শিল্প-বাণিজ্য

সেরা হতে রোড ম্যাপ তৈরি করেছে ওয়ালটন

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮

সেরা হতে রোড ম্যাপ তৈরি করেছে ওয়ালটন

  অনলাইন ডেস্ক

ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ড হতে রোড ম্যাপ তৈরি করেছে ওয়ালটন। এই লক্ষ্য অর্জনে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি কর্ম-পরিকল্পনা, যেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশী ব্র্যান্ড ওয়ালটন। প্রথমধাপে ওয়ালটন আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। 

পরবর্তী ধাপে আগামী বছর বিশ্বের সবচেয়ে দামী বা গ্লোবাল মডেলের ফ্রিজ তৈরি করতে যাচ্ছে তারা। সেইসঙ্গে অংশ নিচ্ছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সব প্রতিযোগিতা এবং শীর্ষ বাণিজ্য মেলাগুলোতে। 

রোড ম্যাপ  বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সেখানে অংশ নিয়েছেন বিদেশী খ্যাতনামা প্রযুক্তিবিদগণ। তাদের সঙ্গে ছিলেন ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর আরএনডি বা গবেষণা ও উন্নয়ন, কোয়ালিটি কন্ট্রোল (কিউসি), প্রোডাকশন, সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল আরএনডি, মোল্ড ও ডাই প্রোডাকশন, ইনজেকশন মোল্ডিং, প্রসেস ডেভলপমেন্ট, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রকৌশলী ও প্রতিনিধিরা।

সম্মেলনের সমন্বয়ক ওয়ালটনের ফার্স্ট সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর আব্দুর রউফ জানান, দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ও ডিজাইনাররা ফ্রিজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব লেটেস্ট প্রযুক্তির সংযোজন; মানোয়ন্নয়ন; সৃজনশীল ডিজাইন, প্রতিযোগি মূল্য সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তারা বিশ্বের সবচেয়ে দামী তথা গ্লোবাল মডেলের ফ্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে সময়োপযোগি ও বাস্তবসম্মত দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। 

সূত্রমতে, গ্লোবাল মডেলের ফ্রিজ তৈরি করে আগামী বছর পুরস্কার অর্জন করার টাগেট রয়েছে ওয়ালটনের। 

ওয়ালটন আন্তর্জাতিক বিজনেস ইউনিটের প্রধান এডওয়ার্ড কিম বলেন, নিঃসন্দেহে ওয়ালটন বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে শীর্ষ ব্র্যান্ড। এখন সময় হয়েছে- গ্লোবাল মডেলের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরির। দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব বাজারের সেরা ব্র্যান্ড হওয়ার এই যাত্রা শুরু করলো ওয়ালটন।

কিম আরও বলেন, বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে টেকসই সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। এক্ষেত্রে বৈশ্বিক অংশীদারদের সর্বোচ্চ গুণগতমানের পণ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা দেয়ার পাশাপাশি ওইএম (অরিজিনাল ইক্যুইপমেন্ট ম্যানফ্যাকচারার) এর মাধ্যমে বিজনেস ভলিউম বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছি। 

এ ধরনের নতুন ও উদ্ভাবনী ধারণাই ওয়ালটনকে ধাপে ধাপে বিশ্বব্যাপী শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। 

ওয়ালটনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম জানান, দেশের গন্ডী পেরিয়ে 'মেইড ইন বাংলাদেশ' খ্যাত ওয়ালটন পণ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এবার ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত বিশ্বের বাজারে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানির বৃহৎ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। 

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিজনেস কনফারেন্স ও পণ্য প্রদর্শীতে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে ওয়ালটন। চীনের ক্যান্টন ফেয়ার, নাইজেরিয়ার লাগোস ফেয়ার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইলেকট্রনিক্স ফেয়ারসহ অতি সম্প্রতি জার্মানির চিলভেন্টা প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে তারা বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। 

কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স এবং হোম অ্যাপ্লায়ান্সে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেলা বার্লিনের 'আইএফএ ফেয়ার' ও যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের 'সিইএস ফেয়ার' এ অংশ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়ালটনের। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত


আরও খবর

শিল্প-বাণিজ্য

  অনলাইন ডেস্ক

গত ১৩ ও ১৪ জানুয়ারী গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফে অনুষ্ঠিত হয়েছে  বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্সের  চেয়ারপার্সন শারমিন মমতাজ। 

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আসাদুজ্জামান,পরিচালক সেলস সৈয়দ আশহাব জামান, পরিচালক মার্কেটিং সৈয়দ তাহমিদ জামান এবং সকল শোরুমের ব্যাবস্থাপক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। 

উক্ত সম্মেলনে ২০১৯ সালকে ঘোষণা করা হয়েছে সবুজ বছর হিসেবে। দেশের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়বিদ্যুৎ ব্যবহারেও সাশ্রয়ী হতে হবে।

এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বিস্তৃত ১১৮টি শোরুম এবং ২০০এরও বেশি ডিলার পয়েন্টেবিশ্ব নন্দিত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সব ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নিয়ে এসেছে বেস্টইলেক্ট্রনিক্স।

এ সম্মেলনের ঘোষণা অনুযায়ী বেস্ট ইলেকট্রনিক্স ২০১৯ সালের মধ্যে ১৫০টি নিজস্ব শোরুম এবং ৫০০ডিলারপয়েন্ট স্থাপনকরার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পরের
খবর

মার্সেল পণ্য কিনে লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার সুযোগ


আরও খবর

শিল্প-বাণিজ্য

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, মো. এমদাদুল হক সরকার, এসএম জাহিদ হাসান ও মোহাম্মদ রায়হান, হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল আম্বিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

নতুন বছর ও বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে দেশব্যাপী আবারও ডিজিটাল ক্যাম্পেইন শুরু করেছে মার্সেল। এবার চলছে সিজন-ফোর। এর আওতায় মার্সেল পণ্য কিনে রেজিস্ট্রেশন করলেই ক্রেতারা পেতে পারেন লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। পেতে পারেন মোটরসাইকেল, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, এলইডি টিভিসহ হাজার হাজার পণ্য একেবারে বিনামূল্যে। বাণিজ্য মেলার পুরো মাস জুড়ে সারাদেশে মিলবে এই সুবিধা। 

শনিবার রাজধানীতে মার্সেল করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত 'ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৪' এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, মো. এমদাদুল হক সরকার, এসএম জাহিদ হাসান ও মোহাম্মদ রায়হান, হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল আম্বিয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে তারা জানান, অনলাইন নেটওয়ার্কের আওতায় এনে বিক্রয়োত্তর সেবাকে আরও সহজ করতে কাস্টমার ডাটাবেজ তৈরি করছে মার্সেল। এই প্রক্রিয়ায় ক্রেতা অংশগ্রহণ উদ্বুদ্ধ করতে গত বছর দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের তিনটি সিজন চালানো হয়েছে। সে সময় গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ক্রেতারা পণ্য কিনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন বছর ও ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯ উপলক্ষ্যে সারা দেশে ক্যাম্পেইনের সিজন-ফোর শুরু করলো মার্সেল।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় বাণিজ্য মেলায় মার্সেল প্যাভিলিয়নসহ দেশের যে কোনো পরিবেশক শোরুম থেকে ফ্রিজ, টিভি ও  এসি কিনে মোবাইল ফোনে এসএসএম এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলেই ক্রেতারা পাবেন ৩০০ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। এছাড়াও পেতে পারেন মোটরসাইকেল, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, এলইডি টিভিসহ অসংখ্য পণ্য ফ্রি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পরের
খবর

নারীদের জন্য দারাজের 'নন্দিনী'


আরও খবর

শিল্প-বাণিজ্য
নারীদের জন্য দারাজের 'নন্দিনী'

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ (daraz.com.bd) নারীদের জন্য শুরু করলো একটি বিশেষ প্রকল্প 'দারাজ নন্দিনী'। প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও ই-কমার্স বিষয়ক শিক্ষার মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তা তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

নারীদের প্রতি নিবেদিত বিশেষ এই প্রকল্পে বছরব্যাপী অন্তর্ভুক্ত থাকবে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, যেখানে থাকবে বিশাল অংকের ডিসকাউন্ট, ফ্ল্যাশসেল, মেগাডিল ও বাহারি সব ভাউচার।

১৩ জানুয়ারি থেকে দারাজ নন্দিনী আয়োজন করছে বিশেষ ক্যাম্পেইন 'পাওয়ার ওমেন', যা চলবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। সাত দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে থাকছে ৭৬ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়। এছাড়াও থাকছে ফ্যাশন, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, স্পোর্টস অ্যান্ড আউটডোর পণ্যের ওপর ফ্ল্যাশসেল ও বিভিন্ন রকমের ডিসকাউন্ট ভাউচার।

সিটি ব্যাংক ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনেদেনে পাওয়া যাবে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় (সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পর্যন্ত) এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে দেশজুড়ে ফ্রি ডেলিভারি।

এছাড়াও এই ক্যাম্পেইনের আওতায় সুলভ মূল্যে নারীদের জন্য থাকবে সুজুকি ও টিভিএসের বিশেষায়িত স্কুটার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি