আন্তর্জাতিক

ম্যার্কেলকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণ

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৮

ম্যার্কেলকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণ

  অনলাইন ডেস্ক

জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী একটি বিশেষ বিমান জরুরি অবতরণ করেছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটির কলোন শহরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হওয়া বিমানটিতে করে আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জি-২০ টোয়েন্টি সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তারা।

এএফপি বলছে, বিমান জরুরি অবতরণের কারণে কিছু সময় ব্যয় হয়েছে। এর ফলে সম্মেলন শুরুর জন্য যে নির্ধারিত সময় রয়েছে; ওই সময়ের মধ্যে সেখানে পৌঁছাতে না পারার কারণে ম্যার্কেল এতে যোগ দিতে পারবেন না।

বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন চ্যান্সেলরের মুখপাত্রও। তিনি বলেন, একটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিশেষ বিমানটি কলোনে জরুরি অবতরণ করেছে। আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মেলনে যোগ  দিতে পারব না।

জরুরি অবতরণ করা বিমান থেকে নামার পর ম্যার্কেল ও তার সফরসঙ্গীদের অন্য কোনও বিশেষ বিমানে করে আর্জেন্টিনায় পৌঁছে দেওয়ারও চেষ্টা চলছে। তবে তারা যতক্ষণে সেখানে পৌঁছাবেন তার আগেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়ে যাবে।

মারাত্মক ত্রুটির কারণেই বিমান জরুরি অবতরণ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন জার্মানি চ্যান্সেলর। তিনি বলেন, সৌভাগ্যক্রমে বিমানটিতে আমরা একজন অসাধারণ পাইলট ও ক্রু পেয়েছিলাম।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

গভীর শ্রদ্ধায় কলকাতায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

কলকাতায় একুশের প্রভাত ফেরি -সমকাল

  কলকাতা প্রতিনিধি

গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

বুধবার বিকেল থেকেই ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতি বছরের মতো এ বছরও কলকাতার রবীন্দ্রসদন সংলগ্ন মুক্তমঞ্চে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে দিনটি পালন শুরু হয়।

ভাষা সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মাতৃভাষা দিবস পালন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষ। পরে বিকেল ৫টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা ১২ ঘণ্টা ধরে চলে অনুষ্ঠান। 

বুধবার রাত ১২টার দিকে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে  মশাল মিছিল করা হয়। এ সময় দেবশঙ্কর হালদার, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনেও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। একুশের শুরুতে উপ-হাইকমিশন চত্বরে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পতাকা অর্ধনমিত করেন উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান। এরপর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন এবং বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে শুরু হয় প্রভাত ফেরি। 

প্রভাত ফেরিটি সোহরাওয়ার্দী এভেনিউস্থ ‘বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ও তথ্যকেন্দ্র’ থেকে শুরু হয়ে উপ-হাইকমিশন চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান কংগ্রেসের বিধায়ক অসিত মিত্র, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুসহ কলকাতার কবি, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা, কলকাতায় অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিক, কলকাতার ভাষাপ্রেমী এবং বিভিন্ন নাট্য সংগঠনের সদস্যরাসহ অনেকে। 

প্রভাত ফেরি শেষে উপ-হাইকমিশন চত্ত্বরে অবস্থিত শহিদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পরে মহান ভাষা শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, প্রতিটি বাঙালির কাছে আজকের দিনটি অনেক গর্বের। ভাষাকে কেন্দ্র করে এত বড় আন্দোলন এর আগে কোনদিন গড়ে ওঠেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা আন্দোলন বিস্ফোরিত হয়ে আজ ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। ইউনেস্কোর স্বীকৃতি এই আন্দোলকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।

উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, আজকের দিনটিতে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছিল বাঙালিরা। তাই বাঙালি জাতির কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

মহান ভাষা শহীদ দিবসের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরতে বৃহস্পতিবার বিকেলে কলামন্দিরের কলাকুঞ্জ সভাগৃহে (৪৮, শেক্সপীয়র সরণি, কলকাতা-৭০০০১৭) এক বহুভাষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কলকাতায় বিভিন্ন দেশের কনস্যুলেট প্রতিনিধিরা এতে নিজ নিজ ভাষায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। তাদের মধ্যে ছিল নেপাল, রাশিয়া, জার্মানী, থাইল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

এদিকে এদিন কলকাতার ময়দান চত্বরে শহীদ উদ্যানে শহীদ বেদিতে মাল্যদান করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়। সকাল সোয়া ১১টার দিকে মুখ্যমন্ত্রী শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তার সঙ্গে কলকাতার মেয়র ফিরাদ হাকিম ও সাংসদ যোগেন চৌধুরীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার সালারে বাবলা গ্রামে ভাষা শহীদ বরকতের জন্মভিটায়ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

প্রিয়াঙ্কার পরামর্শে কংগ্রেস নেতাকে বহিষ্কার করলেন রাহুল


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পরামর্শে কংগ্রেসের এক নেতাকে বহিষ্কার করলেন রাহুল গান্ধী। বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম কুমার আশিস।

এনডিটিভি জানায়, ২০০৫ সালে বিহারে প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির মামলায় গ্রেফতার হন কুমার আশিস। আটকরে পর ওই বছরই কংগ্রেস থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তিনি পুনরায় কংগ্রেসে যোগদান এবং বিহারের নির্বাচনে অংশ নেন।

প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার মামলায় সেই নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয় দলটিকে।  

কিন্তু এতকিছুর পরও গত মঙ্গলবার পুনরায় নিজ দলে যোগ দেন আশিস। যোগ দিয়েই বিহার কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্টিত হন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না আশিসের। যোগ দেওয়ার একদিনের মাথায় বুধবার দলটির প্রধান রাহুল গান্ধীর নির্দেশে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়, এই খবরটি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর কানে যাওয়া মাত্রই তিনি ওই নেতার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেন। তার পরিবর্তে অন্যজনকে সে জায়গা দেওয়ার জন্য তার ভাইকে অনুরোধ করেন। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী তার বোনের অনুরোধ রক্ষা করে কুমার আশিসের বদলে নিয়ে আসেন শচীন নায়েককে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

৭শ' সঙ্গীসহ সীমান্তে লড়তে চান ভারতের সাবেক দস্যু


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  কলকাতা প্রতিনিধি

মোদি সরকার অনুমতি দিলে তার আত্মসমর্পণকারী ৭০০ সঙ্গী নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে চান এক সময়ের ত্রাস দুস্য সর্দার মালখান সিং।

একটা সময় ছিল যখন ভারতজুড়ে প্রভাব ছিল তার। আত্মমর্পণ করে দুস্য জীবন ছেড়ে দিলেও প্রবীণ এ ব্যক্তির বক্তব্যে যেন আবারও ফিরে এলো সেই রুপ।

দুস্য না হলেও এখন তিনি শুধুই একজন ভারতীয় নাগরিক। কিন্তু জঙ্গি হামলায় নিহত সেনাদের শোকার্ত মালখানের বুকে জ্বলে ওঠেছে ফের প্রতিশোধের আগুন।

শহীদদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কানপুরে গিয়েছিলেন তিনি। শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি বলেন,‘ পুলওয়ামাতে বীর সেরাদের শহিদ হওয়ার খবর শোনার পর থেকেই আমার শরীরের রক্ত টগবগ করে ফুটছে। এ ঘটনার বদলা নিতেই হবে।’

যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,‘ আমার কাছে ৭০০ দস্যু সাথী আছে। যদি মোদি সরকার চায়, তাহলে আমরা দেশের জন্য বিনা পারিশ্রমিকে সীমান্তে গিয়ে যুদ্ধ করব। প্রয়োজনে আমরা মরার জন্য তৈরি। আমি বোকা নই। আমি ১৫ বছর ধরে চম্বলে কাঁথা বিক্রি করিনি। যা হবে দেখা যাবে। আমার পরিকল্পনা একদম সঠিক হবে। তাই আমি চাই আমাদের সীমান্তে পাঠানো হোক।’

তিনি বলেন ,‘নির্বাচন আসবে যাবে, এই হামলার বদলা অবশ্যই নিতে হবে। এটা আমাদের দেশের বিষয়, কোন রাজনৈতিক দলের সমস্য না। যদি এই ঘটনার কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়। তাহলে  কেই আর রাজনীতিতে বিশ্বাস করবে না। দেশের সব দলের নেতা সংসদে বসে এ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পকিস্তানকে ঘরে ঢুকে ওদের ধ্বংস করার সময় এসেছে।’

সংশ্লিষ্ট খবর