আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক বাতিলের হুমকি উত্তর কোরিয়ার

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক বাতিলের হুমকি উত্তর কোরিয়ার

  অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়া প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের আগামী ১২ জুনের বৈঠক বাতিলের হুমকি দিয়েছে পিয়ংইয়ং। পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগে যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত চাপ দিতে থাকলে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

এর আগে উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসতে প্রস্তুত— জানানোর পর ওই বৈঠকে বসার বিষয়ে সম্মত হন ট্রাম্প। 

বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া 'ম্যাক্স থান্ডার' নামে যৌথ সামরিক মহড়া করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় উত্তর কোরিয়া। এ ধরনের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধিতা করে আসছে পিয়ংইয়ং।

দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিম কে গউন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আমাদের কোণঠাসা করতে পারমাণবিক অস্ত্র প্রত্যাহারের একতরফা দাবি জানালে তাদের সঙ্গে কথা বলার কোনো আগ্রহ আমাদের নেই। এটা হলে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বৈঠকের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি গণমাধ্যম সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) বরাত দিয়ে সিএনএন-এর এক খবরে বলা হয়, কিম কে গউন বলেছেন, পারমাণবিক কর্মসূচি বাদ দেওয়ার যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক পুরস্কার ও সুবিধা দেবে বলে জানিয়েছে। কিন্তু তাদের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের দয়ায় চলবে— এমন করে গড়ে তোলেননি তারা। ভবিষ্যতে এমন কোনো চুক্তিতে সই করবে না তার দেশ।

আর প্রেসিডেন্ট কিম জং উন বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন সত্যিই পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চাইলে তাদের যথাযথ প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে। কিন্তু উত্তর কোরিয়াকে কোণঠাসা করতে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসার জন্য জোর করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ নেই আমাদের।
কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নতির দিকে যাচ্ছিল। সম্প্রতি কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইনের সঙ্গে করমর্দনের পর সম্পর্কের এ অগ্রগতি হচ্ছিল বলে মনে করা হয়। তবে বুধবার আবারও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অবনতির দিকে মোড় নেয়। সূত্র: বিবিসি ও সিএনএন। 


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নিজের রক্ত দিয়ে তৈরি ময়েশ্চারাইজার মাখেন ভিক্টোরিয়া!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ভিক্টোরিয়া বেকহাম— ফাইল ছবি/রেক্স

  অনলাইন ডেস্ক

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে মেয়েদের ব্যান্ডদল 'স্পাইস গার্লস'-এর সদস্য হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। বর্তমানে ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচিত তিনি। তার আরেকটি পরিচয়— তিনি ইংল্যা্ংন্ডের সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহামের স্ত্রী।

হ্যাঁ, কথা হচ্ছে ভিক্টোরিয়া বেকহামকে নিয়েই। এই ৪৪ বছর বয়সেও যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ বিশ্ব। কিন্তু এই বয়সেও এমন সৌন্দর্যের রহস্য কী? সম্প্রতি সেই কথা জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া নিজেই জানিয়েছেন।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভিক্টোরিয়া তার ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন তার ছবি দিয়েছেন। আর এই ময়েশ্চারাইজার কী দিয়ে তৈরি জানিয়েছেন সেই কথাও।

তিনি জানিয়েছেন, তার রক্ত থেকেই তৈরি করা হয়েছে এই ময়েশ্চারাইজার। আর এই কাজটি করেছেন তার চিকিৎক বারবারা স্ট্রাম।

ইনস্টাগ্রামে ভিক্টোরিয়া তার জন্য তৈরি করা ময়েশ্চারাইজারের ছবি পোস্ট করেছেন

বেকহামপত্নী বলেছেন, ড. বারবারার তৈরি করা বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তার ত্বকের জ্বালা রোধ করে ও ত্বকে কোষের পুনরুৎপাদনে সহায়তা করে।

এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করায় তার ত্বক আগের তুলনায় অনেক নরম ও পরিষ্কার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ভিক্টোরিয়া।

তিনি আরও জানান, বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ১ হাজার ২০০ পাউন্ড। অর্থাৎ ভিক্টোরিয়া বেকহামের জন্য তৈরি করা বিশেষ ময়েশ্চারাইজারের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সূত্র: এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খেতেই থাকবো'


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা কেসি কিংয়ের বয়স ৩৪ বছর। ওজন ৭০০ পাউণ্ড বা ৩১৭ কেজি। তারপরও ওজন কমানোর এতটুকু আগ্রহ নেই। বরং মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত খাওয়ার ইচ্ছাই জানালেন তিনি।

জর্জিয়ার বাসিন্দা কেসি সিংয়ের ঘুম ভাঙে বেলা ১২টায়। এর কিছুক্ষণ পরেই তার ক্ষিদে পায়। খাবার খেয়েই তিনি বিছানায় শুয়ে হয় টেলিভিশন দেখেন না হয় ভিডিও গেম খেলেন। এরপর আবার খাওয়া এবং ঘুম। এভাবেই কেটে যাচ্ছে তার জীবন।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক টেলিভিশন চ্যানেল টিএলসির এক রিয়েলেটি শোতে কেসি সিং জানান, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি খেতেই থাকবেন।

জানা গেছে, কেসি যখন বিছানায় শুয়ে ভিডিও গেম খেলেন তখন কোনো পোশাকও পরেন না। এ ব্যাপারে কেসি বলেন, ‘জর্জিয়ায় অনেক গরম। আমার পোশাকগুলোও অনেক আটসাট হয়। তাই আমি কাপড়চোপড় না পরেই বাড়িতে থাকি। আর এভাবে থাকলেই আরামবোধ হয়।’

জানা গেছে, গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর কেসি কয়েকটা রেস্টুরেন্টে কাজ করেছিলেন। কিন্তু এক সময় ফাস্ট ফুড খেতে খেতে তার ওজন এতটাই বেড়ে যায় যে তার পক্ষে পরিশ্রম করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাও বিরক্ত হয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

কেসি তখন বাবার সঙ্গে তার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন। আর তার দিন কাটতে থাকে ফাস্ট ফুড খেয়ে এবং ভিডিও গেম খেলে। প্রতিদিন তার খাদ্য তালিকায় পিৎজা, চিকেন, জাপানি খাবার, বার্গার– এসবই বেশি থাকে। এমন খাবার খেতে পেরে কেসি বেশ খুশিও।

কেসি বলেন, ‘কাজ ছাড়ার পর ভার্চুয়াল জগতেই আমি আরামবোধ করি। এখানে কেউ আমাকে দেখছে না। কেউ আমার ওজন নিয়ে কথা বলে না। এটাই আমার কাছে বাইরের পৃথিবী।’

জানা গেছে, কেসির চাচাতো ভাইবোনেরাও অতিরিক্ত স্থূলতায় ভূগছেন। সূত্র: মিরর

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এই ছিল খনি শ্রমিকের কপালে!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
এই ছিল খনি শ্রমিকের কপালে!

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে কয়লা খনিতে আটকা পড়া এক শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নৌবহিনীর ডুবুরিরা ওই মরদেহ শনাক্তের পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

১৪ শ্রমিকের সঙ্গে গত রোববার এ অবৈধ খনিতে আটকা পড়েন এই শ্রমিকও। খনির খুব গভীরে এক পর্যায়ে পাশ্ববর্তী নদী থেকে পানি প্রবাহ শুরু হতে থাকে। এতেই ঘটে বিপত্তি।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, পানির নিচে ব্যবহার করা যায় এমন একটি যন্ত্র প্রথমে ১৬০ ফুট নিচে থাকা শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত করে। এখন চিকিৎসকের পরামর্শে তা সঠিক প্রক্রিয়া মেনে ওপরে উঠিয়ে আনা হবে।

এক শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত হলেও অন্য শ্রমিকদের কপালে আসলে কি ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে বিবিসি বলছে।

দুর্ঘটনার পরপরই প্রায় ২০০ উদ্ধারকারী কর্মী তৎপরতা শুরু করেন। খনি খুড়ে শ্রমিকদের সঙ্গে তারা যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অন্যদের খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

এই ধরনের খনিতে যেসব শ্রমিক কাজ করেন; তাদের অধিকাংশই পাশ্ববর্তী রাজ্য থেকে অর্থাভাবে এসে জড়ো হন। এদের বেশিরভাগের জন্যই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।

সংশ্লিষ্ট খবর