আন্তর্জাতিক

যেখানে ব্রেক-আপের মূল্য পরিশোধ অর্থে

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮ | আপডেট : ১৬ মে ২০১৮

যেখানে ব্রেক-আপের মূল্য পরিশোধ অর্থে

  অনলাইন ডেস্ক

বিচ্ছেদ বা ব্রেক-আপের পর ক্ষতিপূরণ! বিষয়টা অদ্ভূত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এমনই এক প্রথা চালু হয়েছে চীনের প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে।

প্রেম করলে সবাই ডেটিংয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ঘোরাঘুরি, কোথাও বসে খাওয়া-দাওয়া করা -এগুলো ডেটিংয়েরই অংশ। এছাড়া প্রেমের সময় বিভিন্ন উপলক্ষে প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেদের মধ্যে উপহার বিনিময় করে। সব মিলিয়ে ডেটিং বেশ ব্যয়বহুলও বটে। 

এ কারণে সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলে মূল্য দিয়ে তা পরিশোধের প্রথা নিজেরাই চালু করেছেন চীনের প্রেমিক-প্রেমিকারা। তবে এর বাধ্যবাধকতা নেই। তারপরও প্রেমিক-প্রেমিকাদের একটি পক্ষ দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্কে ইতি টানার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন। 

নতুন এই প্রথা অনুযায়ী, সম্পর্ক যে ছেড়ে দিচ্ছে ক্ষতিপূরণটা দিতে হচ্ছে তাকেই। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেমিক-প্রেমিকারা একসঙ্গে কত সময় সম্পর্কের পিছনে ব্যয় করেছেন, কতটা কষ্ট করেছেন- এগুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।  

কেউ কেউ ডেটিংয়ের খরচের ওপর ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করেন। আবার কেউবা ব্রেক-আপের কারণে কতটা মানসিক ক্ষতি হলো সেটা বিবেচনা করে একটা মূল্য নির্ধারণ করেন। 

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরাই ক্ষতিপূরণ প্রদান করেন। মেয়েরাও সম্পর্ক ভাঙলে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন। চীনের শহরাঞ্চলে এই প্রবণতা বাড়ছে। অনেক সময় ব্রেক-আপের পর প্রেমিক বা প্রেমিকা ক্ষতিপূরণ দাবী করেও বসছেন।  

কিছুদিন আগে চীনের এক নারী তার সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে যেসব হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে একসঙ্গে যান এবং তাতে যা খরচ হয়- তার একটি তালিকা তৈরি করে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। সেই সঙ্গে প্রেমিক তার জন্য যত খরচ করেছেন তা শোধ করার ইচ্ছাও জানান।

এর আগে ব্রেক-আপের ক্ষতিপূরণ নিয়ে ২০১৪ সালে চীনের দক্ষিণ সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ এক ঘটনা ঘটে। ব্রেক-আপ ফি দিতে অস্বীকার করায় এক নারীর বাড়িতে অ্যাসিড ছুড়ে মারেন তার প্রেমিক। সূত্র: বিবিসি


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নিজের রক্ত দিয়ে তৈরি ময়েশ্চারাইজার মাখেন ভিক্টোরিয়া!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

ভিক্টোরিয়া বেকহাম— ফাইল ছবি/রেক্স

  অনলাইন ডেস্ক

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে মেয়েদের ব্যান্ডদল 'স্পাইস গার্লস'-এর সদস্য হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। বর্তমানে ফ্যাশন ডিজাইনার ও ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচিত তিনি। তার আরেকটি পরিচয়— তিনি ইংল্যা্ংন্ডের সাবেক ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহামের স্ত্রী।

হ্যাঁ, কথা হচ্ছে ভিক্টোরিয়া বেকহামকে নিয়েই। এই ৪৪ বছর বয়সেও যার সৌন্দর্যে মুগ্ধ বিশ্ব। কিন্তু এই বয়সেও এমন সৌন্দর্যের রহস্য কী? সম্প্রতি সেই কথা জানিয়েছেন ভিক্টোরিয়া নিজেই জানিয়েছেন।

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভিক্টোরিয়া তার ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন তার ছবি দিয়েছেন। আর এই ময়েশ্চারাইজার কী দিয়ে তৈরি জানিয়েছেন সেই কথাও।

তিনি জানিয়েছেন, তার রক্ত থেকেই তৈরি করা হয়েছে এই ময়েশ্চারাইজার। আর এই কাজটি করেছেন তার চিকিৎক বারবারা স্ট্রাম।

ইনস্টাগ্রামে ভিক্টোরিয়া তার জন্য তৈরি করা ময়েশ্চারাইজারের ছবি পোস্ট করেছেন

বেকহামপত্নী বলেছেন, ড. বারবারার তৈরি করা বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তার ত্বকের জ্বালা রোধ করে ও ত্বকে কোষের পুনরুৎপাদনে সহায়তা করে।

এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করায় তার ত্বক আগের তুলনায় অনেক নরম ও পরিষ্কার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ভিক্টোরিয়া।

তিনি আরও জানান, বিশেষ এই ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ১ হাজার ২০০ পাউন্ড। অর্থাৎ ভিক্টোরিয়া বেকহামের জন্য তৈরি করা বিশেষ ময়েশ্চারাইজারের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সূত্র: এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খেতেই থাকবো'


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা কেসি কিংয়ের বয়স ৩৪ বছর। ওজন ৭০০ পাউণ্ড বা ৩১৭ কেজি। তারপরও ওজন কমানোর এতটুকু আগ্রহ নেই। বরং মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত খাওয়ার ইচ্ছাই জানালেন তিনি।

জর্জিয়ার বাসিন্দা কেসি সিংয়ের ঘুম ভাঙে বেলা ১২টায়। এর কিছুক্ষণ পরেই তার ক্ষিদে পায়। খাবার খেয়েই তিনি বিছানায় শুয়ে হয় টেলিভিশন দেখেন না হয় ভিডিও গেম খেলেন। এরপর আবার খাওয়া এবং ঘুম। এভাবেই কেটে যাচ্ছে তার জীবন।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক টেলিভিশন চ্যানেল টিএলসির এক রিয়েলেটি শোতে কেসি সিং জানান, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি খেতেই থাকবেন।

জানা গেছে, কেসি যখন বিছানায় শুয়ে ভিডিও গেম খেলেন তখন কোনো পোশাকও পরেন না। এ ব্যাপারে কেসি বলেন, ‘জর্জিয়ায় অনেক গরম। আমার পোশাকগুলোও অনেক আটসাট হয়। তাই আমি কাপড়চোপড় না পরেই বাড়িতে থাকি। আর এভাবে থাকলেই আরামবোধ হয়।’

জানা গেছে, গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর কেসি কয়েকটা রেস্টুরেন্টে কাজ করেছিলেন। কিন্তু এক সময় ফাস্ট ফুড খেতে খেতে তার ওজন এতটাই বেড়ে যায় যে তার পক্ষে পরিশ্রম করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাও বিরক্ত হয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

কেসি তখন বাবার সঙ্গে তার বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন। আর তার দিন কাটতে থাকে ফাস্ট ফুড খেয়ে এবং ভিডিও গেম খেলে। প্রতিদিন তার খাদ্য তালিকায় পিৎজা, চিকেন, জাপানি খাবার, বার্গার– এসবই বেশি থাকে। এমন খাবার খেতে পেরে কেসি বেশ খুশিও।

কেসি বলেন, ‘কাজ ছাড়ার পর ভার্চুয়াল জগতেই আমি আরামবোধ করি। এখানে কেউ আমাকে দেখছে না। কেউ আমার ওজন নিয়ে কথা বলে না। এটাই আমার কাছে বাইরের পৃথিবী।’

জানা গেছে, কেসির চাচাতো ভাইবোনেরাও অতিরিক্ত স্থূলতায় ভূগছেন। সূত্র: মিরর

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এই ছিল খনি শ্রমিকের কপালে!


আরও খবর

আন্তর্জাতিক
এই ছিল খনি শ্রমিকের কপালে!

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ভারতের মেঘালয় রাজ্যে কয়লা খনিতে আটকা পড়া এক শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নৌবহিনীর ডুবুরিরা ওই মরদেহ শনাক্তের পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

১৪ শ্রমিকের সঙ্গে গত রোববার এ অবৈধ খনিতে আটকা পড়েন এই শ্রমিকও। খনির খুব গভীরে এক পর্যায়ে পাশ্ববর্তী নদী থেকে পানি প্রবাহ শুরু হতে থাকে। এতেই ঘটে বিপত্তি।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, পানির নিচে ব্যবহার করা যায় এমন একটি যন্ত্র প্রথমে ১৬০ ফুট নিচে থাকা শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত করে। এখন চিকিৎসকের পরামর্শে তা সঠিক প্রক্রিয়া মেনে ওপরে উঠিয়ে আনা হবে।

এক শ্রমিকের মরদেহ শনাক্ত হলেও অন্য শ্রমিকদের কপালে আসলে কি ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে বিবিসি বলছে।

দুর্ঘটনার পরপরই প্রায় ২০০ উদ্ধারকারী কর্মী তৎপরতা শুরু করেন। খনি খুড়ে শ্রমিকদের সঙ্গে তারা যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অন্যদের খবর পাওয়া যাচ্ছে না।

এই ধরনের খনিতে যেসব শ্রমিক কাজ করেন; তাদের অধিকাংশই পাশ্ববর্তী রাজ্য থেকে অর্থাভাবে এসে জড়ো হন। এদের বেশিরভাগের জন্যই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।

সংশ্লিষ্ট খবর