্রার্থীর ভাগ্যনির্ধারণী ভোট হয়ে গেছে। ভোটের ফলে কী আসে, এখন চলছে সেই অপেক্ষা।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

৭শ' সঙ্গীসহ সীমান্তে লড়তে চান ভারতের সাবেক দস্যু


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  কলকাতা প্রতিনিধি

মোদি সরকার অনুমতি দিলে তার আত্মসমর্পণকারী ৭০০ সঙ্গী নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চান এক সময়ের ত্রাস দুস্য সর্দার মালখান সিং।

একটা সময় ছিল যখন ভারতজুড়ে প্রভাব ছিল তার। আত্মমর্পণ করে দুস্য জীবন ছেড়ে দিলেও প্রবীণ এ ব্যক্তির বক্তব্যে যেন আবারও ফিরে এলো সেই রুপ।

দুস্য না হলেও এখন তিনি শুধুই একজন ভারতীয় নাগরিক। কিন্তু জঙ্গি হামলায় নিহত সেনাদের শোকার্ত মালখানের বুকে জ্বলে ওঠেছে ফের প্রতিশোধের আগুন।

শহীদদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কানপুরে গিয়েছিলেন তিনি। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি বলেন,‘ পুলওয়ামাতে বীর সেরাদের শহিদ হওয়ার খবর শোনার পর থেকেই আমার শরীরের রক্ত টগবগ করে ফুটছে। এ ঘটনার বদলা নিতেই হবে।’

যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,‘ আমার কাছে ৭০০ দস্যু সাথী আছে। যদি মোদি সরকার চায়, তাহলে আমরা দেশের জন্য বিনা পারিশ্রমিকে সীমান্তে গিয়ে যুদ্ধ করব। প্রয়োজনে আমরা মরার জন্য তৈরি। আমি বোকা নই। আমি ১৫ বছর ধরে চম্বলে কাঁথা বিক্রি করিনি। যা হবে দেখা যাবে। আমার পরিকল্পনা একদম সঠিক হবে। তাই আমি চাই আমাদের সীমান্তে পাঠানো হোক।’

তিনি বলেন ,‘নির্বাচন আসবে যাবে, এই হামলার বদলা অবশ্যই নিতে হবে। এটা আমাদের দেশের বিষয়, কোন রাজনৈতিক দলের সমস্য না। যদি এই ঘটনার কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়। তাহলে  কেই আর রাজনীতিতে বিশ্বাস করবে না। দেশের সব দলের নেতা সংসদে বসে এ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পকিস্তানকে ঘরে ঢুকে ওদের ধ্বংস করার সময় এসেছে।’

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়াকে 'অন্যায়' বললেন আইএস-বধূ শামীমা


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

শামীমা বেগম

  অনলাইন ডেস্ক

লন্ডন থেকে সিরিয়ায় গিয়ে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগম তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়াকে 'অন্যায়' বলে উল্লেখ করেছেন।

সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থানরত ১৯ বছর বয়সী এ তরুণী বুধবার আইটিভি নিউজের কাছে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

শামীমা বেগম বলেন, ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত 'হৃদয়-বিদারক'। তবে তিনি তার ডাচ স্বামীর মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে জানান।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত শামীমার মায়ের কাছে চিঠি পাঠান যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ। শামীমা হোম অফিসের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

অন্যতম শীর্ষ ব্রিটিশ নিউজ চ্যানেল আইটিভি তাদের অনলাইন সংস্করণে শামীমার মায়ের কাছে লেখা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি প্রকাশ করেছে। চিঠিতে শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, 'আপনার মেয়ের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালাচনা করে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোম সেক্রেটারি। চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত ডকুমেন্টটি এ বিষয়ক।' সিরিয়া রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থানরত শামীমাকে এ তথ্য জানানোর পরামর্শও দেওয়া হয় চিঠিতে।

আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় যাওয়ার সময় শামীমা বেগমের বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর— পিএ

চিঠির বিষয়টি উল্লেখ করে শামীমার আইনজীবী তাসনিম আখঞ্জি এক টুইট বার্তায় বলেন, শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে তার পরিবার মর্মাহত। তিনি জানান, বিষয়টি আইনগত চ্যালেঞ্জের জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে গত রোববার শামীমার পরিবারের আইনজীবী মোহাম্মদ তাসনিম আখুঞ্জি জানান, তারা জানতে পেরেছেন সিরিয়ায় শামীমা একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং শিশুটি সুস্থ আছে।

তাসনিম আখুঞ্জি বলেন, 'এখনও শামীমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়নি। তবে জেনেছি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছে শামীমা।'

১৯ বছরের শামীমার এটি তৃতীয় সন্তান। তার আগের দুটি সন্তানই অপুষ্টি এবং বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। সিরিয়ায় গিয়ে এই তরুণী নেদারল্যান্ডস থেকে আসা একজন আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেছিলেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন এলাকা থেকে আরও দু’জন বান্ধবীসহ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন শামীমা বেগম।

গত সপ্তাহে লন্ডনের দৈনিক দ্য টাইমসের একজন সাংবাদিক সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে শামীমা বেগমের খোঁজ পান। তখন তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ওই সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন করেন যেন তার অনাগত সন্তানের কথা বিবেচনা করে তাকে ব্রিটেনে ফিরতে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্রিটেনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় যে, নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়া তরুণীকে ফেরত আসতে দেয়া উচিত কি-না।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
১০ টাকায় শাড়ি কিনতে গিয়ে...

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: এনডিটিভি

  অনলাইন ডেস্ক

শপিংমলে প্রায়ই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য পণ্যের ওপর মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু ভারতের তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদের একটি শপিংমলে ছাড়ে শাড়ি কিনতে গিয়ে সেখানে ঘটেছে রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড!

এনডিটিভি জানায়, হায়দরাবাদের সিএমআর নামক একটি শপিং মলে ১০ টাকায় শাড়ি বিক্রি হচ্ছে এমন খবর শুনে ওই মলে ভিড় জমায় নারীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভির এমন পর্যায়ে ঠেকে যে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। 

জানা যায়, আচমকা ৪০০ জন নারী ওই মলে ঢুকে পড়লে  সেখানে অপ্রিতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি  শুরু হয়। এ ঘটনায় আহত হন অনেকে। এই্ অপ্রিতকর মুহূর্তের ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 

এক নারী জানান, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেখানে আসা নারীদের অনেক মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নিয়েছে চোরেরা। 

পুলিশ জানায়, হঠাৎ করে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয়ে যায়, সেই সময়ই এক মহিলা পড়ে যান। বাকি নারীরা ছুটে গিয়ে ওই দোকানের শাটার ভেঙে দেন। তিনজন মহিলা আহত হন। মলের অন্যান্য দোকানের কর্মীরাও এমন ঘটনা আশা করেননি।

স্থানীয় পুলিশ এ ঘটনায় ওই মলের ম্যানেজারকে আটক করেছে।