আন্তর্জাতিক

সিআইএ প্রধানকে খাসোগি হত্যার অডিও শোনালো তুরস্ক

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০১৮

সিআইএ প্রধানকে খাসোগি হত্যার অডিও শোনালো তুরস্ক

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার 'অডিও' মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রধান জিনা হ্যাসপেলকে শুনিয়েছে তুরস্ক।

 বিবিসি বলছে, এই টেপ শোনানোর মধ্য দিয়ে তুরস্ক তার সবচেয়ে বড় চাল খেলেছে। হ্যাসপেল চলতি সপ্তাহেই তুরস্ক সফর করেনএবং সে সময়ই তিনি  সেই অডিও শোনেন। 

অডিওতে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং হত্যার সময়কার শব্দ রয়েছে বলে জানা গেছে। অডিওটি খুবই 'মর্মান্তিক' বলে বর্ণনা করেছেন অনেকে।

ধারণা করা হচ্ছে, সেই হত্যাকাণ্ডের সময় নির্যাতন, চিৎকার এবং দেহ কেটে বিচ্ছিন্ন করার যেসব খুঁটিনাটি বর্ণনা এতদিন তুরস্কের সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে- তার সবই এই টেপে আছে এবং তা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হাতে পৌঁছে গেল।

জিনা হ্যাসপেল শিগগিরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ ব্যাপারে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এদিকে তুরস্ক সরকার বলছে, এই টেপ প্রমাণ করে যে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এর সঙ্গে সৌদি সরকারের সর্বোচ্চ স্তরের যোগাযোগ ছিল কিনা।

বিবিসির সাংবাদিক মার্ক লোয়েন বলেন, যদি তা থেকে থাকে, তাহলে তুরস্ক আশা করবে, এ হত্যার আদেশ যারা দিয়েছে, তাদের বিচারের জন্য মার্কিন সরকার রিয়াদের প্রতি কঠোর অবস্থান নেবে।

এদিকে খাসোগির মৃতদেহ এখনো পাওয়া যায় নি। তবে বিভিন্ন স্থানে তল্লাসি চলছে। অনুসন্ধানকারীরা সৌদি কনস্যুলেট ভবনের বাগানে একটি কুয়োয় একদফা তল্লাশি চালিয়েছেন। 

গত ২ অক্টোবর  খাসোগি তার বিয়ে বিচ্ছেদের দলিলপত্র সংগ্রহ করতে তুরস্কে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর আর বের হন নি। বলা হচ্ছে, সৌদি আরব থেকে আসা ১৫ জনের একটি দল তাকে কনস্যুলেটের ভেতরেই হত্যা করে। সৌদি সরকার বলছে, তাদেরই কিছু এজেন্ট ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এ কাজ করেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মত বলেন, জামাল খাসোগিকে হত্যার বিষয়টি তিনি ধামাচাপা পড়তে দেবেন না। তিনি বলেন, 'এটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড; যা ঘটিয়েছে সৌদি গোয়েন্দা এবং অন্য কর্মকর্তারা।'

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নেদারল্যান্ডসে যাত্রীবাহী ট্রামে গুলি, নিহত ১


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

নেদারল্যান্ডসের উট্রেখট শহরে একটি যাত্রীবাহী ট্রামে বন্দুকধারীর গুলিতে একজন মারা গেছেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 

স্থানীয় সময় সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির

এটিকে ‌‘সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা’ বলছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। 

পুলিশ গোলাগুলির স্থানটি ঘিরে রেখেছেন। এছাড়া ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও দেখা গেছে।

পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ঘটনার পর একটি গাড়িতে করে সন্দেহভাজন বন্দুকধারী পালিয়ে গেছে।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজনকে বের না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ব্রেক-আপ’!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কে জড়ানো কিংবা ভেঙে যাওয়া-দু’টিই স্বাভাবিক ঘটনা। যে কারও সঙ্গেই এটা ঘটতে পারে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কারও কারও ক্ষেত্রে এই ধাক্কা সমালানোও কঠিন হয়ে পড়ে। ব্রেক-আপের পর অনেকেই নানা ধরনের পাগলামী করেন। তবে এমন ঘটনার পর শহরময় প্রেমিকার পোস্টার লাগানোর ঘটনা খুব কম লোকই করেন। সম্প্রতি এভাবেই নিজের বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছেন এক প্রেমিক।

ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। ব্যতিক্রমী ওই প্রেমিক দাবী করেছেন তার প্রেমিকা তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। সাধারণত এরকম ঘটনা হলে একজন আরেকজনের সঙ্গে ব্রেক-আপের কথা মুখেই বলে দেন। কেউ বা আবার মেসেজের মাধ্যমে জানান। কিন্তু এই ব্যক্তি এমন কিছু করেননি। তিনি গোটা শহরজুড়ে বিল বোর্ডে প্রেমিকার পোস্টার লাগিয়েছেন। পোস্টার না বলে সেটাকে অনেকে বিজ্ঞাপন বলছেন। কারণ অন্যান্য বিজ্ঞাপনের সঙ্গেই শহরের রাস্তায় রাস্তায় বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে মেয়েটির ছবি। নিচে লেখা, ‘তুমি আমার হৃদয় ভেঙেছ। আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছ। আমি তোমার সঙ্গে ব্রেক-আপ করতে চাই।’

ব্রেক-আপের ছবিগুলো এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ইন্টারনেটে ছবিগুলো রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠেছে। 

তবে ওই প্রেমিক শুধু বিলবোর্ড দিয়েই ক্ষান্ত হননি,নিজেদের ব্রেক-আপ নিয়ে একটা ভিডিও তিনি আপলোড করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত সড়কে ঝগড়া করছেন ওই যুবক ও তার প্রেমিকা।

এরই মধ্যে ভিডিওটি একই সঙ্গে টুইটার এবং ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। সূত্র : ইণ্ডিয়া টুডে

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ক্রাইস্টচার্চ হামলা: অস্ট্রেলিয়ায় ২ বাড়িতে তল্লাশি


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

নিউ সাউথ ওয়েলসের কফস হারবারের কাছে স্যান্ডি বিচ এলাকায় ব্রেনটনের বোনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ— এবিসি নিউজ

  অনলাইন ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে গুলি চালিয়ে অর্ধশত মানুষকে হত্যার ঘটনা তদন্তের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ঘাতক ব্রেনটন টারান্টের বোনের বাড়িও রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকালে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ প্রথমে নিউ সাউথ ওয়েলসের কফস হারবারের কাছে স্যান্ডি বিচ এলাকায় ব্রেনটনের বোনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এর কিছু সময় পরে লরেন্স এলাকায় একটি বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ।

পরে অস্ট্রেলিয়া পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই তল্লাশি কার্যক্রমের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এমন কিছু খুঁজে বের করা যা নিউজিল্যান্ড পুলিশের চলমান তদন্তে কাজে লাগতে পারে।'

মসজিদে গুলি চালানো ব্রেনটনের বোন অস্ট্রেলিয়াতেই থাকেন। তার বাসায় তল্লাশি চালানোর কথা উল্লেখ করে অস্ট্রেলীয় পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ব্রেনটনের পরিবার তদন্ত কাজে সহায়তা করেছে।

গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দু'টি মসজিদে বন্দুকধারী সন্ত্রাসী ব্রেনটন টারান্টের হামলায় ৫০ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন। এখনও ৩৪ জনকে ক্রাইস্টচার্চ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তাদের মধ্যে ১২ জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন। 

স্থানীয় সময় গত শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে আল নূর মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যাওয়া মুসল্লিদের ওপর প্রথমে হামলা চালানো হয়। এর একটু পরে লিনউড মসজিদে দ্বিতীয় হামলা হয়। 

ফেসবুকে লাইভে গিয়ে আল নূর মসজিদে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল নিয়ে হামলা চালান ব্রেনটন। ওই মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন নিউজিল্যান্ড সফরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। কয়েক মিনিটের জন্য তারা প্রাণে বেঁচে যান।

এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ব্রেনটনকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে শনিবার ক্রাইস্টচার্চ আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন জানানো হলে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর