আন্তর্জাতিক

মুক্তি পেলেন আনোয়ার ইব্রাহিম

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮

মুক্তি পেলেন আনোয়ার ইব্রাহিম

  অনলাইন ডেস্ক

সমকামিতা ও দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দি মালয়েশিয়ার বহুল আলোচিত নেতা আনোয়ার ইব্রাহিম জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এর ফলে তার রাজনীতিতে ফেরার পথ আরও সুগম হল।

আনোয়ার ইব্রাহিমের মুক্তির জন্য মালয়েশিয়ার রাজার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। বুধবার সকালে আনোয়ার ইব্রাহিমের ক্ষমা মঞ্জুর করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। 

জেল থেকে মুক্তির পর কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান আনোয়ার ইব্রাহিম। এরপর ইস্তানা নেগারার রাজপ্রাসাদের যান তিনি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী মাহাথিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় রাজপ্রাসাদের সামনে আনোয়ারের সমর্থকরা উল্লাস করেন। 

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার একদিন পর গত গত ১১ মে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির বলেছিলেন, আনোয়ারকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে দেবেন বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাজা। তার মানে খুব শিগগিরই তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পুরোদমে রাজনৈতিক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

মাহাথির এবং আনোয়ার দু’জনেই বারিসান ন্যাশনাল পার্টিতে একসঙ্গে রাজনীতি করেছেন। ১৯৮১ সালে মাহাথির প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন এবং আনোয়ার ছিলেন তার উপপ্রধানমন্ত্রী। ফলে তাদের সম্পর্কের গল্পটা নাটকীয়তায় ভরা।

মত ও পথের পার্থক্য এবং জোটের নেতৃত্ব নিয়ে মাহাথির ও আনোয়ার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন ১৯৯৮ সালে। ওই বছরই আনোয়ারকে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বহিষ্কার করেন মাহাথির। পরের বছর দুর্নীতির মামলায় এবং সমকামিতার অভিযোগে জেলে ঢোকানো হয় আনোয়ারকে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সে সময় মাহাথিরের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। আনোয়ারের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগকে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হাতিয়ার বলে মনে করে সাধারণ মানুষ। পাঁচ বছর পর জেল থেকে ছাড়া পান তিনি।

২০০৮ এবং ২০১৩ সালের মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন আনোয়ার। এতে তাকে হুমকি মনে করেন সে সময়কার এবং সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। ২০১৩ সালে স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হতে যাচ্ছেন আনোয়ার- এমনটা মনে করে ওই বছরই তাকে আবারও পুরনো অভিযোগে জেলে পাঠানো হয়।

এর পরের ঘটনা নাজিব রাজাকের জন্য সুখকর নয়। গত দুই বছর আগে নাজিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বারিসান ছেড়ে বিরোধী জোটে যোগ দেন ২০০৩ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া মাহাথির। গত গত ৯ মে ঐতিহাসিক নির্বাচনে জয় পায় বিরোধী জোট হারাপান পাকাতান। এই জোটের অন্যতম নেতা আনোয়ার। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই বিরোধী জোট থেকেই প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচনের ঘোষণা দেন মাহাথির। নির্বাচনে জয় লাভ করলে নিজের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী আনোয়ারকে জেল থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। আগামী দুই বছরের মধ্যে আনোয়ারের হাতে প্রধানমন্ত্রিত্বের দায়িত্ব তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন মাহাথির। তিনি বলেছেন, তিনি আগামী দু'বছরের মধ্যে পদ ছেড়ে দেবেন এবং তখন আনোয়ার ইব্রাহিমই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন। মাহাথির স্বীকার করেছেন, দুই দশক আগে আনোয়ারকে জেলে ঢোকানোর বিষয়টি এভাবেই প্রায়শ্চিত্ত করতে চান তিনি। 

মাহাথির আগামী দু’বছরের মধ্যেই নিজের ক্ষমতা আনোয়ার ইব্রাহিমকে হস্তান্তর করবেন বললেও এখনই তাকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে কি-না, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ট্রাম্প-কিম বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা যেসব কারণে


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যকার বৈঠক নিয়ে আঁকা কাটুন— বিবিসি বাংলা

  অনলাইন ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে বৈঠকে বসার কথা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

তবে এই বৈঠকের ব্যাপারে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, 'এই বৈঠক না হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।'

তিনি আরও বলেছেন, 'সম্মেলনের আগে উত্তর কোরিয়াকে শর্ত পূরণ করতে হবে। যদি সেটা না করে তাহলে এই বৈঠক আরো পরেও হতে পারে।'

হোয়াইট হাউসে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইনের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এসব মন্তব্য করেন বলে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, পরমাণু অস্ত্র পরিহার করার জন্যে যুক্তরাষ্ট্র যদি একতরফাভাবে চাপ দিতে থাকে তাহলে তারা নির্ধারিত বৈঠকটি বাতিল করবে।

এদিকে, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করার ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবাদিকদের আসতে দিতে রাজি হয়েছে পিয়ংইয়ং। এর আগে তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। আরো কয়েকটি দেশের সাংবাদিকদেরও এজন্যে উত্তর কোরিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

বলা হচ্ছে, পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করার উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার শুভেচ্ছাসূচক পদক্ষেপ হিসেবে। কিন্তু এও বলা হচ্ছে যে, খারাপ আবহাওয়ার কারণে এই উদ্যোগ পিছিয়েও যেতে পারে।

বৈঠকের ব্যাপারে দু'দেশের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যেও দুই নেতা আলোচনার দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত বৈঠকের প্রায় তিন সপ্তাহ আগে হঠাৎ করে এই অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হলো কেন?

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রীয়াজ বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এজন্যে চারটি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন।

তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জন বোল্টনের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

আলী রীয়াজ বলেন, 'তিনি যেভাবে একতরফাভাবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কথা বলেছেন এবং লিবিয়া মডেলের কথা উল্লেখ করেছেন সেটা উত্তর কোরিয়ার জন্যে একটা বড় রকমের ভীতি তৈরি করেছে।'

যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর চাপে ২০০৩ সালে লিবিয়া তার গণ-বিধ্বংসী অস্ত্র পরিহারের কথা ঘোষণা করেছিল। লিবিয়ার ওপর থেকে তখন পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাও ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পশ্চিমাদের সঙ্গে যুদ্ধে কর্নেল গাদ্দাফি নিহত হন।

অধ্যাপক আলী রিয়াজের মতে, দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে যৌথ মহড়া।

তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে যৌথ সামরিক মহড়া অলিম্পিকের কারণে পেছানো হয়েছিল। উত্তর কোরিয়া চাইছিল এই মহড়া বাতিল করা হোক। কিন্তু সেটা বাতিল না করে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।'

তৃতীয় কারণ হিসেবে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন,  চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যে বাণিজ্য লড়াই প্রায় শুরু হতে যাচ্ছে বা হওয়ার মতো পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে সেটাও এর পেছনে পরোক্ষভাবে কাজ করেছে।

তার ভাষায়, 'চীন যেহেতু উত্তর কোরিয়ার বড় সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের যখন এক ধরনের টানাপড়েন চলছে, এরকম একটা পরিস্থিতিতে চীন সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একটা চাপ তৈরি করতে চাইছে।

চতুর্থ কারণ হিসেবে আলী রীয়াজ বলছেন, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে যতোটা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হয়তো তারচেয়েও বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছেন।

অধ্যাপক রিয়াজের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে দুটো ধারণা এখন স্পষ্ট। একটি হচ্ছে জন বোল্টনের ধারণা। তিনি মনে করেন, এই আলোচনা সফল হবে না, ফলে যুদ্ধের জন্যে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।

আর অন্যটি হচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর ধারণা। তিনি একাধিকবার উত্তর কোরিয়াতে গেছেন। অতীতে তিনি উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বারবার সামরিক অভিযানের কথা বললেও এখন তিনি চাইছেন অন্তত আলোচনাটা হোক।

আলী রীয়াজ বলেন, 'সম্ভবত হোয়াইট হাউসের কথা বিবেচনা করেই তিনি অনেক দূর পর্যন্ত যেতে চান। এই পার্থক্যের কারণে বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে যে এক ধরনের টানাপড়েন চলছে এবং এই টানাপড়েনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ তৈরি করতে চায় উত্তর কোরিয়া।'

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ কিছু শর্তের কথা বলেছেন, যদিও তিনি সেসব প্রকাশ করেননি। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার একতরফাভাবে পরমাণু কর্মসূচি পরিহারের কথা বলছেন। তাহলে কি বাধাটা এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেই আসছে?

এই প্রশ্নের জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, একটা শীর্ষ বৈঠকের আগে দুপক্ষকে মাঝামাঝি জায়গায় আসতে হবে, যেটা এখনও তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে উত্তর কোরিয়া চায় ওই এলাকাতে যাতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি না থাকে। সেটা আসলে যুক্তরাষ্ট্র মানতে চাইছে না। এছাড়াও ওই এলাকায় অন্যান্য দেশগুলোর ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র যে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে উত্তর কোরিয়া সেটাও চায় না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে একতরফাভাবে উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ দিচ্ছে। ফলে শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতিটা এখনও তৈরি হয়নি।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চীনে সব মসজিদে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

চীনের সব মসজিদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

'দেশাত্মবোধ জাগাতে' রমজান মাস চলাকালে দেশটির শীর্ষ ইসলামী সংগঠন 'চায়না ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন' এমন নির্দেশনা জারি করেছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সরকার নিয়ন্ত্রিত সংগঠন 'চায়না ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন' তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠিতে জানিয়েছে, মসজিদের এমন জায়গায় পতাকা উত্তোলন করতে হবে, যা বহুদূর থেকে স্পষ্ট দেখা যায়।

সংগঠনটির চিঠিতে বলা হয়েছে, মসজিদের মতো ধর্মীয় স্থানে পতাকা উত্তোলন করা হলে তাতে জাতীয় ও সামাজিক আদর্শ আরও জোরালোভাবে প্রকাশ পাবে। এতে প্রচার ও প্রসার হবে জাতীয়তাবোধেরও।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কমিউনিস্ট পার্টির যে 'মূল সমাজতান্ত্রিক মূল্যবোধ', সে বিষয়েও মানুষকে বোঝাবে মসজিদগুলো। ইসলামী ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী অনুসারীদের কাছে তা ব্যাখ্যা করবে, যাতে তা 'মানুষের মনে গেঁথে যায়'।

ফেব্রুয়ারি থেকে চীনে ধর্মীয় আচার বিষয়ক সংশোধিত নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এরপরই চায়না ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন তাদের ওয়েবসাইটে এই চিঠি প্রকাশ করলো। চীনে প্রায় দশটি গোষ্ঠীর অন্তর্গত দুই কোটি মুসলমান রয়েছে।

সমালোচকেরা বলছেন, চীনের শাসক দল এভাবে ধর্মীয় ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে চাইছে। দেশটির সংবিধান ও আইন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ক্লাস নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মসজিদগুলোকে। এরইমধ্যে এই নির্দেশ মানতে শুরু করেছে দেশটির বেশ কিছু প্রদেশ। শুধু মসজিদ নয়, অনেক স্থানে গির্জা ও বৌদ্ধ মন্দিরেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গর্ভনর প্রার্থী


আরও খবর

আন্তর্জাতিক

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি রাজ্যের গর্ভনর পদে লড়তে যাচ্ছেন সাবেক আইন প্রণেতা ও লেখক এক কৃষ্ণাঙ্গ নারী।

মঙ্গলবার প্রাথমিক ভোটাভুটিতে স্ট্যাসি আব্রাম নামের ওই নারী জর্জিয়া রাজ্যের জন্য ডেমোক্র্যাট দল থেকে মনোনয়ন পান বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ডেমোক্র্যাট নেতা হিলারি ক্লিনটন এবং বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থন রয়েছে ৪৪ বছর বয়সী আব্রামসের প্রতি।

গর্ভনর হওয়ার জন্য আব্রাম ভোটাভুটিতে স্ট্যাসি ইভান্সকে হারিয়েছেন।

২০০৩ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ডেমোক্র্যাট দলের কেউই রাজ্যটির দখল নিতে পারেননি।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আব্রাম। এতে জয়ী হতে পারলে তিনিই হবেন প্রথম মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নারী গর্ভনর।

যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ছয়জন নারী গভর্নর রয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন ডেমোক্র্যাট এবং চারজন রিপাবলিকান।

২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো জর্জিয়া রাজ্যের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ নির্বাচিত হওয়া স্ট্যাসি মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে বড় হয়েছেন। কিশোর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে জর্জিয়ার আটলান্টায় পাড়ি জমান তিনি।








সংশ্লিষ্ট খবর