আন্তর্জাতিক

মমতার উসকানিতেই আসামে খারাপ পরিস্থিতি: অনুপ

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০১৮

মমতার উসকানিতেই আসামে খারাপ পরিস্থিতি: অনুপ

অনুপ চেটিয়া- আনন্দবাজার

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের আসাম রাজ্যের তিনসুকিয়ায় পাঁচ বাঙালিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ এনেছেন বিদ্রোহী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম (উলফা) নেতা অনুপ চেটিয়া।

বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনায় শনিবার আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ অভিযোগ তোলেন তিনি।

হত্যাকাণ্ড কারা ঘটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট না হলেও ঘটনার পরই উলফার পরেশ বরুয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরেশ বড়ুয়া অভিযোগ অস্বীকার করার পর এবার বিদ্রোহী সংগঠনটির আলোচনাপন্থি অংশের অনুপের বক্তব্যও এলো এ নিয়ে। 

সংগঠনের আলোচনাপন্থি অংশের শীর্ষ নেতা অনুপ জানান, সঠিক তদন্ত হলেই এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে, তা জানা যাবে। তবে হিংসার মূল কারণ হিসেবে তিনি উসকানিমূলক মন্তব্যকেই দায়ী করেছেন। আর সেই তালিকায় প্রথমেই রাখছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। তার মতে, তৃণমূল আসলে গোটা বিষয়টার ফায়দা তুলতে চাইছে।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটা উচিত হয়নি। নাগরিক পঞ্জির বিষয়ের পর থেকেই উসকানিমূলক কথাবার্তা হচ্ছিল। তখন থেকেই আমি বলছিলাম, এতে ক্ষতি হবে নিরীহ মানুষদের। বিশেষ করে বাঙালিদের। যারা শহরে থাকেন, তাদের কিছু হবে না। আমার গ্রামের বাড়ির কাছেই ঘটনাটি ঘটেছে। ’৯২ সালে বন্যার সময় উদ্বাস্তু হয়ে ওখানে অনেকে চলে গিয়েছিলেন। যারা মারা গেছেন, তাদের অনেক আত্মীয়স্বজনকে আমি চিনি। এমন ঘটনা কখনওই কাম্য নয়।

তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই এ বিষয়ে আন্দোলনে নেমেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ফের তারা পথে নেমেছে। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন আবারও প্রতিনিধি দল আসামে যাবে- এমন প্রশ্নে অনুপ বলেন, সহানুভূতি দেখাতে আসতেই পারে। কিন্তু, এখানে এসে যদি আবার ওরা উসকানিমূলক কথা বলেন, তা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। ওরা কিছু দিন পরে আসলেই ভাল!

তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যা বলছেন, তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আমি বার বার বলছি, উসকানিমূলক কথা বলবেন না। তা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাবে। আসলে এ সবের জন্যেই তো সমস্যা শুরু হয়েছে।

অনুপ বলেন, আমরা কখনও বাঙালিদের বিরুদ্ধে নই। আমরা তাদের সঙ্গে মেলামেশা করি। আমি কিছু দিন আগেই তিনসুকিয়ায় বৈঠক করে এসেছি। বাঙালি সংগঠনগুলির পাশাপাশি বিদ্বজ্জনদের সঙ্গেও কথা বলেছি। সেখানে বলেছিলাম, আপনারা কোনও চিন্তা করবে না। আমরা আসলে সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে চলেছি। এর পর যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন, সমস্যা হতেই পারে। পরিস্থিতি কিন্তু খারাপ হচ্ছে, এটা মাথায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারী, সে হিন্দু হোক বা মুসলমান, তাদের আসাম গ্রহণ করেছে। আর কত দিন এ সব চলবে? এখনও আসামের পরিস্থিতির পরিবর্তন হল না। এখনও কেন্দ্রীয় সরকার যে আমাদের অবহেলা করছে সে কথা অস্বীকার করা যায় না। সংসদীয় কমিটির কাছে আমি বলেছিলাম, এনআরসি বিল পাশ করলে আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠবে আসাম। শুনল না। সে জন্যেই তো এই সমস্যা হল। এর পর এখানকার বাঙালিদের উসকানিমূলক কথা বলা উচিত হয়নি।

উলফা নেতা অনুপ বলেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেউ যেন কোনও উসকানিমূলক মন্তব্য না করেন। যদি কেউ করেন, তার প্রভাব আসামে পড়বেই। আমরা একসঙ্গে মিলে যাতে কাজ করতে পারি সেই চেষ্টা করতে হবে। আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই। বাঙালিদের পাশে আছি। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা মিটিয়ে নেওয়া উচিত।

পরেশ বরুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, ভৃগু ফুকনের সঙ্গে উলফা গড়েছিলেন অনুপ চেটিয়া ওরফে গোলাপ বরুয়া।  ১৯৯২ থেকেই তিনি ফেরারি ছিলেন। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে গ্রেফতার হন অনুপ। সাজার মেয়াদ শেষ হলেও বাংলাদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে সেখানকার জেলেই ছিলেন। বন্দিপ্রত্যার্পন চুক্তি হওয়ার পর, বাংলাদেশ তাকে ভারতের হাতে তুলে দেয়।

আসামের তিনসুকিয়া জেলায় বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের জন্য বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামকে (উলফা) সন্দেহ করা হচ্ছে। উলফা বাঙালিদের উপর হামলা চালাতে পারে, সাত দিন আগে এমন তথ্য আসাম সরকারকে জানিয়েছিল দিল্লি।

কলকাতায় শুক্রবার একাধিক কালী পূজার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মমতা। তিনি বলেন, গুজরাটে বিহারি খেদাও হচ্ছে, আসামে বাঙালি খেদাও চলছে। সারা দেশে অশুভ সঙ্কেত মনকে ভারাক্রান্ত করে রেখেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বিজেপিতে বড় ধাক্কা...


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন

বিজেপিতে বড় ধাক্কা...

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

চার বছর ধরে ক্রমাগত সাফল্যের পরে বড়সড় একটা ধাক্কার মুখে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে এবার চরম বিপর্যয় ঘটেছে।

মঙ্গলবার নির্বাচনে প্রাথমিক ফলাফলে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়-এই তিন রাজ্যই বিজেপিকে ছাড়তে হচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে। এই রাজ্যগুলোয় সরকার গঠনের পথে হাঁটছে কংগ্রেস। আর তেলেঙ্গানা ও মিজোরামে একাধিপত্য দেখাচ্ছে স্থানীয় দুটি দল।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, ২০১৪ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের কোনও প্রান্তে বিজেপি এত বড় ধাক্কা খায়নি। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ধাক্কাটা এল হিন্দি বলয়ের সুবিশাল গেরুয়া দুর্গ থেকেই। মোদির শিবিরে অতএব বিষণ্ণতার ছায়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বাস বাড়ল রাহুল বলয়ে।

পাঁচ রাজ্যের এই বিধানসভা নির্বাচন ছিল ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে সবচেয়ে বড় ভোটযুদ্ধ। ‘দিল্লি দখলের সেমিফাইনাল’ হিসেবেই এই লড়াইকে ব্যাখ্যা করছিল রাজনৈতিক শিবির। সেই সেমিফাইনালের সামগ্রিক ফল যে কংগ্রেসের দিকে অনেকখানি ঝুঁকে পড়ল, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।

সবচেয়ে চমকে দেওয়া ফলাফল ছত্তীসগঢ়ে। বিজেপি সে রাজ্যে ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল ঠিকই, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহের বিরুদ্ধে ক্ষমতা বিরোধিতার হাওয়া প্রবল ছিল-এমন কথা প্রায় কোনও শিবিরই খুব জোর দিয়ে বলতে পারেনি। ভোটের আগে হওয়া অধিকাংশ জনমত সমীক্ষা এবং ভোটের দিন হওয়া অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষা ইঙ্গিত দিয়েছিল, চতুর্থ বারের জন্য রমন সিংহের নেতৃত্বে ছত্তীসগঢ়ে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। তবে আসন কমতে পারে।

কিন্তু ছত্তীসগঢ়ে ভোটযন্ত্র খুলতেই অপ্রত্যাশিত ফলাফলের আঁচ মেলা শুরু হয়। বিজেপির পরাজয় শুধু নয়, শোচনীয় পরাজয়ের ইঙ্গিত মেলা শুরু হয়।

৯০ আসনের বিধানসভায় ৬০-এর বেশি আসন পাওয়া প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে কংগ্রেস। অর্থাৎ মধ্য ভারতের জনজাতি প্রধান রাজ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে রাহুল গান্ধীর দল। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অজিত যোগীর দল জেসিসি এবং মায়াবতীর বিএসপির সম্মিলিত আসনসংখ্যা পৌঁছাতে চলেছে ১০-এর কাছাকাছি।

ফলাফল বোঝাল, হাওয়া কিছুটা হলেও ঘুরিয়েছে বিজেপি। বসুন্ধরা রাজের সরকারের বিরুদ্ধে যে বিপুল ক্ষোভের ইঙ্গিত ছিল, ফলাফলে তার সম্পূর্ণ প্রতিফলন নেই। নিঃসন্দেহে নিজেদের আসনসংখ্যা অনেকটা বাড়িয়ে নিয়েছে কংগ্রেস। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাতেও পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু রাজস্থানে বিজেপি যতগুলো আসন পেয়েছে, ততটাও অনেকের কাছেই প্রত্যাশিত ছিল না।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই সবচেয়ে কঠিন লড়াইয়ের আভাস অবশ্য দিয়েছে মধ্যপ্রদেশের রণাঙ্গন। মধ্যপ্রদেশে লড়াইটা যে এ বার কাঁটায় কাঁটায়, তা সব পক্ষই মানছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে মধ্যপ্রদেশে ভোটগণনার প্রবণতা যে দিকে এগিয়েছে, তাতে আক্ষরিক অর্থেই কাঁটায় কাঁটায় লড়াই দেখা গিয়েছে।

একনাগাড়ে ১০৬ থেকে ১১৬-র মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে বিজেপি এবং কংগ্রেসের আসনসংখ্যা। কখনও বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে, ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলার ইঙ্গিত দিয়েছে। আবার কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যবধান কমাতে কমাতে বিজেপি-কে পিছনে ফেলে দিয়েছে কংগ্রেস। ভোট গণনার পশেষ লগ্ন পর্যন্ত সেই প্রবণতাই বহাল থেকেছে। তবে দুই দলই ১১৬-র নীচে থেমে যেতে পারে- এমন সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ছোট দলগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে সরকার গঠনের খেলায়।

মায়াবতীর বিএসপি এবার মধ্যপ্রদেশে ৫টি থেকে ৭টি আসন পেতে পারে। গণনার গতিপ্রকৃতি তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। উচ্চবর্ণ, অনগ্রসর শ্রেণি ও সংখ্যালঘুদের দাবি-দাওয়া আদায়ের কথা বলে তৈরি হওয়া দল সপাক্স পার্টিও এগিয়ে রয়েছে অন্তত ৩টি আসনে।

এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া একমাত্র দক্ষিণী রাজ্য তেলঙ্গানায় ত্রিশঙ্কু বিধানসভার ইঙ্গিত দিয়েছিল বেশ কিছু সমীক্ষা। কিন্তু সব আভাস উড়িয়ে দিয়ে শাসক দল তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (টিআরএস) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ধরে রাখছে।

গতবার অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রস্তাবিত তেলঙ্গানা অঞ্চলের ১১৯টি আসনের মধ্যে ৬৩টি জিতেছিল টিআরএস। পরে অন্যান্য দল ভেঙে বেশ কিছু বিধায়ক টিআরএস-এ যোগ দেন, ফলে তেলঙ্গানার শাসক দলের আসন সংখ্যা বেড়ে ৯০-তে পৌঁছায়।

এবার টিআরএস-এর টিকিটেই জয়ী হতে চলেছেন প্রায় সমসংখ্যক বিধায়ক। তেলুগু দেশম পার্টিকে সঙ্গে নিয়েও কংগ্রেসের অবস্থা যথেষ্ট বেহাল কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের দুর্গে।

হিন্দি বলয়ের কংগ্রেস শিবিরে যে উৎসবের মেজাজ, তা কিন্তু ধাক্কা খেয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতেও। উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের শেষ দুর্গ মিজোরাম হাতছাড়া হয়ে গেছে। গত দশ বছরের মুখ্যমন্ত্রী লাল থানহাওলা দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। দু’টিতেই তিনি পরাজয়ের মুখে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘নেডা’ জোটের শরিক দল মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এনএনএফ) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা দখল করার পথে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'যৌন নির্যাতিতা মৃত হলেও গণমাধ্যমে পরিচয় প্রকাশ নয়'


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

প্রতীকী ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

যৌন নির্যাতনের শিকার যেকোনও নারীর পরিচয় প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট।

ওই নারী মৃত হলেও তার নাম বা পরিচয় প্রকাশ না করার জন্য বিশেষ কিছু নির্দেশনাসহ আদালত মঙ্গলবার এ আদেশ দেন বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আইনজীবী নিপুন স্যাক্সেনার করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মদন বি লকুর, এস আব্দুল নাজির এংব দীপক গুপ্তর বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১২ সালে দিল্লিতে আলোচিত গণধর্ষণের এক মামলার বিষয়ে ওই আবেদন করেছিলেন স্যাক্সেনা।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গণমাধ্যম, আইন শৃঙ্খলাবাহিনী বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান নির্যাতিতের পরিচয় প্রকাশ না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।

সুপ্রিম কোর্ট বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা কোনও জনসমাবেশেও ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় ব্যবহার করা যাবে না।

বাবা-মায়ের সম্মতি থাকলেও পুলিশ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ধর্ষণের শিকার নারীর পরিচয় প্রকাশ করতে পারবে না বলে সুপ্রিমকোর্টের আদেশে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

থাইল্যান্ডে 'প্রতীক্ষার' ভোট ২৪ ফেব্রুয়ারি


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে বিক্ষুব্ধরা- বিবিসি

  অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ডের সামরিক সরকার।

মঙ্গলবার ওই তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি এ উপলক্ষে রাজনৈতিক প্রচারণার  অনুমিতও দেওয়া হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে প্রায় চার বছর আগে গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সরকারের নেতৃত্বে আসা সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বিবিসি বলছে, সবসময়ই গণতন্ত্রের কথা বলে আসছে সামরিক সরকার। এর মধ্যে কয়েক দফা নির্বাচনে তারিখ নির্ধারিত হওয়ার কথাও ছিল; তবে শেষ পর্যন্ত আর তা হয়ে উঠেনি।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচুত্যত করে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে সামরিক বাহিনী। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেই পরিস্থিতি শান্ত করতে তারা দায়িত্বে আসেন বলে তখন জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান।

এরপর ২০১৭ সালে গণভোটের মাধ্যমে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করে সেনাবাহিনী। পুরোনো সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধানে ভোটের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনে তারা।

ওই সংবিধান অুনযায়ী, নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা গেলেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকবে সেনাবহিনী। সেনাবাহিনী ক্ষমতায় আসার পর দেশটির অসংখ্য রাজনীতিবিদ আটক হয়েছেন। বন্ধ রয়েছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও।